img

ঐতিহাসিক শততম টেস্টে মুশফিকের শত রান

প্রকাশিত :  ০৪:৩৮, ২০ নভেম্বর ২০২৫

ঐতিহাসিক শততম টেস্টে মুশফিকের শত রান

মিরপুর টেস্টে খেলতে নেমেই একটা মাইলফলক ছুঁয়েছেন মুশফিকুর রহিম। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলে সেঞ্চুরি করেন তিনি । বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেষ্টে সেঞ্চুরির রেকর্ডও এখন তার।

ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্টে মুশফিকুর রহিম খেলেন ২০০ বলের অসাধারণ ইনিংস, যেখানে তিনি অপরাজিত থেকে ১০১* রান সংগ্রহ করেন। ৫টি চারের মার ও ৫১.২৮ স্ট্রাইক রেটে গড়া এই ব্যাটিং দর্শকদের বিমোহিত করেছে। কঠিন পরিস্থিতি সামলে দলকে স্থিতিশীলতা এনে দেন এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। দিনের খেলা শেষে তাঁর শতকে ভর করে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯৪ রান তুলে দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছে যায়।

মুশফিকের সঙ্গে মিডল অর্ডারের লিটন দাস ও মমিনুল হক দারুণ সমর্থন দেন। মমিনুল ১২৮ বল মোকাবিলা করে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন এবং চতুর্থ উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। অপরদিকে, লিটন দাস ১০৪ বলে ৫৪* রান করে দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে মুশফিকের সঙ্গ দিচ্ছিলেন।

ইনিংসের শুরুতে ওপেনার সাদমান ইসলাম (৩৫) এবং মাহমুদুল হাসান জয় (৩৪) ভালো শুরু করলেও বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও মাত্র ৮ রান করে আউট হয়ে ফেরেন।

আয়ারল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন। তিনি একাই বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে আউট করেন সাদমান (৫২), জয় (৮৩), শান্ত (৯৫) ও মমিনুল (২০২)। ২৬ ওভার বল করে ৮২ রানে তার ঝুলিতে জমে ৪ উইকেট। দলের অন্য বোলাররা উইকেটের দেখা পাননি।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ৯১.৩ ওভার শেষে ২৯৪/৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চের আগে শেষ করে। মুশফিক-লিটনের অপরাজিত জুটিকে সামনে রেখে ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বড় সংগ্রহের প্রত্যাশায় রয়েছে স্বাগতিকরা।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

প্রকাশিত :  ১২:৩৫, ১৪ মে ২০২৬

পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলে দীর্ঘদিনের অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার \'হিলাল-ই-ইমতিয়াজ\'-এ ভূষিত করা হয়েছে।

বুধবার আইওয়ান-ই-সদরে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি তাকে এই সম্মাননা প্রদান করেন।

২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাফল্যে আফ্রিদির অসামান্য ভূমিকার কথা এ সম্মাননায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট এবং ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এ তার নেতৃত্বের অবদানের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে এ পদকের মাধ্যমে।

সম্মাননা গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন আফ্রিদি। তিনি লেখেন, রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি কেবল তার একার অর্জন নয় বরং পুরো পাকিস্তানি জাতির অর্জন। 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং অকুণ্ঠ সমর্থনেরই প্রতিফলন এ পদক। উদার মনের এই ক্রিকেটার এ সম্মাননা উৎসর্গ করেছেন পাকিস্তানের বীর শহীদদের প্রতি। 

তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি এ পদক উৎসর্গ করছি’।সবশেষে তিনি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।