img

ভারতীয় সিনেমায় হাসিনার চরিত্র, ট্রেলারে উঠে এলো ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক

প্রকাশিত :  ০৭:২৮, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতীয় সিনেমায় হাসিনার চরিত্র, ট্রেলারে উঠে এলো ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক

নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রক্তবীজ ২’ আগামী সপ্তাহেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে । মুক্তিকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে এর ট্রেলার। এতে স্পষ্ট- সিনেমাতে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ও দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সিনেমার টিজারে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি চরিত্র প্রকাশিত হয়েছে। মূলত এই সিনেমার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন তুলে ধরা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে যাওয়া ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমায় মূলত বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে চলা দ্বন্দ্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে সীমা বিশ্বাসকে শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে, ভিক্টর ব্যানার্জিকে দেখা যাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির চরিত্রে।

অন্যদিকে, এই সিনেমায় আরও রয়েছেন কাঞ্চন মল্লিক, মানসী সিনহা, অনুসূয়া মজুমদার এবং নুসরত জাহান, যারা নিজ নিজ চরিত্রে সাবলীল।

এদিকে টিজার মুক্তির পর থেকই আলাদা প্রশংসা পাচ্ছেন অঙ্কুশ। ‘রক্তবীজ ২’ ছবির টিজার অঙ্কুশকে দেখে অন্যদের পাশাপাশি মুগ্ধ হয়েছেন দেব। বন্ধুর উদ্দেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টও দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, ‘টিজারটা দেখে খুব ভালো লাগল ভাই, আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা গোটা টিমের জন্য।’ 

img

‘লাইফলাইন’-এর সঙ্গে আমার পার্সোনাল লাইফ কানেক্টেড’

প্রকাশিত :  ১৩:৪৬, ২৭ জুন ২০২৬

বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত ওয়েব চলচ্চিত্র ‘লাইফলাইন’ মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। গল্পের গভীরতা ও শিল্পীদের অভিনয় দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছে। গত ২৫ জুন সন্ধ্যায় রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে চলচ্চিত্রটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে চলচ্চিত্রের কলাকুশলী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন বিষয়বস্তু নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রদর্শনী শেষে সিনেমাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম।

মিম বলেন, ‘এই গল্পটা আমার পার্সোনাল লাইফের সাথে কানেক্টেড। কারণ, আমার বাবা-মায়েরও বয়স হচ্ছে। তারাও মাঝেমধ্যে অসুস্থ হচ্ছে। সবার লাইফে এটা হয়। অনন্যা চরিত্র করতে গিয়েও আমি একই অনুভুতি ফিল করেছি। তাই আলাদা করে আমাকে চরিত্রে ঢুকতে হয়নি। এই কাজটি রিলিজের পর যারা দেখছেন সবাই ভীষণ প্রশংসা করছেন। আমি খুব সিওর যে লাইফলাইন যারাই দেখবে তাদের কাছে ভালো লাগবে।’

পর্দায় বাবা–মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ফিল্মটির মূল আবেগের সঙ্গে নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতি মেলাতে গিয়ে তিনি কান্না ধরে রাখতে পারেননি।