img

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৬০

প্রকাশিত :  ০৬:০১, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৬০

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুগত বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। ২০২২ সালে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দেশটিতে সংঘটিত তীব্র লড়াইগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

শনিবারের (৫ সেপ্টেম্বর) এ সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে বেসামরিকরাও রয়েছেন বলে দেশটির চিকিৎসা ও সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর তিনটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ দিন দেশটির দক্ষিণপশ্চিমে দু\'পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা লড়াইয়ে সরকারি বাহিনীর ২৬ সেনা নিহত হয়।

অপরদিকে ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠির চিকিৎসা ও সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এ লড়াইয়ে ৩১ বিদ্রোহী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তায়িজ শহরের এক মেডিকেল সূত্র জানিয়েছে, একটি যাত্রীবাহী বাসে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছয় বেসামরিক নিহত ও আরও সাতজন আহত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) হুথিদের অবস্থানে ধারাবাহিকভাবে বিমান হামলা চালায়। এতে দু\'পক্ষের সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে তীব্র হয়ে ওঠে।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমাও মেরেছি’—দম্ভভরে বললেন নেতানিয়াহু

প্রকাশিত :  ১৫:১৫, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাতারে হামলার কথা স্বীকার করে তা নিয়ে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমা হামলাও চালিয়েছি। (গাজা) যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারাও আমার ওপর হামলা করেছে।’

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব কথা বলেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারটির ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশ হিসেবেও উল্লেখ করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলার মধ্যে কাতার ইসরায়েলের নীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। অন্যদিকে, গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছিল কাতার। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।

হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে দোহায় আবাসিক ভবনে হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন দেখা যাচ্ছে। কাতারের দোহায়, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫কাতারের দোহায়, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে দোহায় আবাসিক ভবনে হামলা চালায় ইসরায়েল।

২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় হামাসের পাঁচ শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হন। কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মীও নিহত হন। সে সময় গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের ওই নেতারা বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠক চলাকালেই তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

২০১২ সাল থেকে কাতার তাদের দেশে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয় পরিচালনার সুযোগ দিয়ে আসছিল। কাতার সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়কে আশ্রয় দিয়েছিল তারা।

দোহায় হামলার পর কাতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে মন্তব্য করেন।

হামলায় কাতারের প্রতি সংহতি জানায় ইরান, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ। পরে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা কাতার সফর করেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও হামলার নিন্দা জানান। তিনি এটিকে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দেন।

কাতারে ওই হামলার প্রথম বার্ষিকীর কয়েক দিন আগে নেতানিয়াহু সাক্ষাৎকারটির ভিডিও প্রকাশ করলেন।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর