img

১২ দিনের ব্যবধানে হবিগঞ্জের এক থানার ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

প্রকাশিত :  ০৫:৩০, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

 ১২ দিনের ব্যবধানে হবিগঞ্জের এক থানার ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ দিনের ব্যবধানে ৪ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও একজন কনস্টেবল রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এএসআই অতনু বণিককে প্রত্যাহার করা হয়। এক ব্যক্তিকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এর একদিন আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনকে প্রত্যাহার করা হয়। তার একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।’

অভিযোগ রয়েছে, একটি মামলার তদন্তে উপজেলার রানীগাঁও বাজারে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তা ধারণ করেন।

এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইয়াবা দিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫) এর সঙ্গে প্রতিবেশীদের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাদের ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তদন্ত শুরু হয় এবং ওই দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. রাফিউর রহমান বলেন, তদন্তের স্বার্থে তাদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সিলেটে চাঞ্চল্যকর রাসেল হত্যা: সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার ২

প্রকাশিত :  ০৫:৫৫, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

রাসেল আহমদ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে চাঞ্চল্যকর রাসেল আহমদ শাহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ইয়াসিন আহমদ ফাহিম (৩৩) ও আব্দুস সামাদ (৩৩)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদুল হক ভূঁইয়া জানান, এসআরবির অভিযানে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার হয়েছে। বর্তমানে থানায় আছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে সিলাম চকবাজার এলাকায় রাসেল আহমদকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত রাসেলের মা রাজনা বেগম বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে মোগলাবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন।

মলায় অভিযুক্তরা হলেন- ফজলু মিয়া (৫৫), আবেদ রাজা (৫৫), ইয়াসিন আহমদ ফাহিম (৩৩), আব্দুস সামাদ (৩৩), রনি (৩৫), তানিম আহমদ (২৪), সুমন আলী (৩৪), শহীদ আলী (২৮), কামরান (২৪), মাহবুব (২০), জুবের আহমদ জুবেল (২২), রাফি (২০), সালমান (২৫), আহমাদুর রহমান সাদেক (৪৫), মাসুম (২৫), মুহিন (২২), রাজু মিয়া (৪৫), মোজাহির আলী (৩৭), আলী রুবেল (৩১), গুল্লি সুয়েব (৫৫), সিরাজুল ইসলাম (৫২) ও উজ্জ্বল মিয়া (৩৫)।

সিলেটের খবর এর আরও খবর