img

ধূমপান ছাড়তে চান? জানুন ৪ সহজ উপায়

প্রকাশিত :  ১০:১৫, ০৪ জুন ২০২৬

ধূমপান ছাড়তে চান? জানুন ৪ সহজ উপায়

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি। দিবসটি উপলক্ষে জেনে নেওয়া যাক ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগে সহায়ক কিছু সহজ উপায়। 

ধূমপান বিশ্বজুড়ে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তনালিজনিত নানা সমস্যার সঙ্গেও ধূমপানের সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ধূমপান ছাড়তে হলে জীবনযাপনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনা জরুরি। হঠাৎ করে অভ্যাস ত্যাগ না করে ধীরে ধীরে সিগারেটের পরিমাণ কমিয়ে আনা তুলনামূলকভাবে কার্যকর হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের দেওয়া চারটি কার্যকর উপায় হলো—

১. চকলেট ও চুইংগাম ব্যবহার

হঠাৎ ধূমপানের তীব্র ইচ্ছা হলে চকলেট বা চুইংগাম খেলে মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায় এবং আকাঙ্ক্ষা কিছুটা কমে।

২. কিছু পানীয় এড়িয়ে চলা

চা, কফি বা মদ্যপানের সঙ্গে অনেকের ধূমপানের অভ্যাস জড়িয়ে থাকে। তাই এগুলো কমালে বা এড়িয়ে চললে ধূমপানের ইচ্ছাও অনেক ক্ষেত্রে কমে যায়।

৩. মানসিক সহায়তা ও কাউন্সেলিং

বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান ছাড়ার সময় মানসিক চাপ একটি বড় বাধা। এ ক্ষেত্রে মনোবিদ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া, গ্রুপ থেরাপি বা পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া উপকারী হতে পারে।

৪. চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার

প্রয়োজনে নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা নন-নিকোটিন ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলো অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ধূমপান ছাড়ার পর আবার এই অভ্যাসে ফিরে গেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই সিদ্ধান্তে স্থির থাকা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিজেকে ইতিবাচক কাজে ব্যস্ত রাখা ধূমপানমুক্ত জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করে।

 


img

গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাবে যেসব খাবার

প্রকাশিত :  ০৮:১০, ০২ জুন ২০২৬

চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে দেশজুড়ে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গরমে অস্বস্তি নয়, দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রার মধ্যে থাকলে ডিহাইড্রেশন, হিট এক্সহশন, মাসল ক্র্যাম্প, এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যাও দেখা দিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে তা কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। এসব উপসর্গ হিটস্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে। তাপপ্রবাহের সময়ে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং তাপজনিত অসুস্থতা এড়াতে কিছু খাবার ও পানীয় বিশেষভাবে উপকারী।

ঘোল ও লাচ্ছি

গরমের দিনে ঘোল ও লাচ্ছি হতে পারে শরীর ঠান্ডা রাখার কার্যকর পানীয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বাড়িতে তৈরি ঘোল বা লাচ্ছি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন। রাস্তার পাশের খোলা দোকানের শরবত বা পানীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ডাবের পানি

প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের অন্যতম উৎস ডাবের পানি। এতে থাকা খনিজ ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। তীব্র গরমে নিয়মিত ডাবের পানি পান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

লেবুর শরবত

গরমে স্বস্তি পেতে ঘরে তৈরি লেবুর শরবতের জুড়ি নেই। এক চিমটি লবণ মিশিয়ে তৈরি করা লেবুর শরবত শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। তবে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তরমুজ

পানিসমৃদ্ধ ফল হিসেবে তরমুজ গ্রীষ্মের অন্যতম উপকারী খাবার। শরীরের পানিশূন্যতা দূর করার পাশাপাশি এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও ভূমিকা রাখে। নিয়মিত তরমুজ খেলে তাপজনিত বিভিন্ন সমস্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

শসা

শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি শরীরকে শীতল রাখতে কার্যকর। সালাদ, রায়তা কিংবা শুধু লবণ দিয়ে, যেকোনোভাবেই শসা খাওয়া যায়। গরমের সময়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখলে শরীর সতেজ থাকে এবং পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।