img

ক্যারিয়ারের চিন্তায় মা হতে পারেননি ইন্দ্রাণী

প্রকাশিত :  ০৮:১৯, ১২ মে ২০২৫

ক্যারিয়ারের চিন্তায় মা হতে পারেননি ইন্দ্রাণী

ইন্দ্রাণী হালদার টলিউডের খ্যাতিমান অভিনেত্রী । ছোট-বড় দুই পর্দাতেই যার উজ্জ্বল উপস্থিতি। বলা বাহুল্য, টালিগঞ্জের অন্যতম সফল অভিনেত্রী তিনি। তবে তার জীবনে রয়েছে এক বড় আফসোস। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানালেন সে কথাই। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার জানান, ক্যারিয়ারের চিন্তায় মা হতে পারেননি তিনি। স্বামীকেও দিতে পারেনি একজন বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা। শুধু তাই নয়, সেই সাক্ষাৎকারে একজন স্ত্রী হিসেবে নিজেকে তুচ্ছ কিংবা ব্যর্থ হিসেবে তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

ইন্দ্রাণীর কথায়, ‘স্ত্রী হিসেবে নিজেকে শূন্য মার্ক দিতে চাই। আমি বাজে বউ একদম। বরকে রান্না করে ভাত বেড়ে দেই না। বর কলকাতার বাইরে থাকে, এখানে এলে আমি বলতে থাকি, এই আমি ভাত রেখে গেলাম, খেয়ে নিও। আমার দেরি হচ্ছে, আমি গেলাম গেলাম… আসলে আমি যৌথ পরিবারের মেয়ে, ওই ইচ্ছেটা তো আছে। কিন্তু শ্যুটিংয়ের চাপে করে উঠতে পারি না।’

এরপর ইন্দ্রাণী মনে জমে থাকা কষ্ট তুলে ধরেন। বলেন, ‘আরেকটা জিনিস যেটা আমি করতে পারিনি। যেটা বলতে আমার কোনো আপত্তি নেই। এখনও ভাবলে আফসোস হয়। ক্যারিয়ার, কাজ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়নি আমার। সেটা আমাদের দুজনের মধ্যেই (অভিনেত্রীর স্বামী) একটা আফসোস।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘ভাস্কর (ইন্দ্রাণীর স্বামী) মাঝেমাঝেই বলে, শুধু সংসারের জন্য দায়িত্বই পালন করে গেলে… একটা সময় আমরা চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু হলো না। তারপর আমরা হাল ছেড়ে দিলাম। তোমারও ৪০-এর বেশি বয়স, আমারও। আর দরকার নেই থাক। আমি একটা দত্তক নিতে চেয়েছিলাম, ভাস্কর রাজি হয়নি। আমার মনে হয়, স্ত্রী হিসেবে আমি ভাস্করকে বাবা হওয়ার সুখটা দিতে পারতাম, কিন্তু সেই ব্যাপার আমি অক্ষম।’

যদিও অভিনেত্রী স্পষ্ট করেছিলেন যে, সন্তান না থাকলেও তার ও তার স্বামী ভাস্কর রায়ের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই।

img

যদি ভালো না লাগে তাহলে গুলি করব, ঠিক আছে?’

প্রকাশিত :  ১৫:৪১, ১৭ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ঘোষিত সমঝোতা স্মারককে চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এটি মূলত পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার ভিত্তি তৈরির একটি সমঝোতা। বুধবার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার যদি এটি (চুক্তি) ভালো না লাগে, তাহলে আমরা আবার তাদের ওপর গুলি চালাব। তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব। তারা যদি আচরণ ঠিক না করে, তাহলে মাথার ঠিক মাঝখানে বোমা ফেলতে শুরু করব। ঠিক আছে?’

ঘোষিত সমঝোতার মধ্যে ইরানের জন্য তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়াও শিল্পোন্নত ও আমন্ত্রিত কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এক বিবৃতিতে জি৭ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ গড়ে তোলারও চেষ্টা করবেন।

বিবৃতিতে বলা হয়ছে, ইউক্রেনের প্রতি ঐক্যবদ্ধ সমর্থন অব্যাহত রাখা হবে। এর মধ্যে দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন।

বুধবার সম্মেলনের তৃতীয় দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, এই আলোচনায় খনিজ সরবরাহের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে

বিনোদন এর আরও খবর