img

বাংলাদেশ ভ্রমণে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্কতা জারি

প্রকাশিত :  ০৯:৪৪, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ভ্রমণে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্কতা জারি

মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, লন্ডন: ব্রিটেন নিজ দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কবার্তা জারি করেছে। বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য আক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় এমন বার্তা জারি করেছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্রিটিশ ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এই ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে। 

নোটিশে বলা হয়েছে, এফসিডিও পরামর্শের বিরুদ্ধে ভ্রমণ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভ্রমণ বীমা বাতিল হয়ে যেতে পারে। দেশটি তার নাগরিকদের জানিয়েছে যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাবধানতার সঙ্গে পরিকল্পনা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত। 

এ ছাড়া এফসিডিও বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণ ছাড়া অন্য সব জায়গায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। নোটিশে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায়ও অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণ ব্যতীত অন্য সব ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। 

এসব অঞ্চলে ভ্রমণ না করার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলে—বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকায়—সহিংসতা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের নিয়মিত খবর পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে এফসিডিও নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ২২ জানুয়ারি নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছে।

নির্বাচনকালীন সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদীদের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক সমাবেশ ও ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। এতে নির্বিচার হামলার ঘটনাও ঘটতে পারে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৩:৫৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যুক্তরাজ্য বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

স্টারমার বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হওয়া উচিত এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকা উচিত। এই নীতির ভিত্তিতে দেশগুলোর একটি জোট গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের সবার স্বার্থে জরুরি। কারণ ইরানের যুদ্ধ যা ঘটছে, তা আমাদের প্রত্যেকের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ কারণেই দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দরকার, সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় দরকার, পাশাপাশি কিছু সামরিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। আজ আমরা সেটিই করতে একত্র হচ্ছি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাকরন প্রায় ৪০টি দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক মিশন গঠন করা।

 


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর