যদি ভালো না লাগে তাহলে গুলি করব, ঠিক আছে?’
ইরানের সঙ্গে ঘোষিত সমঝোতা স্মারককে চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এটি মূলত পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার ভিত্তি তৈরির একটি সমঝোতা। বুধবার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার যদি এটি (চুক্তি) ভালো না লাগে, তাহলে আমরা আবার তাদের ওপর গুলি চালাব। তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব। তারা যদি আচরণ ঠিক না করে, তাহলে মাথার ঠিক মাঝখানে বোমা ফেলতে শুরু করব। ঠিক আছে?’
ঘোষিত সমঝোতার মধ্যে ইরানের জন্য তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়াও শিল্পোন্নত ও আমন্ত্রিত কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এক বিবৃতিতে জি৭ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ গড়ে তোলারও চেষ্টা করবেন।
বিবৃতিতে বলা হয়ছে, ইউক্রেনের প্রতি ঐক্যবদ্ধ সমর্থন অব্যাহত রাখা হবে। এর মধ্যে দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন।
বুধবার সম্মেলনের তৃতীয় দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, এই আলোচনায় খনিজ সরবরাহের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে



















