img

মোটা নারীদের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তাসনুভা

প্রকাশিত :  ১৬:২২, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

মোটা নারীদের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তাসনুভা

বিনোদন ডেস্ক :  ‘মিস অ্যান্ড মিসেস প্লাস বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন তাসনুভা তাবাচ্ছুম। সম্প্রতি রাজধানীর এক হোটেল অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। এ সময় বিজয়ীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন অভিনয়শিল্পী ও প্রতিযোগিতার বিচারক দিলারা জামান।

বাংলাদেশে প্রথমবার আয়োজন করা হয় ভিন্ন ঘরানার এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। স্থূলকায় নারীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রিয়েল হিরোজ এক্স প্রো অ্যান্ড কমিউনিকেশনস। এ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন নির্জন মোমিন ও দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন রুমানা।

অনুভূতি প্রকাশ করে তাসনুভা তাবাচ্ছুম বলেন— “টপ ফাইভে যাওয়ার পর আমার মনে হচ্ছিল আমি বিজয়ী হব। আমার নাম ঘোষণার পর বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। প্রথমবারের মতো এত বড় একটি জায়গায় বিজয়ের মুকুট পরব—এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। যা আগে কখনো অনুভব করা হয়নি; খুবই ভালো লাগছিল।”

প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন—দিলারা জামান, আবিদা সুলতানা, চয়নিকা চৌধুরী, রোজিনা, আফরান নিশোসহ অনেকে।

বিনোদন এর আরও খবর

img

‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ গান নিয়ে বিতর্ক, শুনানিতে হাজির নোরা

প্রকাশিত :  ০৭:৫৪, ০৮ মে ২০২৬

বড় বাজেটের দক্ষিণ ভারতীয় অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছেন। গানটির অশালীন কথা ও কুরুচিকর দৃশ্যায়নের অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছিল ভারতের জাতীয় নারী কমিশন। এর আগের কমিশন শুনানিতে ডেকে পাঠায় সঞ্জয় দত্তকে। এবার হাজিরা দিলেন নোরা ফতেহি।

পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানায়, গানটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপর বিতর্ক আরও বাড়তে থাকলে নির্মাতারা ইউটিউব থেকে গানটির হিন্দি সংস্করণ সরিয়ে নেন।

নারী কমিশনের তলব

বিতর্কের জেরে জাতীয় নারী কমিশন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উদ্যোগ নেয়। কমিশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তলব করা হয়। সেই সূত্রেই হাজির হন নোরা ফাতেহি।

তবে নোরার আগেই গত ২৭ এপ্রিল কমিশনের শুনানিতে অংশ নেন সঞ্জয় দত্ত। তিনি তাঁর আইনজীবী দল নিয়ে উপস্থিত হন। আইনজীবী দলের নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট হেমন্ত শাহ।

শুনানিতে সঞ্জয় দত্ত কমিশনের কাছে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, গানটির কথা, অনুবাদ, সুর বা চূড়ান্ত উপস্থাপনার ওপর তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। অভিনেতা হিসেবে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করাই ছিল তাঁর কাজ। সঞ্জয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আগে থেকে গানটির বিতর্কিত দিক সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

সঞ্জয় দত্তের ক্ষমা প্রার্থনা

শুনানিতে সঞ্জয় দত্ত নারী কমিশনের কাছে দুঃখ প্রকাশও করেন। তিনি বলেন, নারী মর্যাদা ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি তাঁর যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে।

এই বিতর্কের পর সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সঞ্জয় দত্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘোষণা দেন। ৫০ জন আদিবাসী কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

কমিশনকে জানানো হয়, আগামী তিন মাসের মধ্যে এই উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সঞ্জয় দত্ত যেসব প্রকল্পে যুক্ত হবেন, সেখানে যেন নারী, শিশু বা কোনো ব্যক্তির মর্যাদা ক্ষুণ্ন না হয়—সেই বিষয়ে সতর্ক থাকার আশ্বাসও দেন।

নোরা ফাতেহির উপস্থিতি ঘিরে নতুন আলোচনা

এরপর একই মামলায় জাতীয় নারী কমিশনের সামনে হাজির হন নোরা ফাতেহি। যদিও শুনানিতে তিনি ঠিক কী বক্তব্য দিয়েছেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবু তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডে আইটেম গান ও গ্ল্যামারনির্ভর উপস্থাপনা নিয়ে যে সমালোচনা বাড়ছে, সেখানে নোরা ফাতেহির নাম প্রায়ই উঠে আসে। নাচ ও স্ক্রিন প্রেজেন্সের জন্য জনপ্রিয় হলেও, তাঁর অনেক গানই অতিরিক্ত আবেদনময়ী উপস্থাপনার অভিযোগে সমালোচিত হয়েছে।