img

তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সম্মাননা পেলেন মোস্তাফা ইসলাম ডিউক

প্রকাশিত :  ১১:৩৪, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩৮, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সম্মাননা পেলেন মোস্তাফা ইসলাম ডিউক

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দীর্ঘদিনের অবদান ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন । সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউকের নেতৃত্বে তৈরি ‘ফ্লোরাব্যাংক কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার’ বিশ্বের অন্যতম সেরা কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডস ব্যারোনেস মানজিলা উদ্দিন তার হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। একই অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি সমাধানে নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউককে সম্মানসূচক ডক্টরেট (অনরারি পিএইচডি) ডিগ্রি প্রদান করে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি।

এই অর্জনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি তার পরিবার, সহকর্মী, মেন্টর এবং বিশ্বজুড়ে থাকা শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অর্জন আমাকে আগামীতে আরও দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে। ভবিষ্যতেও নতুন লক্ষ্য নিয়ে বৈশ্বিক প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদান রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যুক্তরাজ্য সফরের অংশ হিসেবে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের থ্যাচার বিজনেস এডুকেশন সেন্টারে “দ্য ফিউচার অব ব্যাংকিং ইনোভেশন: ইন্টিগ্রেটিং এআই অ্যান্ড মেশিন লার্নিং” শীর্ষক বিষয়ে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট) উপস্থাপন করেন। ব্যাংকিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিংয়ের ভবিষ্যৎ প্রভাব ও সম্ভাবনা নিয়ে তার এই গবেষণালব্ধ বক্তব্য আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

স্টারলিংক নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক-ভারত, পালটাপালটি বার্তা

প্রকাশিত :  ০৭:০৯, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক পরিষেবা চালুর পথে কারা বাধা দিচ্ছে, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন ইলন মাস্ক। বুধবার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে স্পেসএক্সের কর্ণধার অভিযোগ করেন, কিছু ‘অলিগার্ক’ বা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী নিজেদের একচেটিয়া ব্যবসায়িক আধিপত্য ধরে রাখতে ভারতে স্টারলিংকের প্রবেশ ঠেকিয়ে দিচ্ছে।

তবে মাস্কের অভিযোগের পরই বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারত সরকার তা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বলেছে, স্যাটেলাইট যোগাযোগ সেবার জন্য ভারতে একটি ‘ন্যায্য ও বৈষম্যহীন’ অনুমোদন কাঠামো রয়েছে।

সম্প্রতি ইলন মাস্ক অভিযোগ করেন, ভারতের কিছু ‘অলিগার্ক’ নিজেদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্টারলিংকের প্রবেশ আটকে দিচ্ছে।

তবে ভারতীয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে স্যাটেলাইট যোগাযোগ সেবার অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে না। লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই নির্ধারিত নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে।

ভারতে ইতোমধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জিএমপিসিএস—গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট—লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো ইলন মাস্কের স্টারলিংক, ভারতী গ্রুপ-সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং জিও প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনস। এ ছাড়া জেফ বেজোসের অ্যামাজন লিও-ও লাইসেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, লাইসেন্সধারী সব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা মূল্যায়ন বর্তমানে চলছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের এই প্রক্রিয়া শেষ হলে তারা পরবর্তী ধাপে স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্টারলিংক এক বছরেরও বেশি আগে ভারতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেলেও এখনো দেশটিতে বাণিজ্যিক সেবা শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। তবে ভারতের দাবি, লাইসেন্স পাওয়া তিন প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে প্রায় একই নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে স্টারলিংককে ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এর আগে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস ২০২৬-এ স্পেসএক্সের স্টারলিংক বিজনেস অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার বলেন, ভারতে সেবা চালুর জন্য প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করেছে।

তিনি জানান, ভারতের জন্য ২০টি গেটওয়ে সাইট স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে শত শত অ্যান্টেনা রয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত মেনে ব্যবহারকারীদের তথ্য দেশটির ভেতরেই রাখার ব্যবস্থাও করেছে স্টারলিংক।

ফলে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক সেবা চালুর ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের নিরাপত্তা যাচাই ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের পরবর্তী প্রক্রিয়া।