img

চুলের যত্নে তিলের তেল কতটা উপকারী?

প্রকাশিত :  ১০:০১, ০৫ জুলাই ২০২৬

চুলের যত্নে তিলের তেল কতটা উপকারী?

চুলের যত্নে প্রাচীনকাল থেকেই তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চুল ও মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগাতে এই তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। সঠিক উপায়ে নিয়মিত এই তেল ব্যবহার করলে চুলের একাধিক সমস্যা দূর হয়।

তিলের তেলে থাকা ভিটামিন ই, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই তেল মাথায় মালিশ করলে মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়। এর ফলে চুল দ্রুত বাড়তে পারে।

যারা খুশকি বা শুষ্ক স্ক্যাল্পের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য তিলের তেল খুবই উপকারী। এই তেলে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া তিলের তেল চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখে। এর ফলে চুল হয় মসৃণ ও উজ্জ্বল।

অনেকেরই অল্প বয়সে চুল পাকে। এ সমস্যা কমাতে তিলের তেল কার্যকর। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের রং ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং চুলের ক্ষতি কমায়। যারা নিয়মিত হিট স্টাইলিং বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করেন, তাদের জন্য তিলের তেল চুলের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।

ব্যবহার করবেন যেভাবে 

তিলের তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করা উচিত। সংবেদনশীল ত্বকে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করলে অ্যালার্জি হতে পারে। এজন্য প্রথমে কনুইয়ের ভাঁজে বা কানের পেছনে সামান্য তেল লাগিয়ে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন।

হালকা গরম করে তিলের তেল ব্যবহার করলে এর উপকারিতা আরও বাড়ে। আঙুলের ডগা দিয়ে ধীরে ধীরে মাথার ত্বকে মালিশ করুন। খুব জোরে ঘষাঘষি ঠিক নয়। এতে চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এই তেল সপ্তাহে ১–২ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। 

কখন মাখবেন

তিলের তেল সারারাত মাথায় রেখে দেওয়া উপকারী। তবে যাদের মাথার ত্বক খুব তেলতেলে বা ব্রণ প্রবণ, তারা ১–২ ঘণ্টা রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। 


img

তীব্র গরমে স্বস্তি দেবে চার রঙের পোশাক

প্রকাশিত :  ১০:০৩, ২৯ জুন ২০২৬

দিন দিন বাড়ছে দাবদাহ। প্রখর রোদ আর গরমে ঘামে স্বাভাবিক জীবনযাপন অসম্ভব। প্রয়োজন ছাড়া তাই বাইরে বের হতেও চাচ্ছেন না অনেকেই। তারপরও দৈনন্দিন কাজ আর জীবিকার তাগিদে বের হতে হচ্ছে ছোট বড় সব বয়সের মানুষকে। আর এ প্রচণ্ড গরমে কেবল ঘামই নয়, নানা রোগবালাই যেমন সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো সমস্যাসহ হিট স্ট্রোকের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন।  

তাই গরমের দিনে বাইরে বের হওয়ার সময় পোশাকের রং শুধু ফ্যাশনের বিষয় নয়, শরীরকে তুলনামূলক স্বস্তিতে রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনেকেই গরমে কালো রংয়ের চেয়ে সাদা রংয়ের পোশাক বেশি পরেন। বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্য থেকে তাপ বিকিরণের কারণে সাদা রংয়ের পোশাক কম তাপ শোষণ করে, ফলে অস্বস্তি কম হয়। তবে সাদার পাশাপাশি আরো কয়েকটি রং রয়েছে যা আপনাকে গরমে আরামদায়ক ও স্টাইলিশ রাখতে সহায়তা করবে।

১.আকাশি

দিনের বেলা কোনো দাওয়াত বা অফিসে যাওয়ার জন্য বেছে নিতে পারেন আকাশি রঙের পোশাক। চড়া রোদ এড়িয়ে স্বস্তি দেয় এই রং। তা ছাড়া আকাশি রং সতেজ দেখায়। পরে আরাম, কাঠাফাটা রোদে চোখেরও শান্তি।

২.ধূসর

কনকনে ঠাণ্ডা হোক বা গরম, ধূসর সব মৌসুমেই আকর্ষণীয়। ধূসর একেবারেই তাপ শোষণ করে না। সাদা রঙের দুর্দান্ত বিকল্প এই ধূসর। শাড়ি, সালোয়ার কিংবা স্যুট-প্যান্ট, ধূসর সব সময়ই আলাদা একটা লুক তৈরি করে। গরমের সাজেও বাকিদের চেয়ে নিজেকে আলাদা দেখাতে, এটি পরিধান করতে পারেন।

৩.বেজ

সূর্যের তাপ ফিরিয়ে দিয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার ক্ষমতা রয়েছে এই রঙের। সাদা এবং ধূসরের চেয়েও, বেজ বেশি স্বস্তি দেয় গরমে। এই রং দেখতে কিছুটা সাদা ও ধূসরের মিশ্রণের মতো। তা ছাড়া এই মুহূর্তে বেজ যেন ফ্যাশনের আরেক নাম। ফলে বেজ রঙের পোশাকে ট্রেন্ডিও দেখাবে। বেজ রঙের সঙ্গে চাইলে ম্যাচিং করে রঙিন পোশাকও পরতে পারেন। অফিস প্রেজেন্টেশন কিংবা অ্যাসাইনমেন্ট- এই রঙের পোশাক পরতে পারেন অনায়াসে।

৪.প্যাস্টেল

এই রঙের গোত্রে পড়ে- মিন্ট গ্রিন, ল্যাভেন্ডার, পেল ইয়েলো, বেবি পিঙ্ক, মভ এবং আরও বেশ কিছু। গরমে শপিং করার সময় এই রংগুলো মাথায় রাখুন। এই রংগুলোর সূর্যের তাপ শোষণের ক্ষমতা নেই বললেই চলে। তবে গরমে নিজের আলাদা স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে, প্যাস্টেল শেডের জুড়ি মেলা ভার। আকর্ষণীয় এবং স্মার্ট লুক পেতে এই মৌসুমে সঙ্গী হোক এমনই কিছু রং।