img

সুখবর, মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী সামান্থা

প্রকাশিত :  ০৭:১৬, ২১ জুন ২০২৬

সুখবর, মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী সামান্থা

নতুন অধ্যায় আসছে দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর জীবনে । গত বছরের ১ ডিসেম্বর ‘ফ্যামিলি ম্যান’খ্যাত পরিচালক রাজ নিদিমরুকে বিয়ে করা এই অভিনেত্রী প্রথমবারের মতো মা হতে চলেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

যদিও সামান্থা বা রাজ কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি, তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে প্রকাশিত এ খবরে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা।

সম্প্রতি সামান্থার নতুন ছবি ‘মা ইনতি বানগারাম’-এর সাফল্য উদযাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে অভিনেত্রীর বেবি বাম্প স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। উদযাপনের ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সামান্থাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অনেক ভক্ত।

সামান্থা–রাজের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এর কাজের সময়। পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বাড়তে থাকে।

বিয়ের পর সামান্থার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারও আবার ভাইরাল হয়। সেখানে রাজের পাঠানো একটি ভিডিও বার্তা দেখে সামান্থাকে লজ্জা পেতে দেখা যায়। বার্তায় রাজ তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও তামিল-তেলুগু দুই ইন্ডাস্ট্রিতে সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার প্রশংসা করেছিলেন।

সম্প্রতি দুজন আবারও একসঙ্গে কাজ করেছেন ‘মা ইনতি বানগারাম’ ছবিতে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিনী রেড্ডি। এর আগে ২০১৯ সালের ‘ওহ! বেবি’ ছবিতেও সামান্থা ও নন্দিনী রেড্ডির সফল জুটি দেখা গিয়েছিল। ছবিটির প্রযোজক রাজ।

সামান্থা আগে দক্ষিণি অভিনেতা নাগা চৈতন্যার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। চার বছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়, পরে অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন নাগা।

সূত্র : এনডিটিভি


img

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

প্রকাশিত :  ১২:৫০, ১৮ জুন ২০২৬

ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীকে স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায়  কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

অভিনেতার জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। 

আরও বলা হয়, আসামি গুরুতর অসুস্থ। ক্রনিক অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস বা গুরুতর হাঁপানি রোগে ভুগছেন। 

গত ১৩ জুন আসামি অ্যাজমা এট্যাক হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আসামির বর্তমান শারীরিক অবস্থায় কোনোভাবেই বন্ধ জায়গায় বা জেল-হাজতে আটক রাখা সমীচীন হবে না। যা কিনা তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য জামিনে মুক্তি দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা অনিবার্য। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই আলভীর পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

প্রসঙ্গত, আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। 

বিনোদন এর আরও খবর