img

'উনি ভারতীয় কম, পাকিস্তানি বেশি!'

প্রকাশিত :  ১৯:৩২, ২৬ জুন ২০২৫

'উনি ভারতীয় কম, পাকিস্তানি বেশি!'

ভারতীয়-মার্কিন রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক শহরের মেয়র পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জয়লাভ করলেন । সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত।

এক্স-এ (আগের টুইটার) এক পোস্ট রি-শেয়ার করে কঙ্গনা দাবি করেন, অতীতে টাইমস স্কোয়ারে এক প্রতিবাদ মিছিলে জোহরান \"হিন্দুদের গালি দিয়েছিলেন\" এবং \"ভগবান রামকে উদ্দেশ করে অপমানজনক মন্তব্য\" করেছিলেন। কঙ্গনা আরও বলেন, “জোহারনের মা মীরা নায়ার একজন খ্যাতনামা পরিচালক, পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত। তিনি গুজরাটি বংশোদ্ভূত লেখক মেহমুদ মামদানিকে বিয়ে করেন। তাঁদের ছেলের নাম জোহরান রাখা হয়েছে, যা শুনতে অনেক বেশি পাকিস্তানি, ভারতীয় কম। তাঁর হিন্দু পরিচয় কোথায় গেল?” — এই প্রশ্নও তোলেন কঙ্গনা।

তিনি লেখেন, “এটাই যেন সব জায়গায় এক গল্প—হিন্দু পরিচয়কে ভুলে গিয়ে, এখন যেন হিন্দুধর্মকে মুছে ফেলার উদ্যোগ! তবে মীরা জিকে কয়েকবার দেখা হয়েছে, বাবা-মাকে অভিনন্দন।”

কে এই জোহরান মামদানি?

৩৩ বছর বয়সি জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের অ্যাসেম্বলি মেম্বার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। এবার তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তরফে মেয়র পদপ্রার্থী নির্বাচিত হলেন, প্রাথমিক ফলাফলে প্রাক্তন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন। ৮০ শতাংশের বেশি ভোট গণনা হওয়ার পর জোহারনের জয় প্রায় নিশ্চিত।

জোহারনের প্রচারের মূল প্রতিশ্রুতি ছিল—জীবনযাত্রার খরচ কমানো, ভাড়া স্থগিত রাখা, বিনামূল্যে বাস পরিষেবা, এবং সার্বজনীন চাইল্ড কেয়ার চালু করা। তিনি বলেন, এই সমস্ত কিছু বাস্তবায়িত হবে নিউইয়র্কের ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করে। জয়ের পর জোহরান বলেন, “নেলসন ম্যান্ডেলার কথা ধার করে বলছি—যেকোনও কিছুকেই অসম্ভব মনে হয়, যতক্ষণ না সেটা সম্পন্ন হয়। আজ আমরা সেটা করে দেখালাম।”এই জয়ের পরে বলিউড অভিনেতা বিজয় বর্মাও টুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

img

আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রকাশিত :  ১২:৩৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বলিউডে তুমুল জনপ্রিয়তার পর হলিউডেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কেরিয়ারের শুরুতে কোনো ধরনের স্বজনপোষণ ছাড়াই নিজ দক্ষতায় বলিউডে শক্ত জায়গা তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। যদিও সেক্ষেত্রে নাকি নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা কথা বলেছেন বলিউডের পর্দার আড়ালের ‘রাজনীতি’ এবং তাকে নিয়ে হওয়া নানা ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে।

প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডের রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। 

তিনি বলেন, ‘আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসি, তখন ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না। ভাবতাম, আমার বাবা-মা যেমন চাইতেন আমি সফল হই, তেমনি বড় তারকাও তার ছেলেমেয়ের সাফল্য চাইবেন এটাই স্বাভাবিক কিন্তু পরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।’

প্রিয়াঙ্কা জানান, যখন ‘সালাম-এ-ইশ্‌ক’ ছবির শুটিং করছিলেন, তখন একটি বড় হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান এবং চুক্তিতে সইও করেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে তাকে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে। 

অভিনেত্রীর দাবি করেন, তার সেই সিনেমার সহ-অভিনেতা সেটে এসে তাকে সরাসরি জানান যে, তাকে আর এ সিনেমায় রাখা হচ্ছে না। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও এমন অপমানে রীতিমতো বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে প্রিয়াঙ্কাকে জানানো হয়েছিল যে, একটি সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের কথা থাকলেও তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেওয়া হয়েছে। 

সেই সিনেমাতে দুজন অভিনেত্রী থাকার কথা থাকলেও কৌশলে প্রিয়াঙ্কাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

বলিউডে পা রাখার পর থেকে একের পর এক প্রত্যাখ্যান পেতে পেতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, প্রিয়াঙ্কা একসময় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্য কোনো পেশায় যাওয়ার চিন্তাভাবনাও শুরু করেছিলেন তিনি। 

তবে শেষ পর্যন্ত তাই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলেন। আজ তাই শুধু বলিউডেই নয় হলিউডেও কাজ করছেন নিয়মিত। দেশি গার্ল আজ গ্লোবাল স্টারে পরিণত হয়েছে। 

বিনোদন এর আরও খবর