img

সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাসের শুল্ক-কর ছাড়

প্রকাশিত :  ২০:১১, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাসের শুল্ক-কর ছাড়

নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের জন্য শুল্ক-কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এ সুবিধার আওতায় নির্দিষ্ট কিছু যন্ত্রপাতি আমদানিতে অধিকাংশ শুল্ক ও কর থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে জনজীবনে সৃষ্ট ভোগান্তি হ্রাস পাবে, শিল্প উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাওয়াসহ যন্ত্রপাতির ক্ষতি কম হবে, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা থেকে নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে‌ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ হতে ৬ মাস পর্যন্ত শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধায় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

প্রকাশিত :  ১৯:৪৫, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪৯, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি । বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ব্যবহারকারী এ সেবা ব্যবহার করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি থেকে কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল আপনাআপনি ডাউনলোড হওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ ও পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে—এমনটাই উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে অনেকে রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপরই ভরসা করতে হবে।

তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকেও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা গেছে।

এ বিভ্রাটের প্রভাব কেবল চ্যাটজিপিটিতেই আটকে নেই। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার বড় একটি অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।