img

সালমান শাহর মৃত্যু : হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ২০ অক্টোবর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১০, ২০ অক্টোবর ২০২৫

সালমান শাহর মৃত্যু : হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যু মামলাটি এবার হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার সোমবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছরে মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। যা মেনে নেয়নি নায়কের পরিবার। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে রায় দেন। যা প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন সালমানের বাবা।

২০০৩ সালে রিভিশন মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক প্রতিবেদন দাখিল করেন যেখানে সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ বলা হয়।

এরপর ছেলের মৃত্যুর বিচারপ্রার্থী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা গেলে মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি সিএমএম আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। তখন মামলাটি তদন্তের ভার পড়ে পিবিআইয়ের ওপর।

২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

মামলার নিষ্পত্তি আদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করে বাদীপক্ষ। ওই রিভিশন মামলায় বলা হয়, একাধিক ব্যক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে হত্যাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। সুপরিকল্পিত হত্যাকে ‘আত্মহত্যা’ ও ‘অপমৃত্যু’ বলা হচ্ছে। তাই সত্য প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

সালমান শাহর প্রকৃত নাম ছিল শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে ছোটপর্দায় ‘আকাশ ছোঁয়া’, ‘দোয়েল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ সহ একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন।

তার অভিনীত সবশেষ সিনেমা ছিল ‘বুকের ভেতর আগুন’। চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি সর্বাধিক ১৩টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন, যা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে পরিচিত।

img

সৌদিতে ভক্তের মুখে প্রশংসা শুনে মজা করে যা বললেন পূর্ণিমা

প্রকাশিত :  ১০:০২, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন। যদিও আগের মতো এখন আর সিনেমায় দেখা যায় না অভিনেত্রীকে। আর সিনেমার কাজ কমিয়ে দিলেও বিশেষ কাজ ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সরব উপস্থিতি রয়েছে তার। 

শুধু অভিনয় আর উপস্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ নয় অভিনেত্রী, বাস্তবজীবনেও তার রূপের জাদু আর সাবলীল অভিনয় দিয়ে জয় করেছেন কোটি ভক্তের মন। বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন পূর্ণিমা। সেখান থেকে মাঝে মধ্যেই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে যুক্ত থাকছেন তিনি।

সম্প্রতি ঢাকাই সিনেমার এ শীর্ষ অভিনেত্রী ওমরাহ হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় গেছেন। সেখান থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য শেয়ার করে নিয়েছেন একটি মজার ভিডিও, যা মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে নজর কেড়েছে।

সেই ভিডিওতে দেখা যায়, সৌদি আরবে অবস্থানকালে এক যুবকের মুখোমুখি হন পূর্ণিমা। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে ওই যুবক পূর্ণিমাকে উদ্দেশ্য করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন— ‘চেহারা দেখে তো একদম পূর্ণিমা আপুর মতো লাগছে।’ সরাসরি নিজের প্রশংসা শুনে স্বভাবসুলভ হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া জানান এ অভিনেত্রী। মজার ছলে পূর্ণিমা বলেন— ‘আমাকেও সবাই বলে, আমার চেহারা নাকি দেখতে পূর্ণিমার মতো লাগে।’

সামাজিক মাধ্যমে ভক্তের সঙ্গে পূর্ণিমার কথোপকথনের ভিডিওটি আসার পর থেকেই নেটিজেনরা বেশ উপভোগ করছেন। নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, চিরযৌবনা এ নায়িকার চেহারার উজ্জ্বলতা যেন সময়ের সঙ্গে আরও বাড়ছে।