img

ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহার করবেন যেভাবে

প্রকাশিত :  ১৬:৪০, ১৫ জুলাই ২০২৫

ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহার করবেন যেভাবে

সুন্দর ত্বকের জন্য অনেকেই বাজারের নামি দামি পণ্য ব্যবহার করেন। এতে ত্বকে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। সবচেয়ে ভালো হয় ত্বকের যত্নে ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করতে পারলে। সে ক্ষেত্রে মধুর তুলনা নেই। মধু প্রাকৃতিক ভাবে ময়েশ্চারাইজ করে ত্বককে উজ্জ্বল করে।

রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, মধু হলো এমন একটি উপাদান যা খুব দ্রুতই ত্বক সুন্দর করতে পারে। বিশেষ করে খাঁটি মধুর গুণাগুণ অপরিসীম। এতে থাকে প্রাকৃতিক এনজ়াইম। যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ত্বক মসৃণ রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিসীম। মধুর ভিতরে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈলাক্ত ত্বকের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এমনকী ত্বকে কোনও ক্ষত চিহ্ন থাকলেও মধুর ব্যবহারে তা নির্মূল করা সম্ভব। সপ্তাহে দু’দিন মধু দেওয়া স্ক্রাব করলে ত্বকের মৃত কোষ তুলে ফেলা যায়। এতে ত্বক অনেক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।নিয়মিত মধুর ব্যবহার করলে পরবর্তীকালে চর্মরোগ হওয়াও প্রতিরোধ করা যায়।

 কী ভাবে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন মধু

● মাস্ক হিসেবে খাঁটি মধু মুখে মেখে আধঘণ্টা রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ভালো থাকবে।

● বেসন, মধু ,দই-এর পেস্ট মুখের অবাঞ্ছিত ট্যান তুলতে সাহায্য করে।

যাদের ত্বক সংবেদনশীল বিশেষজ্ঞ কিংবা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন কিছুই ব্যবহার করা তাদের জন্য বিপজ্জনক।


img

বাড়িতে ঘুরে বেড়ানো সাধারণ ইঁদুরেও কি হান্টা ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে?

প্রকাশিত :  ০৭:১৪, ১৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২২, ১৫ মে ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনে ইঁদুরকে অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু নির্দিষ্ট বন্য ইঁদুর মারাত্মক ভাইরাস বহন করতে পারে, যার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো হান্টা ভাইরাস। এটি মানুষের জন্য প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঘর, পুরোনো গুদাম, টিনশেড বা স্টোররুম খোলার সময় ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সব ধরনের ইঁদুর এই ভাইরাস ছড়ায় না; নির্দিষ্ট প্রজাতি ও অঞ্চলের ওপর ঝুঁকি নির্ভর করে।

অ্যাস্টার হোয়াইটফিল্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুচিস্মিতা রাজামান্যা জানান, শহরের সাধারণ ইঁদুর সাধারণত এই ভাইরাসের বাহক নয়। বরং কিছু বন্য ইঁদুর, যেমন ডিয়ার মাউস ও ফিল্ড মাউস, বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু এলাকায় এসব ইঁদুর নিজেরা অসুস্থ না হলেও ভাইরাস বহন করতে পারে এবং তাদের মল, প্রস্রাব বা লালা থেকে তা মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় ধুলাবালির সঙ্গে ভাইরাস বাতাসে মিশে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, পুরোনো ঘর বা স্টোররুম পরিষ্কার করার সময় শুকনো ঝাড়ু বা ভ্যাকুয়াম ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে ভাইরাসযুক্ত কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বরং জীবাণুনাশক ব্যবহার এবং নিরাপদ পদ্ধতিতে পরিষ্কার করা উচিত।

হান্টা ভাইরাস সংক্রমণ খুব বেশি দেখা না গেলেও এটি গুরুতর হলে দ্রুত প্রাণঘাতী হতে পারে। শুরুতে সাধারণ ফ্লুর মতো উপসর্গ দেখা দেয়—জ্বর, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথাব্যথা। পরে অবস্থার অবনতি হলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে, যা মারাত্মক আকার নিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, বাগান, শেড বা পুরোনো ঘরে ইঁদুরের উপস্থিতি থাকলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। ঘরের ফাঁক বন্ধ রাখা, খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা এবং পরিষ্কারের সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের বার্তা হলো—ইঁদুর নিয়ে আতঙ্ক নয়, বরং সচেতনতা ও নিরাপদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসই এই ঝুঁকি কমাতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া