img

খাগড়াছড়িতে জুম্ম ছাত্র-জনতার অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা

প্রকাশিত :  ০৬:১৪, ০৪ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়িতে জুম্ম ছাত্র-জনতার অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা

খাগড়াছড়িতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ছিল। তবে সেই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে জুম্ম ছাত্র-জনতা। 

আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর আগে, ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত করা হয়েছিল।

বিবৃতিতে জানানো হয়, শহীদদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পুন্যকর্ম সম্পাদন, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তা এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত আংশিক আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে অবরোধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জুম্ম ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি দল ৮ দফা দাবি, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবিতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে।

আলোচনায় প্রশাসন আশ্বাস দেয়, উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে এবং ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রশাসনের আংশিক আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ঘোষিত স্থগিত অবরোধ কর্মসূচি আমরা স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করছি। তবে আমাদের ৮ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর ও অনির্দিষ্টকালের আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

অপরদিকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক শয়ন শীলের বাবার দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় খাগড়াছড়ি সদর থানায় অজ্ঞাত ৭০-৮০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা। এ ছাড়া তিনি জানান, ১৪৪ ধারা এখনো জারি রয়েছে। তবে দিনের বেলা সিথিল থাকবে।

img

ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই শফিকুল গ্রেফতার

প্রকাশিত :  ১৯:১৫, ২৪ আগষ্ট ২০২৬

মাদক কারবারের অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানার এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও ওয়াসিম (২৪)কে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ।

রোববার দিনগত রাতে উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার ও বিসমিল্লাহ পল্লী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণখান থানার এসআই বখতিয়ার হোসেন যুগান্তরকে জানান, মাদক বিক্রির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ওয়াসিমকে তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এএসআই শফিকুলকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজারের বিসমিল্লাহ পল্লীর ৬৭ নম্বর নূর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরও ৫ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানা এসআই শাহিনুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সোমবার দক্ষিণখান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার দুজন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা এনে দক্ষিণখানসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক যুগান্তরকে বলেন, এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম এ থানায় অনিয়মিত হিসাবে দায়িত্বরত ছিলেন। তার গ্রেফতারের বিষয়টি আমরাও শুনেছি। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর