শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ

img

দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবুকে আনা হলো ট্রাইব্যুনালে

প্রকাশিত :  ০৬:২৯, ১৪ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৪৩, ১৪ মে ২০২৬

দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবুকে আনা হলো ট্রাইব্যুনালে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে বহুল আলোচিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে কারাগার থেকে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। 

গত ৭ মে দীপু মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় প্রসিকিউশন। পরে তাদের হাজিরের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

ওই দিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা ও মোজাম্মেল বাবু।

বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। 

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লা একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

আইনজীবী হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে মমতা

প্রকাশিত :  ১০:৫৮, ১৪ মে ২০২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। এবার নির্বাচনের পর হাইকোর্টে হাজির হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা । তবে এবার তাকে দেখা গেল আইনজীবীর বেশে। বৃহস্পতিবার সকালে হাইকোর্ট চত্বরে তিনি পৌঁছালে তাকে ঘিরে উৎসুক সমর্থকদের ভিড় জমে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলা ১১টার কিছু আগে হঠাৎ হাইকোর্ট চত্বরে যান তৃণমূলনেত্রী। আইনজীবীদের মতো কালো শামলা পরে আদালত চত্বরে হাজির হন তিনি।

বৃহস্পতিবার ভোট-পরবর্তী অশান্তির একটি মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে। সেখানে শুনানি করেন তিনি।

হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে মমতার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সঙ্গে লিখেছে, ‘আরও একবার তিনি দেখিয়ে দিলেন, কেন তিনি বাকিদের চেয়ে আলাদা। দরকারের সময়ে কখনো তিনি পশ্চিমবাংলার মানুষকে একা ছেড়ে দেন না। সত্য, ন্যায়বিচার এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের জন্য লড়াই তিনি থামান না। অতুলনীয় সাহস এবং প্রত্যয়কে সঙ্গী করে তিনি বারবার ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।’

এদিকে প্রধান বিচারপতির এজলাসে তৃণমূলনেত্রী মমতা বলেন, “প্রথম বার কলকাতা হাইকোর্টে সওয়াল করছি। ১৯৮৫ সালে বার কাউন্সিলে আমার নাম নথিভুক্ত হয়। তার পর থেকে সদস্যপদ রিনিউ করেছি। ভোটের পরে শিশু, নারী, মুসলিম কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। বিবাহিত মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন এসব অভিযোগ আসছে। ঘর, বাড়ি লুট করছে, আগুন জ্বালাচ্ছে। পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আদালতের অনুমতি পেলে এই অভিযোগগুলো অতিরিক্ত হলফনামায় উল্লেখ করব। রাজ্যের মানুষকে বাঁচান। এটা কোনো বুলডোজার রাজ্য নয়। এটা পশ্চিমবঙ্গ, প্লিজ রাজ্যবাসীকে বাঁচান।” 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর