img

রেড ক্রিসেন্ট সুনামগঞ্জ ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাজু, সম্পাদক সোহেল

প্রকাশিত :  ১৮:১৬, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৭, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

রেড ক্রিসেন্ট সুনামগঞ্জ ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাজু, সম্পাদক সোহেল

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সুনামগঞ্জ ইউনিটের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন (২০২৫-২০২৭) অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল ইসলাম সাজু এবং সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. মল্লিক মো. মঈন উদ্দিন আহমদ সোহেল। খবর ‘বাসস’ এর।

গত ২৮ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সুনামগঞ্জ ইউনিটের ৫৭২ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৪২৮ জন। 

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল ইসলাম সাজু। তিনি পেয়েছেন ২০৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাশুক আলম পেয়েছেন ১২৪ ভোট এবং আমির হোসেন পেয়েছেন ৯৬ ভোট। 

সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বর্তমান জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. মল্লিক মো. মঈন উদ্দিন আহমদ সোহেল। তিনি পেয়েছেন ২৩৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পৌর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ পেয়েছেন ১৮৪ ভোট। 

এদিকে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ মোনাওয়ার আলী (২৮৫ ভোট), ইজাজুল হক চৌধুরী নাসিম (২৩৮ ভোট), আব্দুস সাত্তার মো. মামুন (২১৮ ভোট), মো. আশরাফ হোসেন লিটন (১৯৫ ভোট), মো. আনিসুজ্জামান (১৬১ ভোট)। 

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাড. শামসুর রহমান। 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সুনামগঞ্জ ইউনিটের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ৩ জন, সেক্রেটারি পদে ২ জন এবং সদস্য পদে ১৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।


img

হবিগঞ্জ-৪: বিএনপির ফয়সল ও স্বতন্ত্র তাহেরীকে শোকজ

প্রকাশিত :  ১০:৪২, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৬, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ও বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সলকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও সিলেট সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল হাসান এই শোকজ নোটিশ জারি করেন।

ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে দেওয়া নোটিশে উল্লেখ করা হয়, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। অথচ ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ পূর্বে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানোর সুযোগ নেই। এ কারণে তার বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল ও তার ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, গত ৬ জানুয়ারি মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা সাহেব বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার একটি ভিডিও প্রশাসনের নজরে আসে, যেখানে প্রার্থীর উপস্থিতিতে তার ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান। আচরণবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগে এ ধরনের প্রচারণা নিষিদ্ধ হওয়ায় তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, শোকজ নোটিশের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট আরও সাতটি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

উল্লেখ্য, চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপির এস এম ফয়সল, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আব্দুল কাদের, ইসলামী ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন, এবি পার্টির মোকাম্মেল হোসেন, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন, বাসদের মো. মুজিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. রেজাউল মোস্তফা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন ও মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।

সিলেটের খবর এর আরও খবর