img

কারাগারে ৮০ শতাংশ মহিলাই নির্দোষ: কারাবাসের অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে আনলেন রিয়া

প্রকাশিত :  ০৬:০২, ২৬ মার্চ ২০২৫

কারাগারে ৮০ শতাংশ মহিলাই নির্দোষ: কারাবাসের অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে আনলেন রিয়া

অভিনেত্রী রিয়ার বিরুদ্ধে ছিল একাধিক অভিযোগ। মাদকযোগের অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিলেন অভিনেত্রী তথা সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা। ২৭ দিন কারাবাসেও ছিলেন তিনি।

ছাড়পত্র পেয়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। সিবিআই তার অন্তিম রিপোর্টে জানিয়ে দিয়েছে, আত্মহত্যাই করেছিলেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত। অভিনেতার মৃত্যু নিয়ে জলঘোলা হয়েছিল বিস্তর। রিয়ার বিরুদ্ধে ছিল একাধিক অভিযোগ। মাদকযোগের অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিলেন অভিনেত্রী তথা সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা। ২৭ দিন কারাবাসে ছিলেন তিনি।

কারাবাসের অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন রিয়া। কারাবাসের অন্দরের সঙ্গে বাইরের জগতের কোনও মিল নেই বলে জানান অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “কারাগারের মধ্যে কোনও সমাজ নেই। তাই বাকি দুনিয়ার থেকে পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। তবে কারাগারের অন্দরে সমতা রয়েছে। ওখানে আলাদা করে কোনও পরিচিতি নেই কারও। সবাই এক একটা সংখ্যা সেখানে।”

তদন্ত চলাকালীন যে মহিলারা কারাবাসে থাকেন, তাঁদের বেশির ভাগই নির্দোষ বলে দাবি রিয়ার। অভিনেত্রীর কথায়, “আমার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, অভিযুক্ত মহিলাদের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ নির্দোষ ছিলেন। বাকি ২০ শতাংশ স্বীকার করতেন যে তাঁরা অপরাধ করেছেন। হয় নিজেকে বাঁচানোর জন্য অপরাধ করেছেন বা অন্য কোনও কারণে।”

রিয়া আরও বলেন, “বিচার পেতে অনেকটা সময় লাগে। তাই এই নির্দোষ মহিলাদেরও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সময় কারাবাসে কাটাতে হয়। কেউ কেউ দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই সাত-আট বছর কারাবাসে কাটিয়ে দেন।”

কারাগারের ভিতরে কী কী অসুবিধা হয় সেগুলিও জানিয়েছেন রিয়া। অভিনেত্রীর কথায়, “কারাগারের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায় না। বাইরের জগতের সঙ্গেও কোনও যোগাযোগ নেই। কেউ হয়তো পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে ফেলেছেন দীর্ঘ দিন কারাবাসে থাকতে থাকতে। প্রতি দিন কারাবাসে টিকে থাকাই কঠিন। এক একটা দিন এক একটা বছরের মতো মনে হয় কারাগারের মধ্যে। আমিও কঠিন সময় কাটিয়েছিলাম। অবশ্যই কারাগারের মধ্যে অবসাদ রয়েছে। সেই অন্ধকার জগতের সাক্ষী আমিও।”

img

কর্তন ছাড়াই সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেল ‘দম’

প্রকাশিত :  ১৫:৪৬, ১৬ মার্চ ২০২৬

জ্যৈষ্ঠ প্রতিবেদক সৈয়দ আমানউল্লাহ: ঈদ উপলক্ষে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা আলোচিত সিনেমা ‘দম’ কোনো ধরনের কর্তন ছাড়াই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। Bangladesh Film Certification Board সিনেমাটিকে ‘ইউ’ (U) ক্যাটাগরিতে সনদ দিয়েছে, যার অর্থ—এটি সব বয়সী দর্শকের জন্য উপযোগী। ফলে ঈদের সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘দম’ই প্রথম হিসেবে সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেল।

সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন  রেদওয়ান রনি । দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর বড় পর্দায় তার প্রত্যাবর্তন হওয়ায় শুরু থেকেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীর । শক্তিশালী এই জুটিকে কেন্দ্র করে  সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে।

কোনো দৃশ্য কর্তন ছাড়াই সেন্সর সনদ পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, “সিনেমাটি সব বয়সী দর্শকের দেখার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র পাওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ‘দম’ সিনেমায় উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জ্বলে ওঠার গল্প। পোস্টার ও টিজারে দর্শকের যে সাড়া পেয়েছি, তাতে আমরা অভিভূত। আশা করছি বড় পর্দায় সিনেমাটি দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রেরণার গল্পও শোনাবে।”

ইতোমধ্যে সিনেমাটির অফিশিয়াল পোস্টার ও টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় রয়েছে ‘দম’। টিজারে অ্যাকশন, নাটকীয়তা এবং আবেগঘন গল্পের আভাস দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি দেখার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শক্তিশালী গল্প, জনপ্রিয় অভিনেতাদের উপস্থিতি এবং নির্মাতার ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলীর কারণে ঈদের সিনেমার প্রতিযোগিতায় ‘দম’ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা—ঈদের বড় পর্দায় সিনেমাটি কতটা সাড়া ফেলতে পারে।

সিনেমাটির বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর তিনি নিজের গাওয়া কালজয়ী ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ গানটি নতুন সংগীতায়োজনে ‘দম’ সিনেমার জন্য প্লেব্যাক করেছেন। সিনেমায় অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, পূজা চেরী, চঞ্চল চৌধুরী, ডলি জহুর প্রমুখ। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রেদওয়ান রনি, রবিউল আলম, সৈয়দ আহমেদ শাওকী, আল-আমিন হাসান, মো. সাইফুল্লাহ।