img

বিজয়-রাশমিকার বিয়ের কার্ড ‘ফাঁস’, যা বলছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

প্রকাশিত :  ০৭:৫৫, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিজয়-রাশমিকার বিয়ের কার্ড ‘ফাঁস’, যা বলছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি বিয়ের আমন্ত্রণপত্র ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।  কারণ অনেকের দাবি, ভাইরাল সেই আমন্ত্রণপত্রটি বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের। সেই কার্ডে বিয়ের তারিখ হিসেবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করা আছে। এ নিয়ে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম বলছে, দীর্ঘ সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে এই জুটি সম্পর্কে রয়েছেন। যদিও বিজয়ের টিম নাকি তাদের বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এখনো বিয়ে নিয়ে বর–কনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। 

সেই কথিত বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে বিয়ে ও বিবাহোত্তর সংবর্ধনার তারিখ, সময় ও ভেন্যুর বিস্তারিত তথ্যও উল্লেখ রয়েছে। আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, ঘনিষ্ঠ পরিবার ও স্বজনদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত ব্যক্তিগত পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে বিয়ে। তবে মূল উদযাপন রাখা হয়েছে পরবর্তী সময়ে। 

জানা যায়, বিয়ের পর হায়দরাবাদে বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, আগামী ৪ মার্চ সন্ধ্যা সাতটায় তাজ কৃষ্ণ হোটেলে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে। 

ভাইরাল হওয়া বিজয়ের সেই আমন্ত্রণপত্রে লেখা, আমাদের জীবনের এক বিশেষ মুহূর্তে আপনাকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানাতে এই চিঠি। পরিবারের ভালোবাসা-আশীর্বাদে রাশমিকা ও আমি এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ছোট আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছি। আমাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর স্মৃতি উদযাপনে যারা আমাদের যাত্রার অংশ ছিলেন তাদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগ করে নিতে পারলে তা আমাদের জন্য অত্যন্ত বিশেষ হবে। 

রাজকীয় আবহের জন্য রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরকেই বিয়ের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন দুজন। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে প্রি-ওয়েডিং আয়োজন।  তবে এর বিশেষত্ব হল, বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতায় থাকবে তেলুগু ও কুর্গি-দুই পরিবারের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। 

এদিকে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে আলাদা আলাদাভাবে হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে দেখা গেছে দুই তারকাকে। যদিও বিয়ের কার্ডে থাকা তথ্যের সত্যতা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

img

আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রকাশিত :  ১২:৩৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বলিউডে তুমুল জনপ্রিয়তার পর হলিউডেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কেরিয়ারের শুরুতে কোনো ধরনের স্বজনপোষণ ছাড়াই নিজ দক্ষতায় বলিউডে শক্ত জায়গা তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। যদিও সেক্ষেত্রে নাকি নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা কথা বলেছেন বলিউডের পর্দার আড়ালের ‘রাজনীতি’ এবং তাকে নিয়ে হওয়া নানা ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে।

প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডের রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। 

তিনি বলেন, ‘আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসি, তখন ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না। ভাবতাম, আমার বাবা-মা যেমন চাইতেন আমি সফল হই, তেমনি বড় তারকাও তার ছেলেমেয়ের সাফল্য চাইবেন এটাই স্বাভাবিক কিন্তু পরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।’

প্রিয়াঙ্কা জানান, যখন ‘সালাম-এ-ইশ্‌ক’ ছবির শুটিং করছিলেন, তখন একটি বড় হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান এবং চুক্তিতে সইও করেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে তাকে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে। 

অভিনেত্রীর দাবি করেন, তার সেই সিনেমার সহ-অভিনেতা সেটে এসে তাকে সরাসরি জানান যে, তাকে আর এ সিনেমায় রাখা হচ্ছে না। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও এমন অপমানে রীতিমতো বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে প্রিয়াঙ্কাকে জানানো হয়েছিল যে, একটি সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের কথা থাকলেও তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেওয়া হয়েছে। 

সেই সিনেমাতে দুজন অভিনেত্রী থাকার কথা থাকলেও কৌশলে প্রিয়াঙ্কাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

বলিউডে পা রাখার পর থেকে একের পর এক প্রত্যাখ্যান পেতে পেতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, প্রিয়াঙ্কা একসময় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্য কোনো পেশায় যাওয়ার চিন্তাভাবনাও শুরু করেছিলেন তিনি। 

তবে শেষ পর্যন্ত তাই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলেন। আজ তাই শুধু বলিউডেই নয় হলিউডেও কাজ করছেন নিয়মিত। দেশি গার্ল আজ গ্লোবাল স্টারে পরিণত হয়েছে। 

বিনোদন এর আরও খবর