img

অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়? জেনে নিন কী করবেন

প্রকাশিত :  ০৭:২৩, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৩৪, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়? জেনে নিন কী করবেন

শীতের আমেজ শুরু হয়েছে প্রকৃতিতে। এই সময় অনেকেরই সর্দি, কাশি, কফের সমস্যা দেখা দেয়। নাক-কান-গলা বন্ধ হয়ে যায়। কারও কারও মাথায় এবং ঘাড়ে ব্যথা দেখা দেয়। যারা প্রতি বছরই এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন তারা দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে সহজ কিছু নিয়ম মেনে চললে সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকতে পারবেন। 

সুস্থ থাকতে যা করবেন-

রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানি পান করুন। এতে নাক-কান-গলা পরিষ্কার থাকবে, বুকে জমা কফ দূর হবে। এছাড়াও নিয়মিত সকালে হালকা গরম পানি খেলে বদহজম, গ্যাসের যাবতীয় সমস্যা, অ্যাসিডিটি হওয়ার প্রবণতা দূর হবে। 

সকালে ঘুম থেকে উঠে সরাসরি মেঝেতে পা দেবেন না।ঘরের স্যান্ডেল পরে তারপর মেঝেতে পা দিন। তা না হলে অন্তত পাপোশে পা দেওয়ার চেষ্টা করুন। বিছানা থেকে নেমেই সরাসরি ঠান্ডা মেঝেতে পা দিলে ঠান্ডা-সর্দি লেগে যেতে পারে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এই পানীয় শরীর ডিটক্সিফাই করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে এই পানীয়।            

নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সহজে সর্দি লাগবে না। কফ বুকে জমা বা কাশির সমস্যা থেকেও রেহাই পাবেন। তবে বেশি মধু খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। 

সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোওয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। না হলে ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি বাড়বে। ঘুম থেকে উঠেই সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা থেকে বিরত থাকুন। শরীরের তাপমাত্রা পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিন। তারপর গোসল করুন। 


img

বৃষ্টিতে ভিজলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিসহ মিলবে আরও ১০ উপকার

প্রকাশিত :  ১০:৩৭, ২৬ মে ২০২৬

অসহনীয় গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি অনেকের কাছেই বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ। কেউ শখ করে বৃষ্টিতে ভেজেন, আবার কেউ প্রয়োজনের তাগিদে ভিজে যান। তবে কারণ যাই হোক না কেন, বৃষ্টিতে ভেজার পর অনেকেই এক ধরনের প্রশান্তি অনুভব করেন।

অনেকের ধারণা, বৃষ্টিতে ভিজলেই সর্দি-জ্বর হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত সময় বৃষ্টিতে ভেজা শরীর ও মনের জন্য কিছু উপকারও বয়ে আনতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বৃষ্টিতে ভেজার সম্ভাব্য ১০ উপকারিতা-

১. চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে

বৃষ্টির পানিতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যালকালাইন উপাদান চুল পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে। এটি মাথার ময়লা ও খুশকি দূর করতে ভূমিকা রাখে। তবে বৃষ্টিতে ভেজার পর পরিষ্কার পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেওয়া জরুরি।

২. ত্বক সতেজ রাখে

বৃষ্টির সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যায়, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে ত্বক কিছুটা কোমল ও সতেজ অনুভূত হয়।

৩. মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়

বৃষ্টির সময় মাটির যে সোঁদা গন্ধ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় “পেট্রিকর”। এই গন্ধ মন ভালো করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক বলে মনে করেন গবেষকরা।

৪. শরীর ঠান্ডা রাখে

গরমের দিনে বৃষ্টিতে ভিজলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমে গিয়ে স্বস্তি অনুভূত হতে পারে।

৫. শ্বাসপ্রশ্বাসে স্বস্তি দেয়

বৃষ্টির সময় বাতাসে ধুলাবালি তুলনামূলক কম থাকে। এতে অনেকের শ্বাসপ্রশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।

৬. মন ভালো করে

বৃষ্টিতে ভিজলে শরীরে আনন্দ অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু হরমোনের কার্যক্রম সক্রিয় হতে পারে, যা মনকে প্রফুল্ল রাখে।

৭. ত্বকের চুলকানি কমাতে সহায়ক হতে পারে

কিছু ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানিতে ভেজার পর ত্বকে আরাম অনুভূত হতে পারে। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।

৮. ক্লান্তি দূর করে

ঝুম বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ ভেজা অনেকের মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

৯. ঘুম ভালো হতে পারে

বৃষ্টির শব্দ ও ঠান্ডা আবহাওয়া শরীরকে শান্ত করে, যা ভালো ঘুমে সহায়ক হতে পারে।

১০. প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে

ব্যস্ত জীবনে বৃষ্টিতে ভেজা মানুষকে কিছুটা নির্মল অনুভূতি দেয় এবং প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে আসে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘ সময় বৃষ্টিতে ভেজা বা অপরিষ্কার বৃষ্টির পানিতে থাকার ফলে ঠান্ডাজনিত সমস্যা, ত্বকের সংক্রমণ কিংবা অসুস্থতা হতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার পর দ্রুত শুকনো কাপড় পরা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করা উচিত।

সূত্র: বোল্ডস্কাই