img

কুমার শানুর বিরুদ্ধে সাবেক স্ত্রীর গুরুতর অভিযোগ, আইনি নোটিশ পাঠালেন গায়ক

প্রকাশিত :  ০৭:৫৩, ০৩ অক্টোবর ২০২৫

কুমার শানুর বিরুদ্ধে সাবেক স্ত্রীর গুরুতর অভিযোগ, আইনি নোটিশ পাঠালেন গায়ক

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানুর সাবেক স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্য সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে অবহেলা ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। এ নিয়ে তিনি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন রীতাকে।

রীতার অভিযোগ, তৃতীয় সন্তানসম্ভবা অবস্থায় শানু ও তার পরিবার তাকে খাবার ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করেছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে রীতা বলেন, ‘তিনি আমার সন্তানদের দুধ দেননি, চিকিৎসাও দেননি। দুধওয়ালাকে বলে দেওয়া হয়েছিল যেন আর আমাদের বাসায় না আসে। কিন্তু সে নিজের মানবিকতায় দুধ দিয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসককেও একইভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের সময় শানু তাকে মাত্র ১০০ টাকা দিয়েছিলেন। ‘আমি আমার সব গয়না বিক্রি করেছি। জীবনে যেমন চূড়ান্ত সুখ দেখেছি, তেমনি চরম দুঃখও দেখেছি,’ বলেন রীতা।

২০০৫ সালের মুম্বাই বন্যার সময় দুই ছেলে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। রীতা বলেন, ‘সেই রাতে আমি ছেলেদের খুঁজে মরিয়া হয়ে ঘুরেছি। ভয়ংকর সময় ছিল। ভাবছিলাম হয়তো ওদের আর পাব না। এমন সময়ও তিনি খোঁজ নেননি, বাচ্চারা বেঁচে আছে কি না।’

অন্যদিকে কুমার শানুর আইনজীবী সানা রইস খান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘চার দশক ধরে কুমার শানু সঙ্গীতে প্রাণ ঢেলে কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা সাময়িক আলোড়ন তুলতে পারে, কিন্তু তা কখনোই তার সঙ্গীতজীবনের অর্জনকে মুছে দিতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করব, যাতে তার মর্যাদা, উত্তরাধিকার ও পরিবারের সম্মান রক্ষা করা যায়।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮০ সালে রীতা ভট্টাচার্যের সঙ্গে কুমার শানুর বিয়ে হয়। তবে ১৯৯৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে অভিনেত্রী কুনিক্কা সদানন্দের সঙ্গে কিছুদিন সম্পর্কে জড়ালেও তা টেকেনি। ২০০১ সালে শানু সালোনি ভট্টাচার্যকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের দুই কন্যা রয়েছে।

img

আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রকাশিত :  ১২:৩৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বলিউডে তুমুল জনপ্রিয়তার পর হলিউডেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কেরিয়ারের শুরুতে কোনো ধরনের স্বজনপোষণ ছাড়াই নিজ দক্ষতায় বলিউডে শক্ত জায়গা তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। যদিও সেক্ষেত্রে নাকি নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা কথা বলেছেন বলিউডের পর্দার আড়ালের ‘রাজনীতি’ এবং তাকে নিয়ে হওয়া নানা ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে।

প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডের রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। 

তিনি বলেন, ‘আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসি, তখন ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না। ভাবতাম, আমার বাবা-মা যেমন চাইতেন আমি সফল হই, তেমনি বড় তারকাও তার ছেলেমেয়ের সাফল্য চাইবেন এটাই স্বাভাবিক কিন্তু পরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।’

প্রিয়াঙ্কা জানান, যখন ‘সালাম-এ-ইশ্‌ক’ ছবির শুটিং করছিলেন, তখন একটি বড় হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান এবং চুক্তিতে সইও করেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে তাকে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে। 

অভিনেত্রীর দাবি করেন, তার সেই সিনেমার সহ-অভিনেতা সেটে এসে তাকে সরাসরি জানান যে, তাকে আর এ সিনেমায় রাখা হচ্ছে না। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও এমন অপমানে রীতিমতো বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে প্রিয়াঙ্কাকে জানানো হয়েছিল যে, একটি সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের কথা থাকলেও তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেওয়া হয়েছে। 

সেই সিনেমাতে দুজন অভিনেত্রী থাকার কথা থাকলেও কৌশলে প্রিয়াঙ্কাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

বলিউডে পা রাখার পর থেকে একের পর এক প্রত্যাখ্যান পেতে পেতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, প্রিয়াঙ্কা একসময় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্য কোনো পেশায় যাওয়ার চিন্তাভাবনাও শুরু করেছিলেন তিনি। 

তবে শেষ পর্যন্ত তাই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলেন। আজ তাই শুধু বলিউডেই নয় হলিউডেও কাজ করছেন নিয়মিত। দেশি গার্ল আজ গ্লোবাল স্টারে পরিণত হয়েছে। 

বিনোদন এর আরও খবর