img

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

প্রকাশিত :  ১৯:৪৫, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪৯, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি । বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ব্যবহারকারী এ সেবা ব্যবহার করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি থেকে কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল আপনাআপনি ডাউনলোড হওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ ও পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে—এমনটাই উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে অনেকে রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপরই ভরসা করতে হবে।

তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকেও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা গেছে।

এ বিভ্রাটের প্রভাব কেবল চ্যাটজিপিটিতেই আটকে নেই। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার বড় একটি অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছল দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামের চালান

প্রকাশিত :  ০৬:১৮, ২১ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আমদানি করা ইউরেনিয়াম জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৫ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জ্বালানিবাহী গাড়িটি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। এর মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রমে নতুন ধাপ শুরু হলো।

প্রকল্প এলাকায় চালানটি পৌঁছালে সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি ও রাশিয়ান কর্মকর্তারা জ্বালানিবাহী গাড়িটিকে স্বাগত জানান।

এর আগে গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাশিয়া থেকে ভারত হয়ে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে ইউরেনিয়ামের চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করে সড়কপথে চালানটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হয়।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের এই চালান গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসার পথে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি আনা সম্ভব হয়নি। পরে এ জটিলতা কাটিয়ে নতুন সূচি অনুযায়ী গত ২ অক্টোবর জ্বালানিটি দেশে আনা হয়।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। এ সময় মোট ৯টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য এর আগে কয়েক ধাপে ইউরেনিয়ামের চালান দেশে আনা হয়। ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়। সব শেষ ৩ অক্টোবর প্রথম ইউনিটের জন্য চালান আসে। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম চালান এলো। এর মধ্য দিয়ে ওই ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রমও এগিয়ে গেল।

এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিটটির সেফটি ভাল্বের ১৬ মেগাপ্যাসকেল উচ্চচাপ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়ে যাওয়ার আগে আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে বাকি পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।

উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। সেই হিসাবে দুটি ইউনিট চালু হলে কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর