আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য শুধুমাত্র ই-ভিসা ইস্যু করবে ব্রিটেন। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বার্তায় এ তথ্য জানায়।
বার্তায় বলা হয়েছে, ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্টের তথ্য পাঠানো এবং ই-ভিসা যাচাইয়ের জন্য UKVI অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। ভ্রমণের আগে এই তথ্য যাচাই জরুরি।
এসব তথ্য UKVI অ্যাকাউন্টে হালনাগাদ হওয়ার পরই যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন। UKVI সেবা পেতে কোনো অর্থ লাগবে না।
পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
প্রকাশিত :
১০:১৯, ১৭ মে ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৩, ১৭ মে ২০২৬
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।
সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন।
সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার
ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার। পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।
শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।
ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।
রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।