img

সোহা আলি খানের ‘সিক্রেট ডায়েট’

প্রকাশিত :  ০৯:২৬, ০৩ আগষ্ট ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩২, ০৩ আগষ্ট ২০২৫

সোহা আলি খানের ‘সিক্রেট ডায়েট’

নবাব ঘরের কন্যা অভিনেত্রী সোহা আলি খানের শরীরচর্চার নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলা তার কাছে নিঃশ্বাস নেওয়ার মতোই। স্বল্প ও সাদামাঠা খাদ্যাভ্যাস তার জীবন অতিবাহিত হয়। তবে তার এ বিধিতে নতুন সংযোজন ঘটেছে।

ফিটনেস নিয়ে ছেলেখেলা তার পছন্দ নয়। অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের ছোটকন্যা সোহা আলি খানের তাই স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মেনে চলায় পরিবর্তন এনেছেন। গত তিন মাস ধরে নতুন অভ্যাস যোগ করেছেন নিজের দৈনন্দিন রুটিনে।

গত তিন মাসে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চালকুমড়ার রস পান করেন সোহা আলি খান। শুনে নাক সিঁটকাবেন হয়তো অনেকেই। কারণ সবজিটি যতই উপকারী হোক না কেন, কারও কারও কাছে এ স্বাদ একেবারেই পছন্দ নয়। কিন্তু সেই সবজির রস খান বলি নায়িকা, তবে কোনো উপাদান ছাড়াই। কিন্তু তাতে যে সুফল মিলেছে, তা স্বীকার করেন তিনি।

প্রতিদিন খালি পেটে চালকুমড়ার রস পান করা প্রসঙ্গে সোহা আলি খান বলেন, নিজেকে ভালোবাসা বড়ই জরুরি। আর তাই গত তিন মাস প্রতিদিন সকালে উঠে আমি চালকুমড়ার রস পান করি। এটা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে দেয়, শরীরকে শীতল রাখে এবং পাশাপাশি আমার অন্ত্রকে ভালো রাখে।

তিনি বলেন, তবে হ্যাঁ, চালকুমড়ার রস বানানোর আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। রস করার আগে এক টুকরো চালকুমড়া চেখে দেখবেন। যদি তেতো হয়, তবে পুরো চালকুমড়াই বাদ দিয়ে দেবেন। নতুন কিনতে হবে, বিশ্বস্ত দোকান থেকে। কেবল পেকে যাওয়া, টাটকা এবং এমন স্বাদের হতে হবে, যা বিন্দুমাত্র তেতো নয়।

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, সকাল সকাল এ সবজির রস পান করার ফলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো হতে পারে। ফলে অম্বল হওয়া এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন। চালকুমড়ায় পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরে পানির অভাব দূর হয়, হাইড্রেটেড রাখে।

তবে যাদের সাইনাসাইটিস, অ্যাজমা, ঠান্ডা লাগার ধাত আছে, এ সবজি সবসময়ে কার্যকর নাও হতে পারে। চালকুমড়ার শীতল চরিত্র সমস্যা আরও বাড়াতে পারে। তবে অন্যদের জন্য খালি পেটে ১০০-১৫০ মিলিলিটার রস (লবণ, চিনি, লেবু ইত্যাদি ছাড়া) পান করলে উপকার মিলতে পারে সোহার মতোই।

img

ভালো লিচু চিনবেন কীভাবে

প্রকাশিত :  ১০:৪৬, ০৭ জুন ২০২৬

দেশের বাজার এখন মিলছে রসালো ফল লিচু। স্বাদের কারণে এটি অনেকেরই পছন্দের। এ ফল খুব বেশিদিন বাজারে থাকেও না। তবে অনেক ব্যবসায়ীই বেশি লাভের আশায় রাসায়নিকযুক্ত বা বাসি লিচু বিক্রি করেন। ফলের গায়ের রং, গন্ধ এবং খোসার শক্ত ভাব লক্ষ্য করে খুব সহজেই সেরা লিচুটি বেছে নেওয়া সম্ভব।ভালো লিচু চেনার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যেমন- 

লিচু কেনার সময় প্রথমেই ফলের গায়ের রঙের দিকে নজর দিন। সাধারণত উজ্জ্বল লাল বা হালকা গোলাপি রঙের লিচুগুলো বেশ মিষ্টি ও পরিপক্ব হয়। খোসার ওপর অতিরিক্ত কালো বা বাদামি দাগ থাকলে বুঝতে হবে ফলটি পচে গেছে কিংবা পুরনো। 

ফলের খোসাটি আঙুল দিয়ে আলতো করে চেপে দেখুন। টাটকা লিচু সাধারণত সামান্য শক্ত কিন্তু স্পঞ্জের মতো সামান্য নমনীয় অনুভূত হয়ে থাকে। ফলটি যদি অতিরিক্ত শক্ত হয় তাহলে বুঝতে হবে সেটি কাঁচা। খুব নরম হলে বুঝতে হবে ভেতরের অংশ পচে গেছে।

লিচুর খোসার উপরিভাগের গঠন দেখেও অনেক সময় বোঝা যায় এটি মিষ্টি কিনা। খোসার ওপরের ছোট ছোট গুটিগুলো যদি খুব ছড়ানো এবং সমতল প্রকৃতির হয় তাহলে বুঝতে হবে ফলটি পরিপক্ক হয়েছে। খোসার গায়ে কোনও ছোট ছিদ্র থাকলে সেই লিচু এড়িয়ে চলুন। কারণ এ ধরনের লিচুতে পোকা থাকার আশঙ্কা থাকে। 

বাজার থেকে লিচু কেনার সময় সবসময় ডালসহ বা গুচ্ছ আকারে থাকা ফল বেছে নেওয়া ভালো। ডালসহ লিচু অনেক বেশি সময় পর্যন্ত তাজা থাকে এবং সহজে নষ্ট হয়ে যায় না। ডালগুলো যদি একদম শুকিয়ে ভেঙে পড়ে তাহলে বুঝতে হবে ফলটি বেশ কয়েকদিন আগে গাছ থেকে পাড়া হয়েছে।

ফলের সুগন্ধ পরীক্ষার মাধ্যমেও লিচু মিষ্টি কিনা বোঝা যায় । টাটকা এবং ভালো মানের লিচুর বোঁটার কাছ থেকে মিষ্টি ও মৃদু গন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু লিচু থেকে যদি কোনও টক বা অ্যালকোহলের মতো গন্ধ বের হয় তবে বুঝতে হবে সেটি নষ্ট হতে শুরু করেছে। 

সাধারণত সুষম গোল বা ডিম্বাকৃতির এবং ওজনে ভারী লিচুগুলোর ভেতরে রসালো অংশের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। চ্যাপ্টা বা অস্বাভাবিক আকৃতির লিচুগুলোতে অনেক সময় বীজ বড় হয় এবং শাঁসের পরিমাণ কম থাকে। 

আজকাল বাজারে লিচু আকর্ষণীয় করতে কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। কেনার আগে লিচুটি হাত দিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখলে বা সামান্য পানি লাগালে যদি রং উঠে আসে তবে তা কেনা উচিত নয়। প্রাকৃতিকভাবে পাকা লিচুর রঙ কখনও অতিরিক্ত চকচকে বা কৃত্রিমভাবে নিখুঁত দেখায় না। 

বাজার থেকে কেনার পর লিচুগুলো কিছুক্ষণ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন। সবসময় খোসা ছাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই লিচু খেয়ে নেওয়া ভালো । দীর্ঘ সময় ছিলে রাখা লিচু না খাওয়াই শরীরের জন্য উপকারী। সূত্র: টিভিনাইন