img

নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রোনালদো

প্রকাশিত :  ০৪:৫৪, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রোনালদো

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে আরও একটা মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো । প্রথম ফুটবলার হিসেবে তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন ৯৫০ ক্যারিয়ার গোলের মাইলফলক। আল হাজমের বিপক্ষে গোল করে তিনি এই বিশ্বরেকর্ডটি গড়েছেন। সৌদি প্রো লিগের এই রেকর্ড তাকে নিয়ে গেছে নতুন বিশ্বরেকর্ডের খুব কাছে। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০০ গোল থেকে তিনি আছেন আর ৫০ গোলের দূরত্বে।

পর্তুগিজ এই ফুটবলার অবশ্য এই গোলের আগে রাতটা বেশ হতাশা নিয়ে কাটাচ্ছিলেন। একাধিক গোল মিস করেছেন। তবে ৮৮ মিনিটে তিনি খুঁজে পান জালের ঠিকানা। তার গোলেই ২-০ গোলের জয় নিশ্চিত করে ফেলে আল নাসর। চলতি মৌসুমে লিগে এটি তার ষষ্ঠ গোল, সব মিলিয়ে ৭ গোল আছে তার নামের পাশে। ২০২২ সালে ইউনাইটেড থেকে আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর থেকে রোনালদো ১০০র ওপরে গোল করেছেন।

রোনালদোর এই কীর্তি এল লিওনেল মেসির আরও এক রেকর্ড গড়ার পর। দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টাইন মহাতারকা গতকাল সকালে করে ফেলেছেন তার ক্যারিয়ারের ৮৯০তম গোলটি। ন্যাশভিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি তার গোলসংখ্যা নিয়ে গেছেন ৮৯১-এ।

লা লিগা থেকে দুজনের এই লড়াই শুরু। দেড় দশক হয়ে গেলেও তাদের এই লড়াই এখনো চলছে। দুইজনই অবশ্য তাদের ক্যারিয়ার শেষের দুয়ারে আছেন, কোথায় তাদের ক্যারিয়ার শেষ হবে, তার আঁচও মিলছে। মেসি ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইন্টার মিয়ামিতেই থাকছেন। আর রোনালদো ২০২৭ সাল পর্যন্ত থাকছেন আল নাসরেই। তার ফলে এতটুকু নিশ্চিত হচ্ছে যে, রোনালদো-মেসির এই দ্বৈরথ অন্তত আরও দেড় বছরের মতো দেখা যাবে।

গোলের ফিরিস্তি

ক্লাব/দেশগোল
স্পোর্টিং লিসবন 
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৪৫
রিয়াল মাদ্রিদ ৪৫০
জুভেন্টাস ১০১
আল নাসর ১০৬
পর্তুগাল ১৪৩
মোট ৯৫০

সবচেয়ে বেশি ক্যারিয়ার গোলের রেকর্ড

খেলোয়াড় 

\r\n
\r\n

গোলসংখ্যা

\r\n
\r\n

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো 

\r\n
\r\n

৯৫০

\r\n
\r\n

লিওনেল মেসি

\r\n
\r\n

৮৯১

\r\n
\r\n

পেলে 

\r\n
\r\n
৭৬২

রোমারিও 

\r\n
\r\n
৭৫৬
ফেরেনশ পুসকাস ৭২৫
\r\n
\r\n

\r\n \r\n \r\n \r\n \r\n \r\n \r\n


img

টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি

প্রকাশিত :  ১৬:৩১, ৩০ মে ২০২৬

কয়েক দিন আগেই ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আর্সেনাল। গানার্সদের সামনে সুযোগ ছিল একই মৌসুমে ঘরোয়া ও ইউরোপসেরার ‘ডাবল’ জয়ের ইতিহাস গড়ার। কিন্তু মিকেল আর্তেতার সেই স্বপ্নপূরণ হতে দিল না প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং এরপর আরও ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল জয়সূচক গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে আর্সেনালকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপীয় শিরোপা ধরে রাখে ফরাসি ক্লাবটি।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফেরায় পিএসজি। পুরো ম্যাচ জুড়ে ফরাসি ক্লাবটি একের পর এক আক্রমণ চালায়। আর্সেনাল মূলত মেতেছিল তাদের অতি-রক্ষণাত্মক ‘বাস পার্কিং’ কৌশলে। শেষ পর্যন্ত এই অতি-রক্ষণাত্মক ফুটবলই কাল হলো আর্তেতার দলের জন্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

সেখান থেকে টাইব্রেকারে দুই দলের খেলোয়াড়দের ওপর জেঁকে বসে পাহাড়সম চাপ। পিএসজির হয়ে গনজালো রামোস এবং আর্সেনালের ভিক্টর গিওকেরেস প্রথম শটেই গোল করেন। পিএসজি তাদের দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। তবে আর্সেনালের ইংলিশ মিডফিল্ডার এবেরেচি এজে বল গোলপোস্টের বাইরে মারলে পেনাল্টিতেই শিরোপার সুবাস পেতে শুরু করে ফরাসিরা।

ঠিক পরের শটে পিএসজির মেন্দেসের শট রুখে দিয়ে আর্সেনালকে আবারও লাইফলাইন এনে দিয়েছিলেন গানার্স গোলকিপার ডেভিড রায়া। এরপর আর্সেনালের ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি এবং পিএসজির আশরাফ হাকিমিরা যার যার শটে জাল কাঁপায়। শেষ পর্যন্ত ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপসেরা হওয়ার বন্য উল্লাসে মাতে পিএসজি।