img

ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধকরণের বিরোধিতায় লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩

প্রকাশিত :  ১০:১১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধকরণের বিরোধিতায় লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩

ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে ৫২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বলেছে, একটি ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের’ প্রতি সমর্থন জানানোয় এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে লন্ডনের উচ্চ আদালত এক রায়ে বলেছিলেন, ফিলিস্তিনপন্থী এই গ্রুপটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বেআইনি। এই রায়ের পর এটিই ছিল প্রথম বড় কোনো জমায়েত।

তবে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি পেয়েছেন।

গত বছরের জুলাইয়ে গ্রুপটির কিছু সদস্য যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ারফোর্সের একটি ঘাঁটিতে প্রবেশ করলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।

সংগঠনটি অভিযোগ করে আসছে, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধে’ ব্রিটিশ সরকার সহযোগী হচ্ছে। তবে ইসরায়েল গাজায় কোনো ধরনের যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে আসছে।

গতকালের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ট্রাফালগার স্কয়ারে জড়ো হন। তাঁদের অনেকের গায়ে ছিল সাদা-কালো রঙের ফিলিস্তিনি স্কার্ফ। হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। বিক্ষোভের সময় অনেককে রাস্তায় বা ক্যাম্পিং চেয়ারে বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

প্রকাশিত :  ১০:১৯, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৩, ১৭ মে ২০২৬

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। এমনটাই নাকি তিনি জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ মহলকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ করতে চান।

সূত্রটি জানায়, তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয়। তবে তিনি মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজের পছন্দমতো সময়েই সরে দাঁড়াতে চান। এ জন্য তিনি একটি সময়সূচি ঘোষণা করবেন। 

সংকটে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার

ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মুখে বর্তমানে সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার।  পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফল—সব মিলিয়ে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।

সবশেষ ধাক্কা আসে স্টারমার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে।

শনিবার স্ট্রিটিং জানান, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরবেন।

ভাষণে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি ‘সময়সূচি নির্ধারণ’র আহ্বানও জানান।

রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তাও দ্রুত কমছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি “অসন্তুষ্ট” মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ইউগভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তার অবস্থার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের শাসনামলের তুলনা করছেন।