img

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

প্রকাশিত :  ০৫:০২, ০৮ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর।

গতকাল শনিবার (০৭ মার্চ) রাতে কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে লন্ডন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সেখানে স্থানীয় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আবিদা ইসলামের প্রত্যাহারের বিষয়টি জানান।

হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘একটা সুখবর আছে। শোনেন, একটা সুখবর হলো—এই হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট।’

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি কূটনীতিককে বিদেশে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হলো। অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের জানুয়ারিতে আবিদা ইসলামকে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তিনি সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। 

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

প্রকাশিত :  ১০:১৯, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৩, ১৭ মে ২০২৬

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।

সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন। 

সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার

ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার।  পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

সবশেষ ধাক্কা আসে স্টারমার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে।

শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।

ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর