img

ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক শুরু

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১৪ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৫৩, ১৪ মে ২০২৬

ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক শুরু

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ওয়াশিংটন-বেইজিং টানাপোড়েনের মধ্যেই শুরু হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বৈঠকটি শুরু হয়।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেট হল অব দ্য পিপলের বিশাল কনফারেন্স রুমে বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্ধনীতির দেশের প্রেসিডেন্টদের বৈঠক হচ্ছে।

চীনা সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ও বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

তবে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কারা কারা সঙ্গী হয়েছে সে তালিকা এখনও প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

আইনজীবী হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে মমতা

প্রকাশিত :  ১০:৫৮, ১৪ মে ২০২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। এবার নির্বাচনের পর হাইকোর্টে হাজির হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা । তবে এবার তাকে দেখা গেল আইনজীবীর বেশে। বৃহস্পতিবার সকালে হাইকোর্ট চত্বরে তিনি পৌঁছালে তাকে ঘিরে উৎসুক সমর্থকদের ভিড় জমে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলা ১১টার কিছু আগে হঠাৎ হাইকোর্ট চত্বরে যান তৃণমূলনেত্রী। আইনজীবীদের মতো কালো শামলা পরে আদালত চত্বরে হাজির হন তিনি।

বৃহস্পতিবার ভোট-পরবর্তী অশান্তির একটি মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে। সেখানে শুনানি করেন তিনি।

হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে মমতার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সঙ্গে লিখেছে, ‘আরও একবার তিনি দেখিয়ে দিলেন, কেন তিনি বাকিদের চেয়ে আলাদা। দরকারের সময়ে কখনো তিনি পশ্চিমবাংলার মানুষকে একা ছেড়ে দেন না। সত্য, ন্যায়বিচার এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের জন্য লড়াই তিনি থামান না। অতুলনীয় সাহস এবং প্রত্যয়কে সঙ্গী করে তিনি বারবার ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।’

এদিকে প্রধান বিচারপতির এজলাসে তৃণমূলনেত্রী মমতা বলেন, “প্রথম বার কলকাতা হাইকোর্টে সওয়াল করছি। ১৯৮৫ সালে বার কাউন্সিলে আমার নাম নথিভুক্ত হয়। তার পর থেকে সদস্যপদ রিনিউ করেছি। ভোটের পরে শিশু, নারী, মুসলিম কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। বিবাহিত মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন এসব অভিযোগ আসছে। ঘর, বাড়ি লুট করছে, আগুন জ্বালাচ্ছে। পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আদালতের অনুমতি পেলে এই অভিযোগগুলো অতিরিক্ত হলফনামায় উল্লেখ করব। রাজ্যের মানুষকে বাঁচান। এটা কোনো বুলডোজার রাজ্য নয়। এটা পশ্চিমবঙ্গ, প্লিজ রাজ্যবাসীকে বাঁচান।” 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর