img

প্রথম বহরে বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাবেন ১০ হাজার কর্মী

প্রকাশিত :  ১৬:০৪, ২৮ আগষ্ট ২০২৬

প্রথম বহরে বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাবেন ১০ হাজার কর্মী

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও খুলতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পর স্বচ্ছ, ন্যায্য ও কম খরচের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিমান ভাড়াসহ সব ধরনের অভিবাসন ব্যয়মুক্ত এই কর্মীদের প্রথম বহর সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’ (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।

২০২২ সালের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কর্মী প্রেরণকারী এজেন্সি নির্বাচনের একক এখতিয়ার মালয়েশিয়া সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকায় বিদ্যমান আইনি সীমাবদ্ধতার মধ্য থেকেই সর্বোচ্চ নেগোসিয়েশন করেছে বর্তমান সরকার।

মালয়েশিয়ার উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও সাব-এজেন্সিকে কর্মী প্রেরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে মালয়েশিয়ার মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদিত ২৫টি মূল রিক্রুটিং এজেন্সি ও একটি সরকারি এজেন্সি।

বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে অন্তর্বর্তী সরকারের ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৩১২টি এজেন্সিকে সহযোগী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোকে বাদ দিয়ে প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত ১৬টি মেডিক্যাল সেন্টারের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হবে। দ্রুতই মালয়েশিয়ার তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সরেজমিন এসে পরিদর্শনের পর মেডিক্যাল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করবে।

কর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা, বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ, নিয়মিত বেতন-ভাতা, আবাসন ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়। যেকোনো অভিযোগ দ্রত নিষ্পত্তিতে একটি ২৪ ঘণ্টার মনিটরিং সেল ও হেল্পডেস্ক স্থাপন করা হচ্ছে।

দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে সতর্ক করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়াধীন কাজ শেষ করে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, মেডিক্যাল টেস্ট করা বা পাসপোর্ট জমা না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

‘চাঁদা না পেয়ে’ আমেরিকা প্রবাসীর ঘর নির্মাণের যুবদল নেতার বাধার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ০৫:২০, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

হবিগঞ্জ আমেরিকা প্রবাসীর ঘর নির্মানে বাধা প্রদানের অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযু্ক্ত যুবদল নেতার নাম শামসুল ইসলাম কামাল। গত ১৬ আগস্ট সকালে হবিগঞ্জের পশ্চিমবাজারাস্থ এলাকায় প্রবাসীর ঘর নির্মাণে তিনি বাধা দেন বলে অভিযোগ।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতে প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার ( ২৭ আগস্ট) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন আমেরিকা প্রবাসীর পূত্র সানি আলম শ্রাবন (১৮)। অভিযােগে প্রধান অভিযুক্ত করেছেন ধর্মঘর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মৃত মো: হাফিজ উদ্দিনের পূত্র ও মাদবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শামসুল ইসলাম কামালকে(৫৮)।

এছাড়াও অন্য অভিযুক্তরা হলেন, মালঞ্চপুর গ্রামের মৃত সালেহ আহমদের পূত্র মো: ইমরান আহমেদ (৪০), আলীনগর গ্রামের মৃত মতিউর রহমান মাষ্টারের পূত্র মো: আশিকুর রহমান ওরফে মামুন মেম্বার (৪৫), একই গ্রামের মৃত একরাম হোসেনের পূত্র কুদ্দুছ মিয়া (৩০) ও কালিকাপুর গ্রামের মৃত মকবুল মিয়ার পূত্র মো: শাহ আলম (৫২)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে রয়েছেন ১০/১২ জন।

স্থানীয় থানা পুলিশকে অভিযোগটি সিআরপিসির ১৫৬(৩) ধারা অনুসারে এফআইআর হিসেবে গণ্যের আদেশ দিয়েছেন হবিগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহেদুল আলম।

আদেশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে এফআইআর হিসেবে করত: বিষয়টি অবহিত করার নির্দেশও প্রদান করেছেন আদালত।

এ ব্যপারে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ৩ দিনের মধ্যে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্যের সময়সীমা দেয়া হয়েছে। তাই পুলিশ যথাসময়ে রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় পদেক্ষপ গ্রহণ করবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা প্রবাসী শাহিনুর আলম। সম্প্রতি জমি কিনে বাড়ি তৈরীর প্রস্তুতি নেন তিনি। তার অবর্তমানে সেই কাজের দায়িত্ব নেন ছেলে সানি আলম শ্রাবন। তবে যুবদল নেতা মো: শামছুল ইসলাম কামাল আমেরিকা প্রবাসী শাহিনুর আলমের সাথে যোগাযোগ করে বাড়ি নির্মাণের জন্য ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তবে চাঁদা না দেওয়ায় ৫ সহযোগীকে নিয়ে শামসুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির কাজ বন্ধ করে দেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়। এসময় শামসুল ইসলাম ও তার লোকজন মারধর করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

সিলেটের খবর এর আরও খবর