img

সিলেটে কিশোরদের বিরোধে ছুরিকাঘাতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র খুন

প্রকাশিত :  ১০:২৮, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

 সিলেটে কিশোরদের বিরোধে ছুরিকাঘাতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র খুন

সিলেট নগরের বাদামবাগিচা এলাকায় কিশোরদের বিরোধে ছুরিবাঘাতে এক কিশোর খুন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত কিশোরের নাম শাহ মাহমুদ হাসান তপু (১৫)। তিনি এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলাশকান্দি বাদামবাগিচার উদয়ন ৪০/২ আবাসিক এলাকার শাহ এনামুল হকের ছেলে ও খাসদবির উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ছুরিকাঘাতে আহত হয় তপু।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. তারেক আহমেদ।

তিনি জানান, কিশোরদের দুই গ্রুপের বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরদের একটি গ্রুপের প্রধান এয়ারপোর্ট থানার খাসদবির এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জাহিদ হাসানের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে অপর গ্রুপের তপু মারাত্মক আহত হন। তাকে আত্মীয়স্বজন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত জাহিদসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লোহারপাড়া এলাকার আব্দুল মনিরের ছেলে মো. অনিক মিয়া ও মো. বশিরুল ইসলামের ছেলে মো. জুনেদ আহমদ।

ওসমানী হাসপাতাল মর্গেতিপুর ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

‘আড়াই কোটি টাকা চুক্তিতে’ মৌলভীবাজারের এসপি, ৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার

প্রকাশিত :  ১৬:৪৫, ১৭ মে ২০২৬

মৌলভীবাজার জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে যোগদানের মাত্র সাত দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ মে) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশে প্রত্যাহার করা হয়।

আদেশে বলা হয়, মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্বভার অর্পণ করে আগামী ১৬ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে রিপোর্ট করবেন। আদেশে প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ ওঠে ‘আড়াই কোটি টাকার চুক্তি করে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে বদলি হন রিয়াজুল ইসলাম।’ ওই টাকা না দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে জানতে মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর