এপস্টেইন কেলেঙ্কারি

img

এবার ব্রিটেনের রয়্যাল লজ ছাড়লেন রাজা চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রু

প্রকাশিত :  ১৯:৩৬, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪২, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার ব্রিটেনের রয়্যাল লজ ছাড়লেন রাজা চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রু

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য এবং রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর উইন্ডসরের রয়্যাল লজ ত্যাগ করে নরফকের স্যান্ড্রিংহাম এস্টেট-এ চলে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি উড ফার্ম কটেজে থাকছেন এবং ভবিষ্যতে মার্শ ফার্ম-এ স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন।

বাকিংহাম প্যালেস ২০২৫ সালের অক্টোবরেই ঘোষণা করেছিল, অ্যান্ড্রুকে রয়্যাল লজ ছাড়তে হবে এবং তাঁর প্রিন্স উপাধি বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন-এর সঙ্গে সম্পর্ক সম্পর্কিত নতুন নথি প্রকাশের প্রভাব রয়েছে।

অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মধ্যে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ব্র্যাড এডওয়ার্ডস একাধিক নারীর পক্ষে আদালতে লড়াই চালাচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী ২০১০ সালে একটি নারীকে রয়্যাল লজে আনা হয়েছিল, যেখানে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। অ্যান্ড্রু সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

২০১৪ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অ্যান্ড্রু ও এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। ২০২২ সালে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের সমঝোতা করা হয়, এবং জিউফ্রে পরবর্তীতে ২০২৫ সালে মারা যান।

নতুন প্রকাশিত নথি ও ই-মেইলগুলিতে এপস্টেইনের বৃহৎ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং তার প্রভাবশালী পরিচিতদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ২০০৮ সালে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে যৌনবৃত্তিতে প্রলুব্ধ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও, ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে মারা যান।

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

হরমুজ প্রণালি সচল করতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ৪০ দেশ একজোট, নেই যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ০৭:০৫, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ৪০টি দেশ একজোট হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রণালিটি খুলে দেওয়ার সম্ভাব্য বিকল্প পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সম্মেলন শেষে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো একটি যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করে। এতে অবিলম্বে ইরানকে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

বৈঠকে অংশ নিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ইরানের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানের একটি বেপরোয়া আচরণ, যা সরাসরি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে বাধাগ্রস্ত করছে।’ ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রারম্ভিক বক্তব্যের পর বৈঠকের পরবর্তী অংশটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক বৈঠকে অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্য পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছে, যা নিরসনে এই ৪০ দেশ এখন কূটনৈতিক ও কৌশলগত চাপ তৈরির চেষ্টা করছে।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর