img

ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে ব্রিটেন

প্রকাশিত :  ১৮:৪৯, ০৪ জুন ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ২০:৪৬, ০৪ জুন ২০২৫

 ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে ব্রিটেন

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ইসরাইলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ‘অসহনীয় ও ভয়াবহ’ উল্লেখ করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাসহ আরও ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।

হাউজ অব কমন্সে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন: “আমরা সামরিক অভিযান সম্প্রসারণ ও বসতি সহিংসতা এবং মানবিক সহায়তা আটকে দেয়ার ঘটনার শক্ত বিরোধিতা করেছি”।

“আমাদের যুদ্ধবিরতিতে ফেরত যাওয়া দরকার। অনেক দিন ধরে আটকে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করা দরকার এবং গাজায় দ্রুত আরও সাহায্যের দরকার। কারণ এটি এখন অসহনীয় ও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে,’ বলেছেন তিনি।

ওদিকে ফিলিস্তিনিরা বলছে গাজায় এখন আর কোন নিরাপদ জায়গা নেই। "দুঃখজনক, গাজায় আর কোন নিরাপদ জায়গা নেই," গাজায় রয়টার্সকে বলেছেন মাহরান খোদর নামের এক ব্যক্তি।

"এমনকি যারা তাবুতে ঘুমান তারা যে কোনো সময় বিপদের মুখে পড়ছেন," বলছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, "আমরা কোথায় যাবো? প্রতিদিন ক্ষুধায় মরছি এবং বোমাও পড়ছে। আমাদের শিশুরা কঙ্কালে পরিণত হচ্ছে।"


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করতে পারে না : যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত :  ০৬:৩৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করে রাখতে পারে না। তারা জোর দিয়ে বলেছে, ইরান হরমুজ প্রণালিকে কোনোভাবেই ‘জিম্মি’ অবস্থায় রাখতে পারে না।

\r\n

এদিকে, জাতিসংঘের মাধ্যমে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং প্রণালিটি পুনরায় উন্মুক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, যুক্তরাজ্য ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে স্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণের সমর্থক। ইরানকে অবশ্যই আঞ্চলিক হামলা বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশাধিকার সীমিত করা যাবে না।

তিনি বলেন, ইরান প্রণালিকে জিম্মি করে রাখতে পারে না। তারা জাহাজে হামলা করতে পারে না, আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের নিশানা করতে পারে না এবং পারমাণবিক অস্ত্রও তৈরি করতে পারে না। তবে আমরা অবশ্যই কূটনৈতিক সমাধান চাই। আমরা চাই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকুক। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার এবং ধারাবাহিক।

সংকট সমাধানে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত আছে এবং যুক্তরাজ্য এতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, কারণ তারা প্রণালীটি পুনরায় খুলতে চায়। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ ও বাধাহীন নৌচলাচল নিশ্চিত করাকে লন্ডন ও তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রধান অগ্রাধিকার।

স্টিফেন ডাউটি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি, আমাদের অর্থনীতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের জন্য এই প্রণালী পুনরায় খোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলমান উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করছে এবং এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে।

তিনি জানান, নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন বজায় রাখতে যুক্তরাজ্য ফ্রান্স ও বাহরাইনসহ মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে প্রণালিতে মুক্ত ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার থাকবে। এ নৌপথে কোনো শুল্ক বা নিরাপত্তা হুমকি চলবে না। নৌচলাচলের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক আইন মানতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য বর্তমানে প্রায় ৯০টি দেশের একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে। এ জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে উচ্চপর্যায়ের পরিকল্পনা ও সামরিক-রাজনৈতিক সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর