img

সৌদি-ব্রিটেনসহ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকায় উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

প্রকাশিত :  ০৮:২২, ২০ মার্চ ২০২৬

সৌদি-ব্রিটেনসহ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকায় উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

সৌদি আরব, ব্রিটেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত তথা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোসহ ইউরোপ আমেরিকায় আজ উদযাপন হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর থেকে দেশগুলোতে ঈদের জামাতে সমাবেত হন লাখো মানুষ। নামাজ আদায়ের পর মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়।

\r\n\r\n\r\n

সৌদির পবিত্র শহর মক্কা, মদিনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
\r\nগালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি, দুবাই, শারজাহর বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর থেকে বাহারি পোশক পরে এসব জামাতে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ।
\r\nসূর্য ওঠার আগেই দেশগুলোর বিশাল ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পরিপূর্ণ হওয়ায় মুসল্লিরা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে নামাজ আদায় করেন। 

ব্রিটেনের লন্ডনস্থ বাঙালি অধ্যুষিত এলাকার বৃহত্তর ইস্ট লন্ডন মসজিদসহ প্রধান মসজিদগুলোতে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

\r\nসাধারণত ফজরের নামাজের পর থেকে সকল মসজিদে আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে আমিরাতের প্রতিটি মসজিদ।
\r\nআবুধাবিতে ৬টা ১২ মিনিটে, আল আইনে ৬টা ৬ মিনিটে, শারজায় ৬টা ৬ মিনিটে, আজমানে ৬টা ৬ মিনিটে, ফুজাইরায় ৬টা ৪ মিনিটে, উম্মে আল কুইনে ৬টা ৬ মিনিটে ও রাস আল খাইমায় ৬টা ৪ মিনিটে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
\r\nএদিকে মুসলমানদের বড় ধরনের এ উৎসব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি দেশেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দেশগুলোর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে জানা গেছে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৩:৫৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যুক্তরাজ্য বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

স্টারমার বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হওয়া উচিত এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকা উচিত। এই নীতির ভিত্তিতে দেশগুলোর একটি জোট গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের সবার স্বার্থে জরুরি। কারণ ইরানের যুদ্ধ যা ঘটছে, তা আমাদের প্রত্যেকের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ কারণেই দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দরকার, সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় দরকার, পাশাপাশি কিছু সামরিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। আজ আমরা সেটিই করতে একত্র হচ্ছি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাকরন প্রায় ৪০টি দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক মিশন গঠন করা।

 


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর