img

টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে নতুন একটি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টি (Tower Hamlets Independents Party) নামে দলটি স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব, স্বচ্ছতা ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে।

গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় টাওয়ার হ্যামলেটসের মিস্টার হোয়াইটস ইংলিশ রেস্টুরেন্টে দলটির উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ার লিলিয়ান কলিন্স। তিনি বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস ইন্ডিপেনডেন্টস পার্টি সব সময় জনগণের পাশে থাকবে এবং স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে অগ্রাধিকার দেবে।

সভায় দলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ হামিদ দলের সাংগঠনিক কাঠামো, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় দলের ট্রেজারার আলী হোসেন দিপুও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত কাউন্সিলরদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। নতুন করে দলে যোগদানকারী কাউন্সিলররা হলেন- সাইফ উদ্দিন খালেদ (ব্রমলি নর্থ), জাহেদ চৌধুরী (ল্যান্সবুরি) এবং কবির হোসেন (স্পিটালফিল্ডস ও বাংলাটাউন)।

এছাড়া কমিউনিটির প্রতিনিধিরা বক্তব্যে স্থানীয় সমস্যা, বাসস্থান, শিক্ষা, যুব উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দেন ফারহাদ আহমেদ, নেহা গুপ্তা ও সৈয়দ হাসান।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দলের চেয়ার লিলিয়ান কলিন্স আগামী নির্বাচনের জন্য টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলীর নাম ঘোষণা করেন, যিনি ব্যারিস্টার জামি নামে পরিচিত। প্রার্থী ঘোষণার পর ব্যারিস্টার জামি বলেন, আমি জনগণের সঙ্গে থেকে, জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। টাওয়ার হ্যামলেটসকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বরো হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয়। এতে মেয়র প্রার্থীসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও কাউন্সিলররা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

শেষপর্বে লিলিয়ান কলিন্স অনুষ্ঠানের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই দলের আত্মপ্রকাশ টাওয়ার হ্যামলেটসের রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করতে পারে না : যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত :  ০৬:৩৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করে রাখতে পারে না। তারা জোর দিয়ে বলেছে, ইরান হরমুজ প্রণালিকে কোনোভাবেই ‘জিম্মি’ অবস্থায় রাখতে পারে না।

\r\n

এদিকে, জাতিসংঘের মাধ্যমে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং প্রণালিটি পুনরায় উন্মুক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, যুক্তরাজ্য ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে স্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণের সমর্থক। ইরানকে অবশ্যই আঞ্চলিক হামলা বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশাধিকার সীমিত করা যাবে না।

তিনি বলেন, ইরান প্রণালিকে জিম্মি করে রাখতে পারে না। তারা জাহাজে হামলা করতে পারে না, আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের নিশানা করতে পারে না এবং পারমাণবিক অস্ত্রও তৈরি করতে পারে না। তবে আমরা অবশ্যই কূটনৈতিক সমাধান চাই। আমরা চাই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকুক। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার এবং ধারাবাহিক।

সংকট সমাধানে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত আছে এবং যুক্তরাজ্য এতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, কারণ তারা প্রণালীটি পুনরায় খুলতে চায়। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ ও বাধাহীন নৌচলাচল নিশ্চিত করাকে লন্ডন ও তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রধান অগ্রাধিকার।

স্টিফেন ডাউটি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি, আমাদের অর্থনীতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের জন্য এই প্রণালী পুনরায় খোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলমান উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করছে এবং এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে।

তিনি জানান, নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন বজায় রাখতে যুক্তরাজ্য ফ্রান্স ও বাহরাইনসহ মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে প্রণালিতে মুক্ত ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার থাকবে। এ নৌপথে কোনো শুল্ক বা নিরাপত্তা হুমকি চলবে না। নৌচলাচলের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক আইন মানতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য বর্তমানে প্রায় ৯০টি দেশের একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে। এ জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে উচ্চপর্যায়ের পরিকল্পনা ও সামরিক-রাজনৈতিক সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর