img

সিলেট মহানগর বিএনপি: লোদী-ই থাকছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে, নাসিম নয়

প্রকাশিত :  ১৮:১২, ০২ ডিসেম্বর ২০২৫

 সিলেট মহানগর বিএনপি: লোদী-ই থাকছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে, নাসিম নয়

ক’দিন ধরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিলো সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি পদ নিয়ে। এ পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন দুই নেতা। অবশেষে সভাপতি পদ নিয়ে ধোঁয়াশা কেটেছে।

রেজাউল হাসান কয়েস লোদীই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রের পরবর্তী নির্দেশনা আসা পর্যন্ত নাসিম হোসাইন দলীয় কোন পদে থাকছেন না।

জানা যায়, সভাপতি পদ নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষিতে বুধবার নাসিম হোসাইন ও রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও দলটির সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

ওই বৈঠকে তিনি দুই নেতাকে জানান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে কয়েস লোদীই সভাপতি দায়িত্ব পালন করবেন।

দুই নেতাকে নিয়ে বসার কথা জানিয়ে বুধবার রাতে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটটুডেকে বলেন, নাসিম হোসাইনের নামে দলের পক্ষ থেকে দেওয়া চিঠিতে তাকে সভাপতির দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে কয়েস লোদীই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এটাই কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত।

এ প্রসঙ্গে নাসিম হোসাইন সিলেটটুডেকে বলেন, আমি তো সভাপতি আছিই। কিন্তু কেন্দ্রের দুটি চিঠি নিয়ে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আমাকে সভাপতির দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া এখন ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শরীরও খারাপ। তাই এমন পরিস্থিতিতে এই ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে আলাপেরও সুযোগ নেই। ফলে কেন্দ্রের নির্দেশনা আসার পূর্ব পর্যন্ত কয়েস লোদী ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ব্যাপারে রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী সিলেটটুডেকে বলেন, নাসিম হোসাইন মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি। তবে একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি এখন দায়িত্বে নেই। তাই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে কয়েস লোদী দায়িত্ব পালন করছেন। কেন্দ্র থেকে নাসিম হোসাইনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কয়েস লোদীই দায়িত্ব পালন করে যাবেন, আজকে খন্দকার মুক্তাদিরের সাথে বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই হয়েছে।

জানা যায়, বিএনপির কেন্দ্র থেকে আসা দুটি বিজ্ঞপ্তির কারণে সভাপতি পদ নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। গত বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে নাসিমের পদ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে সংশোধনী দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও বিষয়টি খোলাসা হয়নি। এ অবস্থায় সভাপতি হিসেবে নাসিম হোসেইন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, নাকি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান লোদী কয়েস দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন– তা নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন নেতাকর্মীরা।

২০২৩ সালের ১০ মার্চ ভোটে মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক পদে ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সৈয়দ সাফেক মাহবুব নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিদেশে চলে যান নাসিম হোসেইন। ওই বছরের ১ আগস্ট কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকীকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ৪ নভেম্বর নাসিম হোসেইনকে বাদ দিয়ে সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করে ১৭০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ অবস্থায় গত বুধবার রাতে রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আগে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসেইনের দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে তাঁর পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

যদিও নাসিমের কোনো পদ স্থগিত করেনি বিএনপি।

বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে নতুন আরেকটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়, ভুলবশত সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে তাঁর দলীয় পদ স্থগিত ছিল না।

তবে মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, সবশেষ মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নাসিম হোসাইনকে রাখা হয়নি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সিলেট বিভাগে ৬ স্বতন্ত্র প্রার্থী শক্ত অবস্থানে, চাপে বিএনপি

প্রকাশিত :  ১০:৩৬, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট বিভাগের কয়েকটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মূল লড়াইয়ে উঠে এসেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বিভাগের অন্তত ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থান বর্তমানে বেশ শক্তিশালী, যা নির্বাচনী সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদের কারণে বিপাকে পড়েছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই বড় জোট। বিশেষত বিএনপির প্রার্থীরা পড়েছেন চাপে। কারণ শক্ত অবস্থানে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বেশিরভাগই বিএনপির বিদ্রোহী।

স্থানীয়রা বলছেন, অতীতের অবস্থান, আঞ্চলিকতা ও প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের প্রার্থীর অবস্থান বিবেচনায় এবং নানা পর্যায়ে সৃষ্ট দলীয় কোন্দলের কারণে স্বতন্ত্র এসব প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।

স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে একাধিকজনের জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে স্বতন্ত্র এসব প্রার্থীকে নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত উভয় জোটে বিরাজ করছে অস্বস্তি। দলীয় নেতাকর্মীরা সরাসরি প্রকাশ না করলেও দল বা জোটের প্রার্থীদের অবস্থান এবং জনমত জরিপে তাদের অবস্থা অনেকটাই স্পষ্ট।

সিলেট বিভাগে নির্বাচনের মাঠে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন–সিলেট-৫ আসনে বিএনপির সাবেক নেতা মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু মামুন); একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আনোয়ার হোসেন ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। মৌলভীবাজার-২ আসনে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ, মৌলভীবাজার-৪ এ বিএনপির সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু ও হবিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া।

বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের ৯৯ জন প্রার্থী লড়ছেন। এরমধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী ৭ জনসহ মোট ১৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই ১৭ জনের মধ্যে অন্তত ৬ জন প্রার্থীরা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তাদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে আছেন দুই জোটের প্রার্থীরা।

জোটের প্রার্থীদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এমনটাই মন্তব্য সচেতন মহলের। সিলেটের ৬টি আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র চারজন। তাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের মামুনুর রশীদ মামুন (চাকসু মামুন)। বরখাস্ত হওয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মামুনের সঙ্গে রয়েছে বিএনপির বড় একটি অংশ।

এছাড়া স্থানীয় জাপা ও আওয়ামী লীগের একটি অংশও তাঁর পক্ষে সক্রিয় বলে জানা গেছে। সেখানে বিএনপি জোট থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও জামায়াত জোট থেকে মুফতি আবুল হাসান আলোচনায় রয়েছেন। দলের এই বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রচারে থাকায় গত ৩১ জানুয়ারি দুই উপজেলার ১২ জন নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

বহিষ্কৃত নেতা, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ জানিয়েছেন, ২৫ বছর ধরে মামুন মাঠে কাজ করছেন। তাঁর জন্য সাধারণ ভোটাররাও মাঠে। এ ক্ষেত্রে তাঁর পক্ষ নেওয়ায় দল বহিষ্কার করেছে, এ নিয়ে তাঁর আক্ষেপ নেই।

মৌলভীবাজারের চারটি আসনের ২৪ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র লড়ছেন ৭ জন। এরমধ্যে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ৩ জন স্বতন্ত্রের মধ্যে অন্যতম ফজলুল হক খান সাহেদ। তিনি দুই দফায় উপজেলা পরিচষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও একবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন সিলেটের প্রখ্যাত পীর আল্লামা আব্দুল লতিফ ফুলতলীর অনুসারীরা। তাদের আনজুমানে আল ইসলাহ সমর্থন জানিয়েছে তাঁকে। আসনটিতে বিএনপির শওকতুল ইসলাম শকু, জাতীয় পার্টির তিনবারের সংসদ সদস্য নবাব আলী আব্বাস ও জামায়াতের সায়েদ আলী রয়েছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির শফিকুর রহমানের বাড়ি এই আসনে। শনিবার তিনি

দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সেখানে সমাবেশ করেছেন। তবে স্থানীয়রা বলছেন, আসনটিতে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা জোরদার। বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত আবেদ রাজা ও সাবেক এমপি এমএম শাহীন দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে উদাসীন থাকায় তাদের অনুসারী এবং আওয়ামী লীগের একাংশের ভোট স্বতন্ত্র সাহেদ খানের পক্ষে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৌলভীবাজার-৪ আসনে (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক পৌর মেয়র মহসিন মিয়া মধু। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। এই আসনে জামায়াত জোট থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নুরে আলম হামিদী ও শরিক দল এনসিপি থেকে প্রিতম দাসও রয়েছেন; যার কারণে নিজস্ব ভোটের জোগানে জয় পাওয়া কঠিন হতে পারে।

হবিগঞ্জের চারটি আসনের ২৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জন স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। এরমধ্যে হবিগঞ্জ-১ (বাহুবল-নবীগঞ্জ) আসন থেকে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। আসনটিতে বিএনপি থেকে লড়ছেন রেজা কিবরিয়া। একাধিকবার দল বদলের কারণে দলের ও দলের বাইরে গুঞ্জন রয়েছে তাঁকে নিয়ে। সেই সুযোগ শেখ সুজাত কাজে লাগাতে চাচ্ছেন বলে জানা গেছে। আসনটিতে জামায়াত জোট থেকে লড়ছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম। তবে রেজা-সুজাত দ্বৈরথই রয়েছে মূল আলোচনায়।

সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র লড়ছেন ৪ জন। যেখানে শুধু সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনেই ৩ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় আছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন। সেখানে বিএনপি দলীয়ভাবে মনোনীত করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক য়য়ছর আহমেদকে।

সরকার পরিবর্তনের পর দেশে ফিরে দুটি উপজেলার দলীয় কমিটি গঠন নিয়ে বিতর্কে জড়ান কয়ছর। যার পর থেকে দলীয় কর্মীরা তাঁর প্রতি নেতিবাচক।

জগন্নাথপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আখতারসহ মনোনয়নবঞ্চিত আশফাক সামি ও দলের একাংশ আনোয়ারের পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। আসনটিতে বিদ্রোহী ও দলীয় প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য তালুকদার মকবুল হোসেন।

এছাড়া সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশম্ভরপুর) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী নুরুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রচারের মাঠে জোর টক্কর দিচ্ছেন দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী, সাবেক মেয়র ও একাধিকবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। এই আসনে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা বেশ জোরদার বলে জানিয়েছেন পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দলীয় কর্মী। আসনটিতে জামায়াত থেকে লড়ছেন সামস উদ্দিন।

বিএনপি ও জামায়েতের নেতৃত্বাধীন পৃথক দুটি জোটের প্রার্থী ও তাদের অনুসারীরা ভোটের দিনক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ত হয়ে উঠছেন এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নিয়ে হিসাব মেলাতে।

বিএনপির বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, দলীয় নেতাকর্মীরা জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে রয়েছেন তাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। তারা দল করার যোগ্যতা হারিয়েছেন।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিভাগের একাধিক আসন জোটের শরিক দলকে ছেড়ে দিলেও জামায়াতের কর্মীরা তাদের পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। প্রতিপক্ষ কোনো প্রার্থীকে নিয়ে তারা শঙ্কিত নন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর