img

শেখ হাসিনার বিচারকাজ সম্প্রচারে সাইবার হামলা

প্রকাশিত :  ১০:৪৩, ১২ অক্টোবর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৮, ১২ অক্টোবর ২০২৫

শেখ হাসিনার বিচারকাজ সম্প্রচারে সাইবার হামলা

ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে সাইবার হামলা হয়েছে।

আজ রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আজ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় আমাদের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে সাইবার অ্যাটাক চালানো হয়। এতে পেজটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, যদিও পরে আমরা সেটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।’

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘যুক্তিতর্কে বহু তথ্যপ্রমাণসহ তাদের নিষ্ঠুরতার বর্ণনা যেন দুনিয়াবাসী জানতে না পারে, এই অপরাধীরা তা চায় না। তাদের সহযোগীরাও চায় না বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রকাশ পাক। তাই আমাদের পেজে হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত সেটি পুনরুদ্ধার করেছি।’

অপরাধীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বার্তা স্পষ্ট—অপরাধ করে পার পাওয়া যাবে না, আর অপরাধীকে রক্ষা করার কোনো প্রচেষ্টাও সফল হবে না, ইনশাআল্লাহ। আমরা কারও প্রতি প্রতিহিংসাপরায়ণ নই; আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি।’

এদিন বেলা পৌনে ১২টার দিকে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। পুরো প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

চাঁদে বিরল খনিজ আবিষ্কার চীনা বিজ্ঞানীদের

প্রকাশিত :  ০৬:৫১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চীনা বিজ্ঞানীরা চাঁদে এক নতুন ধরনের বর্ণহীন, স্বচ্ছ ও ভঙ্গুর খনিজের সন্ধান পেয়েছেন । গবেষকদের মতে, এই বিরল খনিজটি এলইডি (LED) প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, চীন থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চন্দ্র উল্কাপিণ্ড বিশ্লেষণ করে \'সেরিয়াম–ম্যাগনেশিয়াম চেঞ্জসাইট\' নামের এই খনিজটি শনাক্ত করা হয়েছে। মহাকাশ ভূতত্ত্বের গবেষণায় এই আবিষ্কারকে একটি বিশাল মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নতুন খনিজটিতে বেশ কিছু অস্বাভাবিক ভৌত বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এর বিশেষ ফ্লুরোসেন্স ইফেক্ট বা প্রতিপ্রভা প্রভাব। খনিজটির দানার আকার ১০ মাইক্রোমিটারের কম। ধারণা করা হচ্ছে, চাঁদের চরম তাপমাত্রা ও চাপের ফলে খনিজটি গঠিত হয়েছে। খনিজটি বিভিন্ন শিল্পে প্রয়োগের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এলইডি তৈরিতে খনিজটি বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।

কমিশন অন নিউ মিনারেলস অ্যান্ড মিনারেল নেমসের মতে, খনিজটির ফ্লুরোসেন্ট গুণের কারণে এটি পরবর্তী প্রজন্মের এলইডি পণ্যের জন্য একটি শক্তিশালী উৎস হতে পারে। এ ছাড়া এর গঠন কাঠামো বিশ্লেষণ করে বর্তমানে ইলেকট্রনিকস পণ্যে ব্যবহৃত সিনথেটিক উপাদানগুলোর গুণমান ও কার্যকারিতা বাড়ানোর সুযোগ পাওয়া যাবে।

বর্তমানে চাঁদের পরিবেশে সেরিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম কীভাবে একে অপরের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, তা জানার মাধ্যমে চাঁদের গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। খনিজটি আবিষ্কারের ফলে পৃথিবী ও চাঁদের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের নতুন সুযোগ পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর