img

হাঁসের মাংসের মালাইকারি

প্রকাশিত :  ০৪:৪০, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

হাঁসের মাংসের মালাইকারি

কনকনে শীতে হাঁসের মাংস আর গরম ভাত শুধু শরীরই গরম করবে না, মনও কেড়ে নেবে। কিন্তু অনেকেই মনে করেন বাড়িতে হাঁসের মাংস রান্না করা বেশ কঠিন। কিন্তু খুব সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারবেন হাঁসের মাংসের মালাইকারি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক হাঁসের মাংসের মালাইকারি রান্নার সহজ রেসিপি...

যা যা লাগবে

হাঁস ২টা, নারকেলের দুধ ৬ কাপ, টক দই ১ কাপ, মিষ্টি দই ১ কাপ, কাঁচা দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, আদা বাটা ৪ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা ২ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ৮ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মশালার গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ, দারুচিনি ৬ টুকরো, এলাচ ৬টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ৪টি, ঘি আধা কাপ, তেল এক কাপ, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি, বেরেস্তা আধা কাপ।

প্রণালী

হাঁস পরিষ্কার করে চামড়াসহ টুকরোগুলো ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার দুধ, হলুদ মেখে একঘণ্টা রেখে দিন। তেল ও ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ বাদামি রঙে ভেজে সব বাটা মশলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে মাংস দিয়ে আবার কিছুক্ষণ কষাতে হবে। লবণ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, তেজপাতা, মরিচ, গোলমরিচ, দই দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ৫ কাপ নারকেলের দুধ ও ২ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল কমে গেলে এক কাপ নারকেলের দুধ, বেরেস্তা, গরম মশলা গুঁড়া, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া, কাঁচা মরিচ দিয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রেখে তেলের ওপরে ভাসলেই মালাই দিয়ে নামাতে হবে।

রান্না শেষ হলে রুটি, নানরুটি, পরোটা, ভাত অথবা ভুনা খিচুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন সুস্বাদু হাঁসের মাংসের মালাইকারি।

img

বৃষ্টিতে ভিজলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিসহ মিলবে আরও ১০ উপকার

প্রকাশিত :  ১০:৩৭, ২৬ মে ২০২৬

অসহনীয় গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি অনেকের কাছেই বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ। কেউ শখ করে বৃষ্টিতে ভেজেন, আবার কেউ প্রয়োজনের তাগিদে ভিজে যান। তবে কারণ যাই হোক না কেন, বৃষ্টিতে ভেজার পর অনেকেই এক ধরনের প্রশান্তি অনুভব করেন।

অনেকের ধারণা, বৃষ্টিতে ভিজলেই সর্দি-জ্বর হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত সময় বৃষ্টিতে ভেজা শরীর ও মনের জন্য কিছু উপকারও বয়ে আনতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বৃষ্টিতে ভেজার সম্ভাব্য ১০ উপকারিতা-

১. চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে

বৃষ্টির পানিতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যালকালাইন উপাদান চুল পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে। এটি মাথার ময়লা ও খুশকি দূর করতে ভূমিকা রাখে। তবে বৃষ্টিতে ভেজার পর পরিষ্কার পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেওয়া জরুরি।

২. ত্বক সতেজ রাখে

বৃষ্টির সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যায়, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে ত্বক কিছুটা কোমল ও সতেজ অনুভূত হয়।

৩. মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়

বৃষ্টির সময় মাটির যে সোঁদা গন্ধ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় “পেট্রিকর”। এই গন্ধ মন ভালো করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক বলে মনে করেন গবেষকরা।

৪. শরীর ঠান্ডা রাখে

গরমের দিনে বৃষ্টিতে ভিজলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমে গিয়ে স্বস্তি অনুভূত হতে পারে।

৫. শ্বাসপ্রশ্বাসে স্বস্তি দেয়

বৃষ্টির সময় বাতাসে ধুলাবালি তুলনামূলক কম থাকে। এতে অনেকের শ্বাসপ্রশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।

৬. মন ভালো করে

বৃষ্টিতে ভিজলে শরীরে আনন্দ অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু হরমোনের কার্যক্রম সক্রিয় হতে পারে, যা মনকে প্রফুল্ল রাখে।

৭. ত্বকের চুলকানি কমাতে সহায়ক হতে পারে

কিছু ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানিতে ভেজার পর ত্বকে আরাম অনুভূত হতে পারে। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।

৮. ক্লান্তি দূর করে

ঝুম বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ ভেজা অনেকের মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

৯. ঘুম ভালো হতে পারে

বৃষ্টির শব্দ ও ঠান্ডা আবহাওয়া শরীরকে শান্ত করে, যা ভালো ঘুমে সহায়ক হতে পারে।

১০. প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে

ব্যস্ত জীবনে বৃষ্টিতে ভেজা মানুষকে কিছুটা নির্মল অনুভূতি দেয় এবং প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে আসে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘ সময় বৃষ্টিতে ভেজা বা অপরিষ্কার বৃষ্টির পানিতে থাকার ফলে ঠান্ডাজনিত সমস্যা, ত্বকের সংক্রমণ কিংবা অসুস্থতা হতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার পর দ্রুত শুকনো কাপড় পরা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করা উচিত।

সূত্র: বোল্ডস্কাই