img

শ্রীমঙ্গলে কারখানায় ট্রলি চাপায় নারী কর্মীর মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা

প্রকাশিত :  ০৫:৩৪, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৫০, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 শ্রীমঙ্গলে কারখানায় ট্রলি চাপায় নারী কর্মীর মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে একটি পলি ফাইবার কারখানায় ট্রলির চাপায় মার্জিয়া বেগম নামে এক নারী কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালেই ভূনবীর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকায় রশনী পলি ফাইবার কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মারজিয়া খাতুন তেপাড়া গ্রামের আকরাম আলীর স্ত্রী। তিনি চার মেয়ে ও এক ছেলের জননী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালবেলা কাজের এক পর্যায়ে কারখানা চত্বরে চলন্ত ফর্কলিফটের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মারজিয়া। এ সময় আহত হন আরেক নারী শ্রমিক এবং ফর্কলিফটচালক। সহকর্মীরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

দুর্ঘটনার পর কারখানা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

নিহতের স্বামী আকরাম আলী বলেন, “আমি আমার স্ত্রীর মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমার সন্তানরা এতিম হয়ে গেল। তাদের ভবিষ্যতের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।”

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার কারণ ও কারও অবহেলা ছিল কি না—তদন্তে তা খতিয়ে দেখা হবে।

ঘটনার পর শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা কারখানাটি পরিদর্শন করেন এবং শ্রমিক ও ব্যবস্থাপনা পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সিলেটে সেনাবাহিনীর হাতে আটক বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাসা থেকে দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৪:১৪, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট নগরীতে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে আটক করে সেনাবাহিনী। আটককৃতরা হলেন- সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মো: সেলিম মিয়া।

আটকের সময় তার কাছ থেকে দা লাঠি, চাকু, হাতুড়িসহ বেশ কিছু দেশিয় অস্ত্র, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও একাধিক ল্যাপটপ জব্দ রো হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সিলেট কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল জাকির জানান, সকালে মানিককে সন্দেহভাজন হিসেবে আমাদের কাছে সোপর্দ করা হয়। বিকেলে আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করেছি।

তিনি বলেন, মানিকের কাছ থেকে দা, লাঠি, মোবাইল ফোসসহ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিলো। এগুলো অস্ত্র আইনে পড়ে না।

এরআগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিককে তার বাসা থেকে আটক করে সেনাবাহিনী।প্রায় একই সময়ে নগরীর পীরমহল্লার বাসা থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা

মো: সেলিম মিয়াকে আটক করা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে মানিককে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনীর অভিযানকারী দলটি।

মানিকের পরিবারের দাবি বুধবার গভীর রাতে আনুমানিক ৩টার সময় সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিকের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যায় সেনা সদস্যরা।

বিএনপি নেতা মানিককে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিস্তারিত খোঁজ করে দেখছি কী কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

সিলেটের খবর এর আরও খবর