img

আচার দীর্ঘদিন ভালো রাখার উপায়

প্রকাশিত :  ০৮:০৪, ২৮ জুলাই ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:০৪, ২৮ জুলাই ২০২৩

আচার দীর্ঘদিন ভালো রাখার উপায়

আচার করার জন্য শ্রম লাগে। আগ্রহ লাগে৷ আবার এটাও মনে রাখতে হবে, আচার সংরক্ষণ করা চাট্টিখানি কথা না। বয়ামে রেখে দিলে কয়েকদিন পর আচারে তেল চিটচিটে একটি ঘ্রাণ ছড়ায়। এমনকি আচারের স্বাদও প্রভাবিত হয়। তাই আচার ভালো রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

রোদে দেবেন

আচার মাঝেমধ্যেই রোদে দেবেন। বাড়িতে আচার বেশি খাওয়া না হলে আমরা ফ্রিজেই তা সংরক্ষণ করি। তবে মাঝেমধ্যে ফ্রিজ থেকে বের করে আচার রোদে দিন। 

বেশি তেল দিন

আচারের স্বাদ নষ্ট হয় যখন এর ভেতর বাতাস ঢোকে। আর এজন্য আচারে প্রচুর তেল ব্যবহার করা জরুরি৷ আচারের ওপর তেলের আস্তরণ থাকলে তা বাতাস ঢুকতে বাধা দেয়৷ তাই তেল ব্যবহার করুন। 

আচার রাখবেন কাঁচের কৌটায়

আচার ভুলেও প্লাস্টিকের কৌটায় রাখবেন না। আচার সবসময় রাখতে হবে কাঁচের বয়ামে। কাঁচের বয়ামে আচারের গুণগতমান অনেক ভালো থাকে। 

ফ্রিজ থেকে বেশিক্ষণ বাইরে রাখবেন না

রোদে দেয়ার জন্য বের করলে আলাদা হিসেব। কিন্তু খাওয়ার জন্য ফ্রিজ থেকে বের করার পর বেশিক্ষণ আচার বাইরে রাখবেন না। বাতাস লেগে আচারের স্বাদ নষ্ট হতে পারে। 

হয়, যার সব তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। উপযুক্ত সময়ে তা পেশ করা হবে।

img

পেট ভরে খাওয়ার পরও কেন ক্ষুধা লাগে?

প্রকাশিত :  ১০:৪৫, ০৩ মে ২০২৬

খাওয়া ভরপেট হলেও কিছুক্ষণ পর ফের খিদে লাগছে। অনেকেই বলছেন, এ অনুভূতির কথা।’ তবে বিশেষজ্ঞরা কিছু কারণের কথা বলছেন ক্ষুধা বাড়ার। খাদ্য কিছুক্ষণ পরেই ফের খেতে ইচ্ছা করা বা বেশি বেশি খাওয়ার পরেও আরও খেতে ইচ্ছা করা বেশি খিদে লাগার প্রধান লক্ষণ।

বার বার খিদে লাগার পাঁচ কারণ জেনে নিন-

কার্বোহাইড্রেট: রাতে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাদ্য খেলে কিছুক্ষণ পর ফের ক্ষুধা লাগতে পারে। যখন আমরা একসাথে বহু বেশি কার্বোহাইড্রেট খাই, তখন চিনির মতই তা খুব দ্রুত শরীর শুষে নেয়। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে পরিমিত আন-রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট যেমন মিষ্টি আলু, বাদামি চাল, মাছ বা মুরগি, ব্রকলি কিংবা অন্যান্য সবজি খান।

কম ঘুম: ক্ষুধা বাড়াতে ঘুম অনেকটা প্রভাব ফেলে। কম ঘুম গ্রেলিন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ক্ষুধার উদ্দীপক। যার ফলে কম ঘুম ওজনও বাড়িয়ে দিতে পারে। ভাল ঘুমের জন্য ম্যাগনেশিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি পেশি রিল্যাক্স করে। সবুজ শাক, বাদাম, বীজ, মাছ, কলা ও চকোলেটে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

তৃষ্ণা: বহু সময় তৃষ্ণাকে আমরা ক্ষুধার সাথে মিলিয়ে ফেলি। মাঝে মাঝে আমরা ক্ষুধার্ত বোধ করি কিন্তু ওই সময়ে শরীরে হয়তো প্রয়োজন এক থেকে দুই গ্লাস পানি। কিন্তু, ভরপেট খাদ্য খেয়ে ফেলি।

মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল: মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, নারীদের ক্ষুধা ও খাদ্য গ্রহণের মাত্রা বেড়ে যায়, তাদের মাসিক চক্রের দ্বিতীয়ার্ধে। ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখতে ও ক্ষুধা নিবারণে প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন মাছ, ডিম, ডাল, বাদাম ও বিভিন্ন প্রকার বীজ খান।

গর্ভকাল: গর্ভকালে ক্ষুধা বাড়ে, সাথে বাড়ে ক্যালরির চাহিদাও। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে, এ সময় স্বাস্থ্যকর খাদ্যের দিকে নজর রাখতে হবে। এ সময় রিফাইন্ড ও চিনিসমৃদ্ধ খাদ্য ত্যাগ করতে হবে।