বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতের উত্থান বি এন পির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ!
প্রকাশিত :
১১:৫৩, ২২ অক্টোবর ২০২৫
কামরুল হাসান
বাংলাদেশের রাজনীতি আবারও এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বড় দুটি বিরোধী শক্তি—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামী নতুনভাবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্মাণ করছে। তবে সাম্প্রতিক ডাকসু, চাকসু, রাকসুসহ দেশের প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের নিরুঙ্কুশ বিজয় এবং মাঠের বাস্তবতায় এখন এক প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে: জামায়াতে ইসলামী কেন ধীরে ধীরে বিএনপির চেয়ে বেশি সক্রিয় ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে রয়েছে জামায়াতের শক্তিশালী তৃণমূল সংগঠন, ধারাবাহিক প্রস্তুতি এবং কার্যকর প্রচার কৌশল। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শেখ হাসিনার পতনের পর বিএনপি যখন দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব সংকটে পড়েছিল, তখন জামায়াত দ্রুত মাঠে নামে। তারা ইতিমধ্যে প্রায় ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং দেশজুড়ে ভোটার সংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপি এখনো মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে। দলের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা বিদেশে বা মামলার জটিলতায় নিষ্ক্রিয়, আর স্থানীয় পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে নেতৃত্বকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব ও ভাঙন। এতে করে অনেক কর্মী ও সমর্থক নতুন বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছে। এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে জামায়াতে ইসলামি।
দলটি এখন কেবল ধর্মীয় পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়; তারা নিজেদের “নৈতিক রাজনীতি” ও “পরিষ্কার প্রশাসন” এর প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে। স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা, দরিদ্র সহায়তা ও সামাজিক সেবামূলক কর্মসূচি চালিয়ে তারা জনগণের কাছে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছে। এর ফলে জামায়াতের প্রভাব শুধু গ্রামীণ এলাকায় নয়, শহুরে মধ্যবিত্ত ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জামায়াতের জনপ্রিয়তা বাড়ার অন্যতম কারণ তাদের আধুনিক যোগাযোগ কৌশল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা অত্যন্ত সক্রিয়, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে টার্গেট করে প্রচারণা চালাচ্ছে। ফেসবুক, ইউটিউব ও টেলিগ্রামে তাদের সংগঠিত প্রচারণা বিএনপির তুলনায় অনেক বেশি দৃশ্যমান। বিএনপির প্রচারণা এখনও পুরনো ধাঁচের, যেখানে দলীয় নেতৃত্বকেন্দ্রিক বার্তা বেশি এবং তরুণ ভোটারদের প্রতি যোগাযোগ কম।
এছাড়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন আদর্শিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে—আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায়, বিএনপি দুর্বল ও বিভক্ত—তখন জামায়াত অনেক ভোটারের কাছে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উঠছে। বিশেষ করে ধর্মনিষ্ঠ ও রক্ষণশীল ভোটারদের একটি বড় অংশ এখন জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ সতর্ক করে বলছেন, জামায়াতের অতীত ইতিহাস এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এখনো অনেকের কাছে অগ্রহণযোগ্য। তাই দলটির জন্য চূড়ান্ত জনপ্রিয়তা অর্জন সহজ হবে না। তবুও তারা ধৈর্য ধরে ধাপে ধাপে প্রভাব বিস্তারের কৌশল নিয়েছে—স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ, তৃণমূল সংগঠন শক্ত করা এবং তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা।
অন্যদিকে বিএনপির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তাদের অভ্যন্তরীণ ঐক্য পুনর্গঠন এবং ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের ওপর। যদি তারা দ্রুত সংগঠন পুনর্গঠন করতে না পারে, তাহলে আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী দেশের অন্যতম বড় বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের জায়গা সুসংহত করতে পারে।
রাজনীতির এই নতুন বাস্তবতা অনেকের কাছে এক অপ্রত্যাশিত দৃশ্য। একসময় বিএনপির ছায়ায় থাকা জামায়াতে ইসলামি এখন নিজস্ব শক্তিতে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে—আর সেটিই আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন হয়ে উঠতে পারে।
পৃথিবী সব সময়ই অস্থির। কোথাও না কোথাও কিছু একটা ঘটতেই থাকে। আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের পদধ্বনী কি শোনা যাচ্ছে? আগাম কেউই কিছু বলতে পারবেনা, হুট করে কখন কি ঘটে যাবে।ওইসব বড় বড় মাথাদের বিষয়। একজন সাধারন মানুষ হিসাবে আমার সমস্যা, আমার কাছে বড় বিষয়। হয়তো দেশের অন্য কোন নাগরিক, তার কাছে তার নিজের সমস্যা আমার সমস্যা থেকেও আরো অনেক বড় মনে হতে পারে। আমি লিখতে পারি, তাই সেটা প্রকাশ করি। সেই সমস্যাগ্রস্ত নাগরিক হয়তো লিখার অভ্যাস গড়ে তুলেননি। সে কারণে তার সমস্যাটা চাপা পড়ে থাকে। আমার কথাগুলো পাঠক সাধারণের ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু পাঠকের সামনে প্রকাশ করতে না পারলে আমার ভেতর অস্বস্তিক কাজ করবে। তাই এই প্যাঁচাল লিখছি।
আমার পাঠক জানেন, আমি মফস্বলের বাসিন্দা।আগে মৌলভীবাজার পৌরসভার ভিতরেই নিজেদের বাসায় বসবাস করতাম। কিন্তু বর্ষায় জলাবদ্ধতার সমস্যার কারণে প্রায় আড়াই বছর হলো শহরের লাগোয়া পাহাড়ি এলাকায় বাসা নিয়ে চলে এসেছি।শহরের কোলাহলমুক্ত পরিবেশে সবুজের কাছাকাছি থাকায় মন ফুরফুরে থাকে ঠিকই। কিন্তু এতদিন শহরে থাকায় সেই প্রিয় শহরের কথা ভুলতে পারিনা। প্রতিদিন সম্ভব না হলেও, অন্তত সপ্তাহে একদিন শহরের সাথে যোগাযোগ রাখতে চেষ্টা করি।
মাসের প্রথম দিন ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম। যাওয়ার পথে আমাদের পৌরসভায় (মৌলভীবাজার পৌরসভা) ঢুকলাম। চার মাস আগে গিয়ে একবার বলে এসেছিলাম, মৌলভীবাজার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ হয়ে যাওয়া সড়কখানার বেহাল দশার কথা। এই সড়ক বড়বাড়ি হয়ে সোনাপুর পর্যন্ত পৌরসভার অংশ। কয়েক বছর ধরে এই সড়কে কোন রক্ষণাবেক্ষণ কাজ হচ্ছে না। আমি সহ এলাকায় বসবাস করা অনেক সরকারি কর্মকর্তা ওই সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন। আর কেউ বেহাল দশা দেখেন কিনা আমি জানিনা! এই সড়ক দিয়ে যেতে যেতে পড়েছে কমলগঞ্জ উপজেলায় কালেঙ্গা। সেই কালেঙ্গায় প্রায় ৪০ সহস্র মানুষের বসবাস। বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। সবাইকে এই সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। প্রতিদিন সিএনজি চলে কয়েকশত। বাস ট্রাকও চলে। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার, রহিমপুর, শমশেরনগর, পতনউষার এই ইউনিয়ন গুলোর কিছু অংশের মানুষ জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের বাইপাস হিসাবে এই সড়ক ব্যবহার করেন। একজন পীর সাহেবের মাজার আছে কালেঙ্গায়। সেই মাজারে প্রতিদিন দেশের দূরদূরান্ত থেকে লোক আসেন বড় বড় কোচ (বাস) ভাড়া করে। এই সড়ক নিয়ে স্থানীয় সরকার (এলজিইডি) ও পৌরসভার মধ্যে টানা-হেচড়া ছিল দীর্ঘদিন। আমি নিজেও খুঁজে পাচ্ছিলাম না এই সড়কের মূল মালিক কারা?
পূর্বে একবার এই সড়কের কাজ করিয়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভা। আরেকবার এই সড়কে কাজ করায় স্থানীয় সরকার অর্থাৎ এলজিইডি। খোঁজখবর নিয়ে জেনেছিলাম দুই কর্তৃপক্ষই তখন কাজ করিয়েছিল তাদের তহবিলের খরচ দেখানোর জন্য। হায়রে লুটপাট! বিপত্তি এখান থেকেই শুরু হয়।
সেই চার মাস আগে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম পৌরসভা এলজিইডির সাথে একটা সমোঝতা করতে পেরেছে। তারাই এখন সড়কের উন্নয়নের কাজ করাবে। এর জন্য পাঁচ কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আজও যখন গিয়ে কথা বললাম, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী সেই পুরনো বয়ান শোনালেন। এখনো প্রকল্প অনুমোদন হয়ে আসেনি, তাই কিছু করতে পারছেন না। মধ্যে কিছু ইট দিয়ে মেরামতের চেষ্টা করা হয়েছিল। অত্যধিক ভারী গাড়ির চাকায় পীষ্ঠ হতে হতে সেই সব ইটের অস্তিত্ব প্রায় শেষ হয়ে গেছে। পুরো রাস্তা বড় বড় গর্ত হয়ে আছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই সড়ক দিয়ে মানুষ পায়ে হেঁটেও চলতে পারবে কিনা আমার সন্দেহ আছে! বর্ষার আগে সড়কটি আদৌ মেরামত হবে কিনা এই এলাকার মানুষ সন্দিহান। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন-সহ (পৌর প্রশাসক) কর্তৃপক্ষ এই সড়কের প্রতি সুনজর দেবেন এটাই কাম্য। ইতোমধ্যে আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সম্মানিত সংসদ সদস্যদেরও পেয়েগেছি। এই সড়কের অংশ পড়েছে সংসদীয় আসন মৌলভীবাজার-৩ ও মৌলভীবাজার-৪-এ। দুই আসনের সংসদ সদস্য উদ্যোমী ব্যক্তি। আমি দুজনকেই ভালো ভাবে জানি। এই লেখা তাদের নজরে গেলে নিশ্চয় সুদৃষ্টি দেবেন। এই সুযোগে আমি নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান ও মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সাফল্য কমনা করছি।
সড়কের কথা বললাম। এখন বলি মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রাণ প্রবাহ যার মাধ্যমে রক্ষা হয় সেই \'কোদালিছড়ার\' কথা। গত ক\'মাস ধরে \'কোদালিছড়া\'য়ও স্রোত নেই। ছড়ার পুরো পানি বদ্ধ হয়ে আছে। ময়লা আবর্জনা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কারণ এই ছড়ার ভাটিতে পাঁচটি স্থানে বাঁধ দিয়ে রাখা হয়েছে। কৃষকরা \'কোদালিছড়া\'র পানি দিয়ে বোরো চাষের জন্য এইসব বাঁধ দিয়েছেন। বৃষ্টি নেমে গেছে যদিও; পুরোদমে বর্ষা নামার আগে এই বাঁধগুলো পুরো কেটে না দিলে পৌর শহরের অধিকাংশ এলাকার ঘরবাড়ি প্লাবিত হতে পারে। গত বছরও এমন হয়েছিলো।
এই বাঁধগুলো অপসারণের বিষয়েও পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বললাম। কিন্তু জানলাম যেটা, সেটা হচ্ছে; বাঁধ তো পৌরসভার ভেতরে নয়, সেগুলো পড়েছে মোস্তফাপুর ও গিয়াসনগর ইউনিয়নে। এখানে পৌর কর্তৃপক্ষের কিছু করণীয় নেই। তা হলে বাঁধ অপসারণ কে করবে এখন? বর্ষার বৃষ্টি নামার আগে এইসব বাঁধ অপসারিত না হলে শহরের সৈয়ারপুর, ফাটাবিল, গীর্জাপাড়া, আরামবাগ, কলিমাবাদ, কাঁজিরগাও, বেরিরচর,গোবিন্দশ্রী, ধরকাপন, চৌমুহনা, পশ্চিমবাজার, এলাকার মানুষের কপালে দুর্ভোগ আছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসাবে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, একসময়ে জনপ্রিয় ছাত্র নেতা মৌলভীবাজার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের নির্বাচিত ভিপি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমার খুবই প্রিয়জন মিজানুর রহমান মিজান। উনাকে এবিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ার অনুরোধ করছি। কোদালিছড়ার পানি প্রবাহ ঠিক না করলে তিনিও শহরের যে এলাকায় বসবাস করেন সে এলাকার মানুষও দুর্ভোগে পড়বে।
গত বছর বৃষ্টির জমাট পানিতে তলিয়ে অনেক দোকান মালিকের লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছিল। অনেক বাসা বাড়ির আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড়, বইপত্র, জরুরী কাগজ বিনষ্ট হয়েছে। এবারও কি তাহলে সেই অবস্থাই হবে? সময় থাকতে সংশ্লিষ্টরা সজাগ হন। আমার এই লেখা পড়ে কেউ কেউ হয়তো ক্ষুব্ধ হবে, কেউ কেউ গালিও দেবেন। বলবেন বর্ষার খবর নেই, এখন কেনো এসব লেখা?
পৌরসভা থেকে বের হয়ে ব্যাংকের কাজ সেরে হাঁটতে হাঁটতে চৌমহনা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। সেখানে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি নুরুল ইসলামকে পেলাম। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিভাগে লেখাপড়া করা মানুষ। মফস্বলে থেকে সাংবাদিকতাই করছে। তার সাথে ছিল ডেইলি স্টারের মিন্টু দেশোয়াল। তাদেরকেও জানিয়ে আসলাম এই সমস্যার কথা। মিন্টু তার স্বভাব সুলভ হাঃ হাঃ করে হাসি দিয়েই গেল। বললাম খোঁজখবর নিয়ে নিউজ করার জন্য। করবে কিনা জানিনা! অবশ্য তাদের সাথে আমার আরো অনেক প্রসঙ্গে কথা হয়েছে। রাজনীতিসহ আমার ইদানিংকালের লেখালেখির ধরনধারণ বাদ যায়নি।
দীপ্ত টিভির তরুণ এক সাংবাদিকের সাথেও পরিচয় হলো। সিনিয়র হিসেবে তাকেও কিছু \'ছবক\' দিলাম। বললাম বাবার টাকা পয়সা থাকলে সাংবাদিকতা পেশায় থাকো, না হয় অন্য কিছু করার চিন্তা মাথায় রাখো। চাঁদাবাজ সাংবাদিক হয়ো না। সে অবশ্য জানিয়েছে, সরকারি চাকরির চেষ্টায় আছে। শুনে আমার ভালো লাগলো।
দুর্ভোগে অতিষ্ঠ আমি। তাই আমার এই প্যাঁচাল। এটা কারো ভালো লাগার কথা নয়। তাই এখানেই থামি। ধৈর্য নিয়ে যারা পড়বেন, সবাই ভালো থাকবেন।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও শিশু সাহিত্যিক। সাবেক সভাপতি: মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব। সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘গণমাধ্যম সাংবাদিকতা দেশ দশের আমার কথা’।