img

হঠাৎ আগুনে পুড়ে গেলে যা করবেন

প্রকাশিত :  ১৬:০৪, ৩১ মার্চ ২০১৯

হঠাৎ আগুনে পুড়ে গেলে যা করবেন

জনমত ডেস্ক ।।  প্রতিদিন রান্নার কাজ করতে গিয়ে একটু অসবাধানতায় হাত পুড়ে যায় অনেকেরই।\r\n রাঁধতে গিয়ে গরম তেল পড়ে বা গরম কড়াইয়ে ছ্যাঁকা লেগে পুড়ে যেতে পারে হাত \r\nকিংবা আঙ্গুল। আর পুড়ে যাওয়ার পরে জ্বালাপোড়া করবেই তা যত সামান্যই হোক।

আবার ক্ষত শুকিয়ে গেলেও দাগ থেকে যায় অনেক সময়। পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি \r\nসঠিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া যায় তাহলে আর জ্বালাপোড়া বা দাগের ভয় থাকে \r\nনা। চলুন, জেনে নিই তেমনই কিছু উপায়-

অ্যালোভেরা পাতা কেটে এর থেকে জেল বের করে নিন। এবার এই জেল পোড়া স্থানে\r\n লাগান। চাইলে অ্যালোভেরা জেলের সাথে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে \r\nপারেন। এটি পুড়ে যাওয়া স্থানের জ্বলাপোড়া কমিয়ে দেবে।

এক চা চামচ নারকেল তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এটি পোড়া দাগের\r\n স্থানে লাগান। নারকেল তেলে ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি এসিড, লাউরিক এসিড, আছে \r\nযা অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপাদান। \r\nএগুলো ত্বকের জ্বলাপোড়া রোধ করে থাকে।

আলু কয়েক টুকরা কেটে নিন। এবার এই আলু পোড়া জায়গা লাগিয়ে নিন। ভালো করে লাগাবেন যাতে আলুর রস পোড়া জায়গাটায় লাগে।

\r\n
\r\n
\r\n\r\n

মধুতে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান আছে যা ত্বকের পোড়া আরোগ্য সাহায্য করবে।

পোড়া স্থানে মধু দিয়ে নিন। তারপর ব্যান্ডেজ দিয়ে পুরো জায়গাটা পেচিয়ে রাখুন। এই ব্যান্ডেজ দিনে তিন চার বার পরিবর্তন করুন।

ভিনেগার এবং আপেল সাইডার ভিনেগার সমান পরিমাণের পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এটি পোড়া স্থানে লাগান।

কিছুক্ষণ পর ভিনেগার ভেজানো কাপড় দিয়ে পোড়া স্থানটি পেচিয়ে রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি পরিবর্তন করুন।

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

দেহের পুড়ে যাওয়া অংশে ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত পানি ব্যবহার করুন। খেয়াল \r\nরাখুন ব্যবহার করা পানি যেন খুব ঠাণ্ডা না হয়। পুড়ে যাওয়া স্থানে বরফ \r\nম্যাসেজ করা থেকে বিরত থাকুন। এই জন্য পুড়ে যাওয়া অংশে অবস্থিত টিস্যু নষ্ট\r\n হয়ে যেতে পারে।

img

হাটে হঠাৎ কোরবানির গরু জ্ঞান হারালে করণীয় কী

প্রকাশিত :  ১৫:০৪, ২৩ মে ২০২৬

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বহু পরিশ্রম আর পরম মমতায় লালন-পালন করা হয় গবাদিপশু। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খামারিরা আদরযত্নে নিজের প্রাণপ্রিয় গরু বা ছাগলটিকে করেন কোরবানি উপযোগী।

স্বপ্নসাধ পূরণে আপন ঠিকানা ছেড়ে প্রিয় প্রাণীটিকে নিয়ে পাড়ি দেন খামারিরা দূরদূরান্তে কোরবানির পশুর হাটে। কিন্তু দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে অনেক সময় তাঁদের পড়তে হয় অনাকাঙ্ক্ষিত-অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে। কারণ, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় কিংবা তীব্র শীতে বৈরী আবহাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে থাকা কোনো কোনো গরু অসুস্থ হয়ে যায়। কোনোটির হয় জ্বর, কোনোটির হয় খিঁচুনি। হারিয়ে ফেলে জ্ঞান। দ্রুত চিকিৎসা না করালে লাখ টাকার রঙিন স্বপ্ন মুহূর্তেই হয়ে যায় ধূসর।

এখন দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের কারণে গরুর অসুস্থতার ঘটনাও অনেক ঘটছে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, প্রচণ্ড গরমে গরু বা অন্য গবাদিপশু দ্রুত অসুস্থ হয়ে যায়। এই অবস্থায় দূরপথ পাড়ি দিয়ে গরু আনার সময় ট্রাকে বা নৌযানের কাপড় বা ত্রিপলের ছাউনি রাখতে হবে। সঙ্গে অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধ, স্যালাইন, থার্মোমিটার রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গরুর মুখ দিয়ে লালা ঝরে কি না। আবার অতিরিক্ত পাতলা পায়খানা হয় কি না। হাতে তালুর পেছনের অংশ দিয়ে গরুর কানের পেছনে তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। আরও নিশ্চিত হতে গরুর পায়ুপথের মুখে থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপতে হবে। কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করাতে হবে। হাটে আনার পথে জ্ঞান হারালে পানি ছিটাতে হবে বলে জানান ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাটে আনার পরপরই কোনো কোনো গরু জ্ঞান হারায়। তখন দ্রুত স্যালাইন পান করাতে হবে। এ জন্য নরমাল খাবার স্যালাইন পানিতে মিলিয়ে দিতে হবে। প্রতি ১ লিটার পানিতে ২ প্যাকেট স্যালাইন দিতে হবে। ক্লান্ত গরুর শক্তি জোগাতে ভিটামিন ও গ্লুকোজ-সমৃদ্ধ ওষুধ প্রাণিচিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।