img

ব্রিটেনে উপনির্বাচন ও মেয়র পদে লেবারকে হারিয়ে জিতল ডানপন্থী রিফর্ম ইউকে

প্রকাশিত :  ১০:১০, ০৬ মে ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫২, ০৮ মে ২০২৫

ব্রিটেনে উপনির্বাচন ও মেয়র পদে লেবারকে হারিয়ে জিতল ডানপন্থী রিফর্ম ইউকে

লেবার পার্টিকে হারিয়ে ব্রিটেনের রাঙ্কর্ন ও হেলসবি আসনের উপনির্বাচনে ছয় ভোটের ব্যবধানে নাটকীয় জয় পেয়েছে রিফর্ম ইউকে। আসনটিতে গত জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী জিতেছিলেন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে দলটি ১৪ হাজার ৬৯৬ ভোটের ব্যবধানে সেখানে জিতেছিল। এবার তার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে রিফর্মের প্রার্থী ও সাবেক কনজারভেটিভ কাউন্সিলর সারাহ পোচিন চেশায়ার অঞ্চলের এই আসনে জয়ী হন।

ওই আসনে লেবার পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) মাইক অ্যামসবেরি পদত্যাগ করায় সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়। এক ভোটারের ওপর হামলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।

গ্রেটার লিঙ্কনশায়ারে মেয়র নির্বাচনেও সাফল্য পেয়েছে ডানপন্থী দলটি। রিফর্ম ইউকের প্রার্থী ডেম আন্দ্রেয়া জেনকিন্স সেখানে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক এমপি ছিলেন।

এর মধ্য দিয়ে রিফর্ম ইউকে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের উপনির্বাচন এবং মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে দলটির মোট এমপির সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।

রাঙ্কর্ন ও হেলসবি আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর লেবার পার্টি আবার ভোট গণনার দাবি জানায়। কারণ, প্রথম গণনায় দেখা যায়, নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে মাত্র চার ভোটে এগিয়ে আছে।

দ্বিতীয়বার ভোট গণনার পর মাত্র ছয় ভোটের ব্যবধানে রিফর্ম ইউকে বিজয়ী হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে কম ভোটের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড।

ফলাফল ঘোষণার আগে ভোট গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন নাইজেল ফারাজ। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল প্রমাণ করে, আমরাই এখন লেবার পার্টি সরকারের প্রধান বিরোধী দল।’

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৩:৫৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে যুক্তরাজ্য বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

স্টারমার বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হওয়া উচিত এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকা উচিত। এই নীতির ভিত্তিতে দেশগুলোর একটি জোট গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের সবার স্বার্থে জরুরি। কারণ ইরানের যুদ্ধ যা ঘটছে, তা আমাদের প্রত্যেকের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এ কারণেই দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দরকার, সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় দরকার, পাশাপাশি কিছু সামরিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। আজ আমরা সেটিই করতে একত্র হচ্ছি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে স্টারমার ও ম্যাকরন প্রায় ৪০টি দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক মিশন গঠন করা।

 


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর