img

নীতিহীন রাজনীতির করুণ পরিণতি: বাংলাদেশের নেতৃত্ব সংকট ও নৈতিকতার চরম অবক্ষয়!

প্রকাশিত :  ১৯:৪২, ১১ জুলাই ২০২৫

নীতিহীন রাজনীতির করুণ পরিণতি: বাংলাদেশের নেতৃত্ব সংকট ও নৈতিকতার চরম অবক্ষয়!

✍️ রেজুয়ান আহম্মেদ 

এক সময় বাংলাদেশের রাজনীতি ছিল ত্যাগ, সাহস ও আদর্শের প্রতীক। এই মাটিতে জন্মেছিলেন মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতো নেতৃত্ব, যিনি কখনো বিলাসিতা কিংবা ক্ষমতার মোহে নিজেকে হারাননি। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতক পেরিয়ে আসা এই রাষ্ট্রে এখন রাজনীতি যেন পরিণত হয়েছে আত্মস্বার্থ, লোভ, প্রতারণা ও দুর্নীতির অপর নাম হিসেবে।

দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের চোখের সামনে ঘটছে অবিশ্বাস্য সব ঘটনা—জনপ্রতিনিধিরা জনগণের দুঃখের ভাগীদার হওয়ার পরিবর্তে তাদের শোষক হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। রাজনীতি আজ যেন নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত হয়ে এক ধরনের ‘স্বার্থনীতি’-তে পরিণত হয়েছে।

রাজনীতি নয়, যেন ক্ষমতার খেলা!

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ সবচেয়ে বড় সংকট হচ্ছে নৈতিকতার ভয়াবহ অবক্ষয়। যে রাজনীতি একসময় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করত, আজ সেই রাজনীতি জাতিকে বিভক্ত করছে দলীয় স্বার্থ ও ব্যক্তি স্বার্থের কারণে।

নির্বাচনের আগে নেতাদের চেনা যায় না—সবাই তখন ‘জনগণের কথা’ বলেন। কিন্তু একবার ক্ষমতায় গেলে তাদের সুর পাল্টে যায়। চোখে পড়ে না সাধারণ মানুষের মুখ, কানে আসে না তাদের আর্তনাদ।

একজন শিক্ষক আক্ষেপ করে বলেন, “আমার বাবার সময়ের রাজনীতি ছিল মূল্যবোধের জায়গা। এখনকার রাজনীতি দেখে আমি আমার ছেলেকে রাজনীতিতে আসতে নিষেধ করেছি।”

কথায় এক, কিন্তু কাজে আরেক

রাজনীতিকদের মুখে এখনও শোনা যায়—“জনগণের জন্য কাজ করছি।” কিন্তু মাঠে-ময়দানে তার প্রতিফলন কোথায়? বরং দেখা যাচ্ছে—তাদের প্রাসাদতুল্য বাসভবন, বিলাসবহুল গাড়ি, বিদেশে সন্তানদের শিক্ষা; আর এসবের পেছনের অর্থ কোথা থেকে আসে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের শেষ নেই।

প্রতিবার দুর্নীতির তদন্তে উঠে আসে কোনো না কোনো প্রভাবশালী নেতার নাম। কিন্তু বিচারের মুখ দেখে না অধিকাংশই। এসব দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে গড়ে উঠছে গভীর আস্থার সংকট।

তরুণদের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া—এক ভয়ংকর সংকেত

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা বলেন, “ছোটবেলায় রাজনীতি মানে ভেবেছি মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এখন দেখি, রাজনীতি মানে টাকা বানানোর হাইওয়ে। এ থেকে দূরে থাকাই ভালো।”

এই ভাবনা কেবল একজন ছাত্রীর নয়, বরং লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর। তারা এখন রাজনীতিকে দেখছে ভয় ও অনাস্থার জায়গা হিসেবে, যেখানে আদর্শ নয়, বরং সুযোগ সন্ধানীদের দাপট।

এই মানসিকতা চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে সৎ, মেধাবী ও জনসম্পৃক্ত মানুষের অভাব হবে নিঃসন্দেহে।

দলের চেয়ে ব্যক্তি বড় হয়ে উঠেছে

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলে দেখা যায় একটি সাধারণ দৃশ্য—ব্যক্তি পূজা। নীতি, আদর্শ বা কর্মসূচির চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে একজন ‘নেতা’র কথা। তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আর যদি কেউ প্রশ্ন তোলে, তবে তার পরিণতি—বহিষ্কার, অপমান কিংবা গুম।

গণতন্ত্র মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মতভিন্নতা সহ্য করা। কিন্তু বাংলাদেশে এখন তা প্রায় বিলুপ্ত। দলীয় নেতৃত্ব মানেই যেন একজন জবাবদিহিহীন সর্বেসর্বা।

রাজনীতি যেন উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত পেশা!

বাবা রাজনীতিক, তাই ছেলে সংসদ সদস্য। স্ত্রী কাউন্সিলর, ভাই মেয়র, ভাগ্নে পৌর চেয়ারম্যান—এ যেন এক বংশানুক্রমিক ব্যবসা। অথচ একসময় রাজনীতিতে আসার জন্য ছিল ত্যাগের ইতিহাস, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা, আর জনগণের পাশে দাঁড়ানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা।

এখন অনেক ক্ষেত্রেই রাজনীতি মানে নিজের পরিবারের ব্যাংক ব্যালান্স বাড়ানোর যন্ত্র। জনগণের কথা শুধু শোভা পায় পোস্টারে, ব্যানারে, বা বক্তৃতার মঞ্চে—বাস্তবে তার খোঁজ নেই।

দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিচারহীনতা

বহু রাজনীতিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও, তেমন কোনো বিচার হয় না। হয়তো কিছুদিন মিডিয়ায় আলোচনায় থাকে, তারপর সব চাপা পড়ে যায়। কারণ বিচার ব্যবস্থাও আজ অনেকাংশে রাজনৈতিক ক্ষমতার ছায়ায় নিয়ন্ত্রিত।

এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করছে এক ভয়ংকর দৃষ্টান্ত—যেখানে একজন সাধারণ মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছে না যে সৎ থাকা বা সত্য বলা কোনো কাজে আসবে।

গণতন্ত্রের মুখোশে দমননীতি!

নেতৃত্বে যারা রয়েছেন, তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলেন, কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিচ্ছবি দেখা যায় না। সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, বিরোধী কণ্ঠরোধ, নির্বাচনে কারচুপি, প্রশাসনকে দলীয়করণ—সব মিলে এক আতঙ্কের পরিবেশ।

প্রশ্ন হচ্ছে—রাজনীতি কি কেবল দল টিকিয়ে রাখার কৌশল? নাকি দেশের মানুষকে ভালো রাখার ব্রত?

কোথায় মানবিকতা? কোথায় দায়িত্ববোধ?

একজন গার্মেন্টস শ্রমিক মারা যান রাস্তায় চিকিৎসার অভাবে—কিন্তু তার পাশে কোনো রাজনীতিক ছিলেন না। অথচ তিনিই সেই মানুষ, যিনি ভোট দিয়েছেন, কর দিয়েছেন।

অন্যদিকে, কোনো দলীয় নেতা অসুস্থ হলেই তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বিদেশে পাঠানো হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। এই ব্যবধানই রাজনীতির নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

পরিবর্তন আসবেই—প্রয়োজন সাহসী ও সৎ নেতৃত্ব

যদিও পরিস্থিতি কঠিন, তবে এখনও দেশে অনেক তরুণ নেতা আছেন, যারা নিরবে-নিভৃতে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের খুঁজে বের করে সামনে আনতে হবে। দরকার একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আদর্শবান নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য। দুর্বৃত্তদের জন্য নয়। সৎ মানুষের জয় হোক, অপরাজনীতির পরাজয় হোক।

সময় এসেছে আয়নার সামনে দাঁড়ানোর

রাজনীতিকদের সামনে এখন দুটি পথ—এক, নিজেদের শুদ্ধ করে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা; দুই, সেই পুরোনো পথে চলতে থাকা, যার শেষ গন্তব্য ধ্বংস।

রাষ্ট্র শুধু অবকাঠামো নয়, এটি একটি আদর্শ, একটি চেতনা। সেই চেতনার ভেতরেই থাকে জাতির ভবিষ্যৎ, নেতৃত্বের বিবেক।

রাজনীতি যদি সত্যিই হয় মানুষের সেবা, তবে তা প্রমাণ করতে হবে কাজের মাধ্যমে। না হলে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে, আর ইতিহাস—যেটি বড় নির্মম বিচারক—তখন আর করুণা করবে না।

মতামত এর আরও খবর

img

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর: সরকার আরও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি নিতে পারত

প্রকাশিত :  ০৬:২১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে, তখনই বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম। এর প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে কিছু ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে পড়তে পারে। আবার কিছু পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে এবং সময়ের ব্যবধানে এর প্রভাব দৃশ্যমান হতে পারে।

তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে পরিবহন খাতে। বিশেষ করে গণপরিবহনে ডিজেল ব্যবহৃত হয়। ফলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়বে এবং এর চাপ সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। বর্তমানে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এমনিতেই অনেক বেড়ে গেছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয় বাড়লে তাদের ওপর চাপ আরও বাড়বে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরোক্ষ প্রভাবও রয়েছে। কৃষিতে জ্বালানি ব্যবহারের খরচ বাড়বে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে। কলকারখানায় উৎপাদন ব্যয়ও বাড়বে। এসব প্রভাব হয়তো সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমান হবে না। কিন্তু ধীরে ধীরে পণ্যের দামে তার প্রভাব পড়তে পারে।

সরকারের দিক থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্য ভর্তুকির চাপ কমানো। সরকারকে জ্বালানি খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ভর্তুকির বোঝা কমানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কোন জ্বালানির দাম কতটুকু বাড়ানো হবে, তাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সব জ্বালানি তেলের ব্যবহারকারী এবং ব্যবহারক্ষেত্র এক নয়।

পেট্রোল ও অকটেন তুলনামূলক উচ্চ আয়ের মানুষ বেশি ব্যবহার করেন। অবশ্য মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ অকটেন ব্যবহার করে, বিশেষ করে বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং সেবায় মোটরসাইকেল ব্যবহৃত হয়। ডিজেল গণপরিবহনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। একটি বাসে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে এর প্রভাব একসঙ্গে অনেক মানুষের ওপর পড়ে। একই সঙ্গে কৃষি এবং শিল্প-কারখানায় ডিজেলের ব্যবহার রয়েছে। কেরোসিনের ক্ষেত্রেও নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যবহার বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

আমার মনে হয়, সরকার চাইলে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে আরও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি নিতে পারত। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম না বাড়িয়ে অথবা খুব কম বাড়িয়ে পেট্রোল ও অকটেনের দাম তুলনামূলক বেশি বাড়ানো যেত। এখনও বিষয়টি সরকার পুনর্বিবেচনা করতে পারে। এতে ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্য পুরোপুরি হয়তো অর্জিত হয়তো হবে না, কিন্তু সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কম রাখা সম্ভব হবে।

সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করছে; একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। তাই ভর্তুকির সুবিধা কারা পাচ্ছে, তাও দেখতে হবে। আমাদের সমাজে আয়বৈষম্য অনেক বেশি। জ্বালানি তেলের ভর্তুকির সুবিধা যেমন উচ্চআয়ের মানুষ পান, তেমনি নিম্নআয়ের মানুষও পান। ফলে ঢালাওভাবে সব ধরনের জ্বালানির দাম একইভাবে বাড়ানো হলে প্রশ্ন আসে— নিম্নআয়ের মানুষের ওপর এর প্রভাব কি যথেষ্ট বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে? জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তাই সামাজিক বৈষম্য এবং মানুষের আয়স্তর বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। 

এর সঙ্গে এবার আরেকটি বিষয় যুক্ত হয়েছে— সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো। শুধু পে স্কেল নিজে মূল্যস্ফীতির ওপর খুব বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি না। কারণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় খুব বেশি নয়। কিন্তু নতুন পে স্কেল এবং একই সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি—এ দুটি ঘটনা একসঙ্গে মানুষের মধ্যে একটি ‘ইনফ্লেশনারি এক্সপেক্টেশন’ বা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে।

মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা তৈরি হলে তা বাজারের স্বাভাবিক আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন আমি যদি চালের ব্যবসায়ী হই এবং মনে করি, সামনে চালের দাম আরও বাড়বে, তাহলে আজই সব চাল বিক্রি না করে কিছুদিন ধরে রাখতে চাইতে পারি। একইভাবে আমি যদি পেঁয়াজের ব্যবসায়ী হই এবং মনে করি, সামনে পেঁয়াজের দাম বাড়বে, তাহলে বিক্রি না করে কিছুদিন মজুত রাখার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তখন স্বাভাবিক বাজার ব্যবস্থার বাইরে কৃত্রিমভাবে পণ্য ধরে রাখার প্রবণতা তৈরি হয়। এর ফলে মূল্য আরও বাড়তে পারে।

আরেকটি বড় বিষয় হচ্ছে, সরকারি ব্যয়ের অপচয় কমানো জরুরি। প্রয়োজনীয় ব্যয় অবশ্যই করতে হবে। তবে অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে। অনেক সরকারি অফিসে অতিরিক্ত সাজসজ্জা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। জেলা শহরের অফিস, সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও এমন উদাহরণ রয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা, সরকারি সফর, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তাও পর্যালোচনা করা দরকার। পে স্কেলের মাধ্যমে সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে দক্ষতা ও ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে। 

লেখক: নির্বাহী পরিচালক, সিপিডি