img

পেট ভরে খাওয়ার পরও কেন ক্ষুধা লাগে?

প্রকাশিত :  ১০:৪৫, ০৩ মে ২০২৬

পেট ভরে খাওয়ার পরও কেন ক্ষুধা লাগে?

খাওয়া ভরপেট হলেও কিছুক্ষণ পর ফের খিদে লাগছে। অনেকেই বলছেন, এ অনুভূতির কথা।’ তবে বিশেষজ্ঞরা কিছু কারণের কথা বলছেন ক্ষুধা বাড়ার। খাদ্য কিছুক্ষণ পরেই ফের খেতে ইচ্ছা করা বা বেশি বেশি খাওয়ার পরেও আরও খেতে ইচ্ছা করা বেশি খিদে লাগার প্রধান লক্ষণ।

বার বার খিদে লাগার পাঁচ কারণ জেনে নিন-

কার্বোহাইড্রেট: রাতে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাদ্য খেলে কিছুক্ষণ পর ফের ক্ষুধা লাগতে পারে। যখন আমরা একসাথে বহু বেশি কার্বোহাইড্রেট খাই, তখন চিনির মতই তা খুব দ্রুত শরীর শুষে নেয়। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে পরিমিত আন-রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট যেমন মিষ্টি আলু, বাদামি চাল, মাছ বা মুরগি, ব্রকলি কিংবা অন্যান্য সবজি খান।

কম ঘুম: ক্ষুধা বাড়াতে ঘুম অনেকটা প্রভাব ফেলে। কম ঘুম গ্রেলিন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ক্ষুধার উদ্দীপক। যার ফলে কম ঘুম ওজনও বাড়িয়ে দিতে পারে। ভাল ঘুমের জন্য ম্যাগনেশিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি পেশি রিল্যাক্স করে। সবুজ শাক, বাদাম, বীজ, মাছ, কলা ও চকোলেটে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

তৃষ্ণা: বহু সময় তৃষ্ণাকে আমরা ক্ষুধার সাথে মিলিয়ে ফেলি। মাঝে মাঝে আমরা ক্ষুধার্ত বোধ করি কিন্তু ওই সময়ে শরীরে হয়তো প্রয়োজন এক থেকে দুই গ্লাস পানি। কিন্তু, ভরপেট খাদ্য খেয়ে ফেলি।

মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল: মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, নারীদের ক্ষুধা ও খাদ্য গ্রহণের মাত্রা বেড়ে যায়, তাদের মাসিক চক্রের দ্বিতীয়ার্ধে। ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখতে ও ক্ষুধা নিবারণে প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন মাছ, ডিম, ডাল, বাদাম ও বিভিন্ন প্রকার বীজ খান।

গর্ভকাল: গর্ভকালে ক্ষুধা বাড়ে, সাথে বাড়ে ক্যালরির চাহিদাও। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে, এ সময় স্বাস্থ্যকর খাদ্যের দিকে নজর রাখতে হবে। এ সময় রিফাইন্ড ও চিনিসমৃদ্ধ খাদ্য ত্যাগ করতে হবে।

img

কাঁঠালের বিচি দিয়েই বানিয়ে নিন মজাদার সন্দেশ

প্রকাশিত :  ০৭:৩২, ০৩ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪০, ০৩ আগষ্ট ২০২৬

কাঁঠালের বিচি দিয়েও তৈরি করা যায় সুস্বাদু, নরম, সুগন্ধি ও পুষ্টিকর এক ব্যতিক্রমী মিষ্টান্ন—কাঁঠালের বিচির সন্দেশ। সহজলভ্য এই উপাদান দিয়ে ঘরেই স্বাস্থ্যকর ও ভিন্ন স্বাদের এ মিষ্টি তৈরি করা সম্ভব, যা ইতোমধ্যে খাবারপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

ঘরে থাকা সহজ উপকরণ আর কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই তৈরি হবে ভিন্ন স্বাদের এই ঘরোয়া মিষ্টি। যা বিকেলের নাশতা বা অতিথি আপ্যায়নে হতে পারে দারুণ চমক।

যেভাবে তৈরি করবেন কাঁঠালের বিচির সন্দেশ

প্রথমে কাঁঠালের বিচির খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে সিদ্ধ করে নিন। ঠান্ডা হলে এর বাদামি আবরণ সরিয়ে ফেলুন। এরপর বিচিগুলো ব্লেন্ড করে মিহি পেস্ট তৈরি করুন।

এবার সেই পেস্টের সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন। একটি ননস্টিক প্যানে সামান্য ঘি গরম করে তাতে মিশ্রণটি দিন।

এরপর চিনি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে প্রায় ১০ মিনিট নেড়ে রান্না করুন। ধীরে ধীরে মিশ্রণটি ঘন হয়ে প্যানের গা ছেড়ে উঠতে শুরু করবে।

চুলা বন্ধ করে শেষে এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। তারপর মিশ্রণটি একটি পাত্রে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন।

ঠান্ডা হয়ে গেলে পছন্দমতো আকারে কেটে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু কাঁঠালের বিচির সন্দেশ।

এই সন্দেশ ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে ৪–৫ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। কাঁঠালের বিচি পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় এটি শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যকর মিষ্টান্ন হিসেবেও বিবেচিত।