img

পদত্যাগ করলেন লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন

প্রকাশিত :  ০৬:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৩৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পদত্যাগ করলেন লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আকবর হোসেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আকবর হোসেন জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে লন্ডনে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে অন্য কোনো বিষয়ের সম্পর্ক নেই বলেও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার তাকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার হিসেবে নিয়োগ দেয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।

লন্ডনে নিয়োগ পাওয়ার আগে আকবর হোসেন বিবিসি বাংলার ঢাকা অফিসে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

প্রকাশিত :  ১০:১৯, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৩, ১৭ মে ২০২৬

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।

সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন। 

সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার

ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার।  পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

সবশেষ ধাক্কা আসে স্টারমার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে।

শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।

ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।