img

হঠাৎ ঋতু পরিবর্তনে সুস্থ থাকার ৫ উপায়

প্রকাশিত :  ০৭:২৯, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হঠাৎ ঋতু পরিবর্তনে সুস্থ থাকার ৫ উপায়

শীত বিদায় নিচ্ছে গুটি গুটি পায়ে। ভোরে বা সন্ধ্যায় এখন ঠান্ডাভাব থাকলেও দুপুরে রোদ উঠলে শীত ভাব থাকছে না। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে বিভিন্ন রোগের উপদ্রব বাড়ে। একটু অসাবধানতায় দেখা দিতে পারে সর্দি-কাশি, পেটের সমস্যা কিংবা অন্যান্য রোগ। তাই এ সময় শরীরের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের বিদায় বেলায় হঠাৎ তাপমাত্রা কমলে বা বাড়লে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম-বেশি হতে থাকে। তখন সহজেই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধির আদর্শ সময় হয়ে ওঠে। শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাস নাকের ভেতরের মিউকাস মেমব্রেন শুকিয়ে দেয়। ফলে জীবাণু খুব সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে। 

সাধারণ সমস্যা

ঋতু পরিবর্তনের সময় সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হল ভাইরাসজনিত জ্বর, সর্দি-কাশি। আসলে শীতের মতো এই সময়েও বাতাসে ধুলোবালির পরিমাণ বেশি থাকে। দিনে গরম, রাতে হালকা ঠান্ডা-দু’রকম আবহাওয়ায় বাড়ে অ্যালার্জির সমস্যা। তখন গলাব্যথা, হাঁচি, কাশি, সর্দি, জ্বর দেখা দেয়।

পেটের সমস্যা

শীতের শেষে ও বসন্তের আগমনের আগে পেটের সমস্যাও হতে পারে। 

চিকেন পক্সের দাপট

বসন্তের ঠিক আগে থেকে যে রোগের ভাইরাস আশপাশের বাতাসে ঘুরে বেড়ায় আর সুযোগ পেলেই গ্রাস করে, তার নাম বসন্ত বা চিকেন পক্স। শুরুতে জ্বর, গা ম্যাজম্যাজ, শরীরে দুর্বলতা থেকে পেটের সমস্যা দেখা দেয়।

শ্বাসজনিত সমস্যা

যারা নিয়মিত শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন তাদের এই সময়ে বাড়তি সাবধানতা প্রয়োজন। বাতাসে ঘুরে বেড়ানো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সহজেই নাক-মুখ দিয়ে শ্বাসযন্ত্রে চলে যায়। ফলে নতুন করে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

সুস্থ থাকতে যা করবেন-

হঠাৎ করে গরম লাগলে ঠান্ডা পানি খাওয়া চলবে না। 

গরম থেকে এসিতে বার বার যাতায়াত করা, সামান্য গরমে ফ্যান চালানো উচিত নয়। 

হাঁচি, কাশির সমস্যা থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার করুন। 

বাইরে থেকে এসে এবং খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধোওয়া অভ্যাস করুন৷ 

স্কুলে বাচ্চাদের একজনের থেকে অন্যজনের সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই শিশুদের জ্বর,সর্দি,কাশি থাকলে স্কুলে না পাঠানোই ভাল। 

শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সেই পর্যাপ্ত পানি খাওয়া প্রয়োজন। 

সবজি, ফল কিংবা অন্যান্য খাবার টাটকা খেতে হবে। রান্না করা বাসি খাবার না খাওয়াই ভালো।



img

ইফতারে মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল

প্রকাশিত :  ০৭:৩৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অনেকেই ইফতারে মুখরোচক খাবার খেতে পছন্দ করেন। স্প্রিং রোল সেরকমই সুস্বাদু এবং মুচমুচে ধরনের একটি খাবার। এটি আপনার ইফতারের স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

উপকরণ :  ৫০০ গ্রাম হাড়বিহীন মুরগি, ৩ গ্লাস পানি, ৩ টেবিল চামচ ভিনেগার, ৩ টেবিল চামচ মাখন, দেড় চা চামচ আদা এবং রসুনের পেস্ট, ৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি করে কাটা, ১ টি মাঝারি পেঁয়াজ কুঁচি করে কাটা, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চা চামচ কালো মরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া, ১টি মুরগির কিউব, আড়াই কাপ কাপ বাঁধাকপি কুঁচি,২টি মাঝারি ক্যাপসিকাম কাটা, ২ কাপ গাজর কুচি, ১ টেবিল চামচ গসয়া সস ফল ও সবজি

অন্যান্য উপকরণ: ১টি ডিম,স্প্রিং রোল শিট, ভাজার জন্য তেল

প্রস্তুত প্রণালি : 

একটি প্যানে মুরগি, পানি এবং ভিনেগার যোগ করুন। মুরগি নরম না হওয়া পর্যন্ত ফুটান এবং স্টকটি একপাশে রাখুন। মুরগি কুঁচি করে কেটে নিন। এখন মাখন গলিয়ে, আদা ও রসুনের পেস্ট যোগ করুন এবং এক মিনিট ভাজুন। কাঁচা মরিচ এবং পেঁয়াজ যোগ করুন। পেঁয়াজ নরম না হওয়া পর্যন্ত উচ্চ তাপে ভাজুন। এবার ময়দা যোগ করুন এবং এক মিনিট রান্না করুন। তারপর গুঁড়ো কালো মরিচ, লবণ, গুঁড়ো লাল মরিচ, মুরগির কিউব এবং স্টক যোগ করুন। ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত উচ্চ আঁচে রান্না করুন। এতে বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, গাজর,সয়া সস যোগ করুন। ভালো করে মিশিয়ে ফিলিংটি একটি প্লেটে ঢেলে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন।

এবার একটি ডিম ফেটিয়ে নিন। একটি স্প্রিং রোল শিট নিন, ফিলিং যোগ করে করে রোল করুন। ডিমে ভিজিয়ে রোলগুলো তেলে ভাজুন। সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।