img

ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশি মারজিয়ার তিন পদক

প্রকাশিত :  ০৫:৩৩, ০৯ নভেম্বর ২০২৫

ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশি মারজিয়ার তিন পদক

ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে ‎শুটিং-আর্চারি না থাকায় পদকের খুব একটা আশা ছিল না বাংলাদেশের। তবে শনিবার মধ্যরাতে ভারত্তোলনে তিন পদক এনে দিয়েছেন মারজিয়া আক্তার ইকরা।

সৌদি আরবের রিয়াদে শনিবার (৮ নভেম্বর) মেয়েদের ভারত্তোলনে ৫৩ কেজি ওজন শ্রেণীতে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন বাংলাদেশের মারজিয়া আক্তার ইকরা।

এই ইভেন্টে সোনা জিতেছেন তুরস্কের জানসেল ওজকেন। রুপা জেতেন ইন্দোনেশিয়ার বাসিলিয়া।

নিয়ম অনুযায়ী, ভারোত্তোলনে একজন খেলোয়াড় স্ন্যাচ, ক্লিন অ্যান্ড জার্ক ও টোটাল (দুই লিফটের যোগফল) তিন ক্যাটাগরিতে তিনটি পদক জিততে পারবেন।

‎বাংলাদেশের মারজিয়া প্রথমে ৫৩ কেজি স্ন্যাচে ৭২ কেজি ওজন তোলেন। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তোলেন ৯১ কেজি ওজন। সবশেষে স্ন্যাচ ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক মিলিয়ে ১৬৩ কেজি ওজন তুলেছেন মারজিয়া। তাতে তিন ক্যাটাগরি থেকেই তিনটি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন সেনাবাহিনীর এই ভারোত্তোলক।

‎একইদিন বাংলাদেশের আরও দুই ভারোত্তোলকের খেলা ছিল। ৪৮ কেজি ওজন শ্রেণিতে পঞ্চম হয়েছেন মোসাম্মত বৃষ্টি, ৬০ কেজি ওজন শ্রেণিতে ষষ্ঠ আশিকুর রহমান।

এর আগে তুরস্কের কোনিয়ায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ইসলামিক গেমসে বাংলাদেশের পদক ছিল আরচ্যারিতে। এবার সৌদির রিয়াদে আরচ্যারি ও শ্যুটিং নেই। এই দুটি খেলা না থাকায় বাংলাদেশের পদকের সম্ভবনা ও প্রত্যাশা তেমন ছিল না। এ অবস্থায় ভারত্তোলনে মারজিয়ার ব্রোঞ্জ যেন অনেকটা চমকই। 

‎ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে এ নিয়ে দশটি পদক জিতল বাংলাদেশ। ২০২২ সালে তুরস্কে হওয়া এই গেমসে আর্চারি থেকে এক রুপা, দুই ব্রোঞ্জ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে আজারবাইজানের বাকুতে শুটিং থেকে একটি করে সোনা, রুপা, ব্রোঞ্জ ও রেসলিং থেকে একটি ব্রোঞ্জ পদকও এসেছিল।

‎‎গত ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। এবারের আসরে বিশ্বের ৫৭ দেশের প্রায় ৩ হাজার ক্রীড়াবিদ পদকের জন্য লড়ছেন। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছেন ১০ খেলার ৩৬ জন অ্যাথলেট।

আজ রোববার (৯ নভেম্বর) এসএ গেমসে দুইবারের স্বর্ণজয়ী নারী ভারত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্তর খেলা রয়েছে।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

প্রকাশিত :  ০৬:২৪, ২০ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:০৪, ২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশ দল মিরপুর টেস্ট জেতার পর সিলেটও দাপুটে পারফরম্যান্স ধরে রাখল। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। তাতেই হয়েছে ইতিহাস। ঘরের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে এবারই প্রথমবার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ।

সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট করছে নেমেছে পাকিস্তান। অষ্টম উইকেটে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান ও সাজিদ। তখনই জয়ের স্বপ্নও দেখছিল সফরকারীরা। এবার সেই জুটি ভাঙলেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

৪৩৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৭ রান করেছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র তিন উইকেট। অন্যদিকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান।

পঞ্চম দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মিদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই এই জুটি ভাঙার সুযোগ এসেছিল। নাহিদ রানার করা বলে স্লিপে ক্যাচও তুলে দিয়েছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু হাতের ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এই সুযোগ মিস করার পর বাংলাদেশিদের ভোগাতে থাকেন রিজওয়ান ও সাজিদ খান। এই দুই ব্যাটারের কল্যাণে জয়ের স্বপ্নও দেখতে থাকে পাকিস্তানিরা। কিন্তু সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করার মাধ্যমে নিজের ফাইফার পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৮ রান করেন সাজিদ।