img

ইফতারে মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল

প্রকাশিত :  ০৭:৩৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইফতারে মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল

অনেকেই ইফতারে মুখরোচক খাবার খেতে পছন্দ করেন। স্প্রিং রোল সেরকমই সুস্বাদু এবং মুচমুচে ধরনের একটি খাবার। এটি আপনার ইফতারের স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

উপকরণ :  ৫০০ গ্রাম হাড়বিহীন মুরগি, ৩ গ্লাস পানি, ৩ টেবিল চামচ ভিনেগার, ৩ টেবিল চামচ মাখন, দেড় চা চামচ আদা এবং রসুনের পেস্ট, ৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি করে কাটা, ১ টি মাঝারি পেঁয়াজ কুঁচি করে কাটা, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চা চামচ কালো মরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া, ১টি মুরগির কিউব, আড়াই কাপ কাপ বাঁধাকপি কুঁচি,২টি মাঝারি ক্যাপসিকাম কাটা, ২ কাপ গাজর কুচি, ১ টেবিল চামচ গসয়া সস ফল ও সবজি

অন্যান্য উপকরণ: ১টি ডিম,স্প্রিং রোল শিট, ভাজার জন্য তেল

প্রস্তুত প্রণালি : 

একটি প্যানে মুরগি, পানি এবং ভিনেগার যোগ করুন। মুরগি নরম না হওয়া পর্যন্ত ফুটান এবং স্টকটি একপাশে রাখুন। মুরগি কুঁচি করে কেটে নিন। এখন মাখন গলিয়ে, আদা ও রসুনের পেস্ট যোগ করুন এবং এক মিনিট ভাজুন। কাঁচা মরিচ এবং পেঁয়াজ যোগ করুন। পেঁয়াজ নরম না হওয়া পর্যন্ত উচ্চ তাপে ভাজুন। এবার ময়দা যোগ করুন এবং এক মিনিট রান্না করুন। তারপর গুঁড়ো কালো মরিচ, লবণ, গুঁড়ো লাল মরিচ, মুরগির কিউব এবং স্টক যোগ করুন। ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত উচ্চ আঁচে রান্না করুন। এতে বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, গাজর,সয়া সস যোগ করুন। ভালো করে মিশিয়ে ফিলিংটি একটি প্লেটে ঢেলে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন।

এবার একটি ডিম ফেটিয়ে নিন। একটি স্প্রিং রোল শিট নিন, ফিলিং যোগ করে করে রোল করুন। ডিমে ভিজিয়ে রোলগুলো তেলে ভাজুন। সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

img

ঘুমের পরেও ক্লান্তি না কাটার কারণ কী

প্রকাশিত :  ০৬:৫১, ৩১ আগষ্ট ২০২৬

সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম হলেই শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম পায় বলে অনেকেই মনে করেন । কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও অনেক মানুষ সকালে উঠে ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ করেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু ঘুমের অভাবের কারণে নয়; বরং শরীরের কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাও এর পেছনে কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের সময় যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার মানও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় শরীর নির্দিষ্ট সময় ঘুমালেও সেই ঘুম যথেষ্ট গভীর বা পুনরুদ্ধারকারী হয় না। ফলে সকালে উঠলেও শরীর সতেজ লাগে না, বরং মন ভারী ও ধীর মনে হয়।

এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সমস্যাটি কেবল ঘুমের পরিবেশে নয়, বরং শরীরের ভেতরের স্বাস্থ্যগত অবস্থার সঙ্গেও সম্পর্কিত।

থাইরয়েডের সমস্যা

ঘাড়ে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট একটি গ্রন্থি হলো থাইরয়েড, যা শরীরের শক্তি ব্যবহারের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। যখন এটি সঠিকভাবে কাজ করে না এবং হাইপোথাইরয়েডিজম দেখা দেয়, তখন শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি ও শক্তির ঘাটতি অনুভূত হতে পারে।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলেও অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা হলে সারাদিন শক্তিহীনতা অনুভূত হতে পারে এবং ওজনেও পরিবর্তন আসতে পারে। গবেষণা বলছে, এই অবস্থায় শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যার কারণে পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও ক্লান্তি কাটে না।

ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি

শরীরে শক্তি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন বি–১২, ভিটামিন ডি বা আয়রনের ঘাটতি থাকলে শরীর খাবার থেকে শক্তি উৎপাদনে সমস্যায় পড়ে। ফলে টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় এবং ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়।

স্লিপ অ্যাপনিয়া

কখনও কখনও ঘুমের মধ্যেই সমস্যাটি লুকিয়ে থাকে। স্লিপ অ্যাপনিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে ঘুমের সময় বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে আবার শুরু হয়। এই বিরতি কয়েক সেকেন্ডের হলেও তা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অনেক মানুষই বুঝতে পারেন না যে তারা এই সমস্যায় ভুগছেন।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

মানসিক চাপও ঘুমের মানকে প্রভাবিত করে। দীর্ঘ সময় ধরে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেশি থাকলে মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিশ্রাম নিতে পারে না। ফলে ঘুম ভেঙে ভেঙে হয় এবং তা শরীরকে পর্যাপ্ত পুনরুদ্ধার দিতে পারে না। এর প্রভাব সকালে শক্তি ও সতেজতার ওপরও পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও ক্লান্তি অনুভূত হয়, তবে তা উপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় এটি শরীরের ভেতরে থাকা কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।